নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা রোধে প্রশিক্ষণ কর্মশালা - Women Words

নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা রোধে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিএসটিসি) বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্প হচ্ছে শী-ক্যান। এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে ‘নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা প্রতিরোধ এবং নারীর অধিকার’ বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সিলেট নগরীর  মিরাবাজারস্থ হোটেল সুপ্রিম এর কনফারেন্স রুমে এ কর্মশালার আয়োজন করে পিএসটিসি।

16977008_10154460384919072_1793303029_n

প্রশিক্ষন কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মেট্রপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) মোঃ রেজাউল করিম । কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার । বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর সোহেল আহমদ রিপন, নারী কাউন্সিলর শাহনারা বেগম, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মোঃ জিয়াউল কবির । এছাড়া পুলিশ, পরিবহন কর্তৃপক্ষ, বাজার কমিটি, সাংবাদিক এবং বেসরকারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান সমূহ এতে অংশগ্রহন করে ।

শী-ক্যান প্রকল্প সিলেটের ক্যাম্পেইন অফিসার সত্যজিত দত্ত পুরকায়স্থের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন একশন এইড বাংলাদেশের শী-ক্যান প্রকল্পের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ডেইজী আক্তার। কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহনকারীরা বাংলাদেশে নারীদের বর্তমান অবস্থা, সমস্যা এবং সমাধানের নানা উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা নারীর জন্য নিরাপদ শহর গড়ার লক্ষ্যে সরকারী-বেসরকারী সকল প্রতিষ্ঠানের সমান ভাবে ভূমিকা রাখা জরুরী বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মেট্রপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) জনাব মোঃ রেজাউল করিম বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে এবং এর পিছনের সামাজিক কারণ গুলো চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে ।    

উল্লেখ্য, দাতা সংস্থা Action Aid এবং UK AID এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পিএসটিসি বাংলাদেশের ৭ টি বিভাগীয় শহরের ৭ টি সিটি কর্পোরেশনের মোট ১৭টি বস্তিতে  (ঢাকার নারায়নগঞ্জ, সিলেট, রংপুর, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল) নারীর প্রতি যৌন হয়রানী ও সহিংসতা প্রশমনের লক্ষ্যে ৩ বছর মেয়াদী শী-ক্যান প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে । নারীর ক্ষমতায়ন, স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের (সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ বাহিনী, হাসপাতাল, নগর পরিবহন, বিপনী বিতান, জনচলাচলের স্থান) জেন্ডার সংবেদনশীল করণ ও ইতিবাচক মনোভাব তৈরী করা এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।