অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত

কাশ্মীরি মায়েরা কি জঙ্গি ছেলেদের ফেরাতে পারবেন?

কাশ্মীরি মায়েরা কি জঙ্গি ছেলেদের ফেরাতে পারবেন?

শুভজ্যোতি ঘোষ ভারত-শাসিত কাশ্মীরের পুলওয়ামাতে বিধ্বংসী জঙ্গি হামলার পাঁচদিনের মাথায় গতকাল ভারতীয় সেনাবাহিনী ঘোষণা করেছে, কাশ্মীরের কোনও যুবক হাতে বন্দুক তুলে নিলে তাকে দেখামাত্র হত্যা করা হবে। বিশেষত কাশ্মীরি মায়েদের প্রতি সেনাবাহিনী গতকাল বার্তা পাঠিয়েছে, তারা যেন তাদের ছেলেদের বন্দুক ছেড়ে মূল স্রোতে ফিরে আসার জন্য বোঝান। ভারতে সামরিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, কাশ্মীরে জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে জঙ্গিদের বাবা-মাকেও সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টাতেই এই পদক্ষেপ । তবে কাশ্মীরিরা নিজেরাই কিন্তু বিশ্বাস করছেন না এ ধরনের আবেদনে আদৌ কোনও কাজ হবে। পুলওয়ামাতে গত বৃহস্পতিবারের আত্মঘাতী হামলায় চল্লিশজনেরও বেশি আধা-সেনা নিহত হওয়ার পর ভারতীয় সেনাবাহিনী এদিনই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুলল। আর শ্রীনগরের সেই সাংবাদিক সম্মেলনে ফিফটিন কোরের কমান্ডার লে: জেনারেল কানওয়ালজিৎ সিং ধিল
মায়ের সামনে বাসে পিষ্ট শিশু

মায়ের সামনে বাসে পিষ্ট শিশু

মায়ের হাত ধরে যে বাস থেকে সে স্কুলের সামনে নেমেছিল, রাস্তা পেরোতে গিয়ে সেই বাসের চাকাতেই পিষে মারা গেল পাঁচ বছরের এক শিশু। ভারতরে কলকাতার দমদমের ক্রাইস্ট চার্চ স্কুলের ওই ছাত্রীর নাম অনুষ্কা কর। গতকাল মঙ্গলবার যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিভাবকদের ক্ষোভ আছড়ে পড়ল রাস্তায়। ছোট্ট শিশুটির এই পরিণতির জন্য পুলিশ, প্রশাসন, পৌরসভা, এমনকি স্কুলও যে দায় এড়াতে পারে না, সেই অভিযোগ তুলে প্রায় তিন ঘণ্টা রাস্তা আটকে রাখলেন তাঁরা। স্কুলের ভিতরেও উত্তেজনা ছড়াল। অবরোধের জেরে দীর্ঘ যানজট হয় ওই এলাকায়। পুলিশ জানায়, প্রতিদিনের মতো এ দিনও কালিন্দীর প্রগতিপল্লির বাড়ি থেকে বেরিয়ে মেয়েকে নিয়ে ২২৩ নম্বর রুটের একটি বাসে ওঠেন মা সুস্মিতা কর। সকাল পৌনে ১০টা নাগাদ বাস থেকে মেয়েকে নিয়ে নামেন তিনি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, সিঁথির বাসিন্দা কার্তিক কবি বলেন, ‘‘বাসের পিছনে একটি অটোয় আমি মেয়েকে নিয়ে ছিলাম। বাস থেকে যাত্রীরা
ভারতের প্রথম জাতি-ধর্মহীন নাগরিক স্নেহা

ভারতের প্রথম জাতি-ধর্মহীন নাগরিক স্নেহা

জাতি-ধর্মের ভেদভেদহীন মানব সমাজের স্বপ্ন দেখেন তিনি। তথাকথিত ধর্ম ও জাতি বিষয়ে কোনওদিনই বিশ্বাস ছিল না তাঁর। জাতি-ধর্মের কচকচানি থেকে ঊর্ধ্বে ওঠে মানুষ হওয়ার শিক্ষা তিনি পেয়েছিলেন পরিবারের লোকজনের কাছ থেকেই। সেই মতো ২০১০ সালে নিজেকে ‘জাতি-ধর্মহীন’ ঘোষণা করার আবেদন করেছিলেন সরকারের কাছে। দীর্ঘ ন’বছর লড়াইয়ের পর নিজের দাবির প্রেক্ষিতে সরকারি স্বীকৃতি পেলেন তিনি। তামিলনাড়ুর তিরুপাত্তুরের বাসিন্দা স্নেহা পার্থিবরাজা। বছর পঁয়ত্রিশের স্নেহা পেশায় আইনজীবী। সম্প্রতি তিরুপাত্তুরের তহশিলদার টি এস সাথিয়ামুর্তি স্নেহার হাতে তুলে দিলেন সরকারি শংসাপত্র। সেখানে লেখা, ‘তিনি কোনও জাতি বা ধর্মের অন্তর্গত নন।’ তিনিই ভারতবর্ষের প্রথম নাগরিক যিনি এই ধরনের কোনও শংসাপত্র পেলেন। এই শংসাপত্র পাওয়ার পর এক সংবাদমাধ্যমকে স্নেহা বলেছেন, ‘‘জাতপাতে বিশ্বাসীরা যদি সরকার থেকে শংসাপত্র পেয়ে থাকেন, তাহলে আমরা যাঁরা জ
ভ্যালেন্টাইন ডে’র উৎস যত কুৎসিতই হোক, এর সঙ্গে ভালোবাসা জড়িয়ে আছে

ভ্যালেন্টাইন ডে’র উৎস যত কুৎসিতই হোক, এর সঙ্গে ভালোবাসা জড়িয়ে আছে

ভ্যালেন্টাইন্স ডে নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করে ফেসবুকে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন নির্বাসিত লেখিকা তাসলিমা নাসরিন। পাঠকদের জন্য তা নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো- ভ্যালেন্টাইন ডে। অদ্ভুত একটা দিন বটে। ছোটবেলায় এরকম দিনের নাম শুনিনি। হঠাৎ যেন উড়ে এসে জুড়ে বসলো। জুড়ে বসে ভালো কাজ যদি করতে পারে করুক। ভ্যালেন্টাইন ডে’র উৎস নিয়ে নানা মুনির নানা মত। সবচেয়ে যেটা গ্রহণযোগ্য, সেটা হলো, লুপারকালিয়া বলে প্রাচীন রোমে এক উৎসব ছিলো, যেটি ফেব্রুয়ারির ১৩ থেকে ১৫ তারিখ অবধি হতো। যে উৎসবে নারী-পুরুষ প্রচুর মদ্যপান করতো, আর সঙ্গমের জন্য সঙ্গী বেছে নিতো। রোমের মানুষ তাদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হচ্ছিলো যত বেশি, প্রাচীন রোমের দেবীর নামে লুপারকালিয়া উৎসবকে তত তারা মানতে পারছিলো না। উৎসবটি খুব জনপ্রিয় ছিল বলে পুরো ছেড়েও দিতে পারছিলো না। শেষে এমন হলো, উৎসবটি করতে লাগলো, কিন্তু উৎসবটিকে সেইন্
‘গর্ভবতীদের নিয়োগ দিতে চান না চাকরিদাতারা’

‘গর্ভবতীদের নিয়োগ দিতে চান না চাকরিদাতারা’

শাহনাজ পারভীন একটি আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস গত কয়েকদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও গণমাধ্যমে। একজন নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, সন্তানসম্ভবা হওয়ার বিষয়কে কর্মস্থলে তার সবচেয়ে বড় অযোগ্যতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এই কারণে তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওএসডি করা হয়েছে বলে ঐ কর্মকর্তা অভিযোগ তুলেছেন। আলোচনা শেষমেশ সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। সংসদে এই ঘটনা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দুজন সাংসদ। কিন্তু বেসরকারি খাতে গর্ভবতী হওয়ার পর নারী কর্মীদের কি পরিস্থিতিতে পড়তে হয়? তার প্রতিকার কি ধরনের রয়েছে? অভিযোগ রয়েছে বেসরকারি খাতে কর্মীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি প্রায়শই খুশি মনে নেন না চাকরিদাতারা। যেমনটা বলছিলেন এমন সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাওয়া একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাবেক কর্মী মোরশেদা আক্তার। তিনি বলছেন, "প্রেগন্যান্ট থাকার
বিজ্ঞানে নারী ও কিশোরীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের

বিজ্ঞানে নারী ও কিশোরীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের

বিজ্ঞান শিক্ষার ক্ষেত্রে নারী ও কিশোরীদের জন্য আরো সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কিভাবে নারীর ক্ষমতায়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে, জাতিসংঘে দেওয়া এক বক্তৃতায় তা-ও তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। সোমবার জাতিসংঘ এবং এর সদস্যরাষ্ট্রসমূহ, এনজিও ও সিভিল সোসাইটি যৌথভাবে 'নারী ও কিশোরীদের বিজ্ঞান' বিষয়ক চতুর্থ আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।  'সামগ্রিক সবুজ প্রবৃদ্ধিতে নারী ও বালিকাদের জন্য বিনিয়োগের মূল্যায়ন' বিষয়ক এই আন্তর্জাতিক দিবসের প্রথম প্যানেল আলোচনায় উদ্বোধনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বাংলাদেশে কিশোরীদের উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তির ক্ষেত্রে সাফল্য বেড়েছে। গত একদশক ধরে নারীরা ধারাবাহিকভাবে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যেভাবে অগ্রসর হয়েছে তা উল্লেখ করেন তিনি। স্থায়
ইউএনওর আবেগঘন স্ট্যাটাস : সৃষ্টিকর্তার কাছে বিচার প্রার্থনা

ইউএনওর আবেগঘন স্ট্যাটাস : সৃষ্টিকর্তার কাছে বিচার প্রার্থনা

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হোসনে আরা বেগম বীনাকে সম্প্রতি বদলি করা হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন নাহিদা বারিক। যিনি ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেলের এসিল্যান্ড ছিলেন। তবে বিদায়ের আগ মুহূর্তে বেশ আলোচিত হয়েছেন ইউএনও হোসনে আরা বেগম বীনা। আলোচনার কেন্দ্রতে ছিল তার সন্তান সম্ভাবা হওয়ার বিষয়টি। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হোসনে আরার কোল জুড়ে আসে প্রথম সন্তান। তবে সন্তান অপরিপক্ক জন্ম নেওয়ায় বর্তমানে স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে (এনআইসিও) আছে । দীর্ঘ ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর মা হবার সৌভাগ্যবতী হলেও সাধনা লব্ধ সন্তানের এমন শরীরিক অবস্থা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এই ইএনও। তার নিষ্পাপ সন্তানের এমন অবস্থার জন্য একজনকে দায়ী করে গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বীনা তার ফেসবুকে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস দেন। তার ওই স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো - ‘আমি ব্যক্তিগত বিষয়গুলো সা
বিশ্বের উচ্চতম সরস্বতী

বিশ্বের উচ্চতম সরস্বতী

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু সরস্বতীর দেখা মিলবে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে। সেন্ট্রাল ডুয়ার্স প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিবছর সরস্বতীপুজোর আয়োজন হয় সেখানকার ডাকবাংলো ময়দানে। এ বছর ওই পুজো ২৩-এ পা দিল। সেই উপলক্ষে জমজমাট আয়োজন করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় চমকটা রয়েছে দেবীর মূর্তিতেই। শিল্পী দয়াল পালের তত্ত্বাবধানে ১৫ জনের একটি দল গত একমাস ধরে ৫১ ফুট উঁচু মূর্তিটি তৈরি করেছেন। তবে এখানকার সরস্বতী দুই বা চার হাতের নন, বরং অষ্টভুজা। অষ্টভুজা এই সরস্বতী এখানে মাতঙ্গী সরস্বতী নামে পরিচিত। এর আগে, সবচেয়ে বড় সরস্বতী মূর্তি বানানোর রেকর্ড ছিল বাংলাদেশের দখলে। তাদের মাত দিতেই ৫১ ফুটের মূর্তি বানানোর কথা মাতায় আসে বলে জানিয়েছেন প্রেসক্লাবের সভাপতি কৃষ্ণদেব। সম্পাদক অর্ণব সাহা এবং বাকিরা তাতে সম্মতি দিলে কাজ শুরু করা হয়। মূর্তিটি তৈরি করতে খরচ পড়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।  তবে শুধু উঁচু মূর্তি-ই নয়, এ বছর ডা
বৈশাখের সাজ

বৈশাখের সাজ

বর্ষবরণের দিনে মহা উৎসবে ডাকে সমস্ত বাঙালিদের। মেতে ওঠে উল্লাসে, উচ্ছ্বাসে। পহেলা বৈশাখ কেবলমাত্র নতুন বছরের শুরু নয়, বৈশাখ মানে মনে হয় যেন বাঙালির জীবনের হৃদস্পন্দন। এই বর্ষবরণ উত্সব এখন বাঙালির ঐক্যের প্রতীক। বৈশাখের এই বর্ষবরণ উত্সবে যে আড়ম্বর হয় তার বড় অনুষঙ্গ হচ্ছে সাজসজ্জা। আর সাজসজ্জা মানেই প্রথমত বাঙালি নারী। আর এই দিনে বিশেষ করে বাঙালি নারী মূলত বাঙালিয়ানা সাজ ও শাড়িতেই অতুলনীয়। বৈশাখী সাজের ক্ষেত্রে মূলত লাল-সাদার আধিক্য দেখতে পাওয়া যায়। পোশাকের ফেব্রিক্সটি অবশ্যই হওয়া চাই সুতি। কেননা, এ সময় আবহাওয়া প্রচণ্ড গরম থাকে, সুতি কাপড় পরলে ত্বক শ্বাস নিতে পারে। সুতি কাপড় অনান্য ফেব্রিক্সের চাইতে স্বস্তিদায়ক। বর্ষবরণ উত্সবে সাজগোজের স্বাধীনতা থাকতেই পারে, তবে খেয়াল রাখতে হবে, যেহেতু বাংলা বছরকে বরণ করার জন্য উত্সব তাই সাজসজ্জায়ও থাকতে হবে বাঙালিয়ানা। আর তা যেন আপনার সাথে মানানসই হয় এবং
এরশাদকে নিয়ে সাবেক স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

এরশাদকে নিয়ে সাবেক স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর যে গুঞ্জন উঠেছে তা ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে জাতীয় পার্টি। রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় এবং লিভারের সমস্যার উন্নত চিকিৎসা নিতে গত রোরবার সিঙ্গাপুরে যান সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। বিরোধী দলীয় এই নেতার মৃত্যুর গুঞ্জনকে গুজব বলছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদও। আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এক পোস্টে মাধ্যমে বিষয়টি জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বাঁচতে দিতে অনুরোধ করেছেন বিদিশা। দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন পাঠকদের জন্য বিদিশা ইসলাম এরশাদের পোস্টটি (ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা) হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘উনাকে আরও কিছুদিন বাঁচতে দিন। এফবিতে (ফেসবুকে) দেখেছি উনাকে মেরে ফেলেছেন। বিশ্বাস করুন, উনি আরও কিছুদিন বাঁচতে চান আমাদের ছেলে এরিকের জন্য। উনি পৃথিবীতে এরিক ছাড়া বোধহয় আর কাউকে এতো ভালোবাসেননি। আমিও সব মাতৃত্বের লড়াই ক