অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত | Women Words

অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত

ফিল্ম ক্লাবের মিলনমেলায় গাইলেন মৌসুমী-শাকিব খান

ফিল্ম ক্লাবের মিলনমেলায় গাইলেন মৌসুমী-শাকিব খান

চলচ্চিত্রের পরিচালক, প্রযোজক, তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের উপস্থিতিতে গতকাল নরসিংদীর মাধবদীর নওপারায় ‘হেরিটেজ রিসোর্টে’ হয়ে গেল বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের ‘পারিবারিক মিলনমেলা ২০২০’। আর সেই অনুষ্ঠানে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার ‘এখন তো সময় ভালোবাসার’ শিরোনামের জনপ্রিয় গানটি সকলকে গেয়ে শোনান চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। আর সেই গানে মৌসুমীর সঙ্গে গাইলেন ঢালিউডের শীর্ষ তারকা শাকিব খানও। সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মিলনমেলার আহ্বায়ক ছিলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। তারকাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আলমগীর, অঞ্জনা, ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি অমিত হাসান, ওমর সানী, শাকিব খান, শাহনূর, পপি, রত্নাসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে ওমর সানী-পপির পরিবেশনাও ছিল চোখে পড়ার মত। পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকে মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন, সোহানুর রহমান সোহান, অপূর্ব রানা, শাহীন কবির টুটুলসহ অনেকেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। চলচ্চিত্র প্রযোজ
‘বসন্ত বাতাসে সই গো ’

‘বসন্ত বাতাসে সই গো ’

‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনে কোরো না বিড়ম্বিত তারে’। কবিগুরুর কবিতার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন পয়লা ফাল্গুন আজ। স্বাগত হে বসন্ত। প্রাণ খুলে তাই কবির ভাষায় বলা যায়, ‘আহা আজি এ বসন্তে/ এতো ফুল ফোটে/এতো বাঁশি বাজে/এতো পাখি গায়’। ষড়ঋতুর দেশে আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতিতেই মূলত বসন্ত জানান দেয় তার আগমনী বার্তা। গ্রামের মেঠোপথ, নদীর পাড়, গাছ, মাঠভরা ফসলের ক্ষেত বসন্তের রঙে রঙিন হয়ে উঠবে আজ। বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম বসন্তকে নিয়ে লিখেছেন-‘বসন্ত বাতাসে সই গো’ বিখ্যাত গান। নগর জীবনেও বসন্ত ছন্দ তোলে মৃদু হিল্লোলে। কংক্রিটের নগরীতে কোকিলের কুহুস্বর ধ্বনিত হয় ফাগুনের আগমন সামনে রেখে। যানজট, কোলাহল ছাপিয়েও যেটুকু সবুজ খুঁজে পাওয়া যায় নগরে, একেই অতি আপন করে নেন নগরের কর্মব্যস্ত মানুষ। আজ ফাগুন হাওয়ার দোল লাগবে বাংলার মাঠ ঘাট তরুলতা আর দূরের দিগন্তবিস্তৃত মা
যে দেশে ‘স্তন’ উচ্চারণ নিষেধ; সেখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা কিভাবে?

যে দেশে ‘স্তন’ উচ্চারণ নিষেধ; সেখানে ক্যান্সারের চিকিৎসা কিভাবে?

সিলভাত জাফর অনেকদিন তার পরিবারকে জানাননি যে তার স্তনের মধ্যে একটি মাংসপেশী বাড়ছে। কারণ তার দেশে স্তন শব্দটি উচ্চারণ করাই বিশাল 'অপরাধ'! এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানে স্তন ক্যান্সারের হার সর্বোচ্চ। এ রোগ নিরাময়ের প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে রোগ দ্রুত শনাক্ত করা, কিন্তু পাকিস্তানের রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার কারণে অনেক নারী এ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনাও করতে চান না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, প্রতিবছর দেশটিতে ১৭ হাজারের বেশি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। যদিও পাকিস্তানের চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দাতব্য সংস্থাগুলোর হিসাবে এ সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। দেশটির প্রতি নয়জনে একজন নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন, কিন্তু সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ট্যাবুর কারণে নারীদের পক্ষে নিজের শরীরের একটি প্রত্যঙ্গ নিয়ে কথা বলা কিংবা নিজের অসুস্থতা নিয়ে কথা বলা ভীষণ কঠিন। অথচ প্রকাশ না
অন্ধ নারীরাই শনাক্ত করছেন স্তন ক্যান্সার

অন্ধ নারীরাই শনাক্ত করছেন স্তন ক্যান্সার

কোন নারীর স্তন ক্যান্সার হয়েছে কিনা কলম্বিয়াতে সেটা অন্ধ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পরীক্ষা করে দেখছেন। এই প্রকল্পটির নাম দেওয়া হয়েছে 'যে হাত জীবন বাঁচাতে পারে।' অন্ধ ব্যক্তির হাতের স্পর্শ অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ার কারণে এই ক্যান্সার শনাক্ত করার কাজে তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সারা বিশ্বে নারীরা এই ক্যান্সারেই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন এবং এতে অনেকের মৃত্যুও হচ্ছে। স্তন ক্যান্সার থেকে জীবন রক্ষার একটি উপায় হলো যতো শীঘ্র সম্ভব এটিকে শনাক্ত করা। আর এই কাজেই কলম্বিয়াতে কাজে লাগানো হয়েছে অন্ধ ব্যক্তিদের। তাদেরই একজন লিইডি গার্সিয়া বলছেন, "আমার কাছে হাতই হলো আমার চোখ। এই হাত দুটো দিয়েই আমি সারা বিশ্বকে অনুভব করতে পারি। বর্তমানে আমি যা কিছু করছি, এই হাতদুটো ছাড়া সেসব করা অসম্ভব ছিল।" লিইডি গার্সিয়া একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। স্তন ক্যান্সারের উপসর্গ শনাক্ত করার কাজে তাক
প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানীর শিকার হলে কী করবেন

প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানীর শিকার হলে কী করবেন

একজন নারীর নাম ধরুন আকলিমা আক্তার। এটি অবশ্যই তার ছদ্মনাম। বেশ কয়েক বছর আগে তিনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী ছিলেন সেখানকার এক শিক্ষক একবার তাকে নিজের কক্ষে ডাকেন। রুমে ঢোকার পর সে শিক্ষক তাঁকে অতর্কিতে জড়িয়ে ধরেন। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে যান সে ছাত্রী। নিজেকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে দ্রুত কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন সে ছাত্রী। নিজের এ দু:সহ পরিস্থিতির কথা ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের কাছে প্রকাশও করেছেন তিনি। তাদের মধ্যে কেউ-কেউ তাকে অভিযোগ দায়ের করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু তিনি বুঝতে পারছিলেন না যে কোথায় অভিযোগ করতে হবে? কার কাছে অভিযোগ করবেন? অন্য শিক্ষকদের কাছে অভিযোগ করলে তারা যদি তাকে খারাপ মনে করে? ইত্যাদি বিষয় ভাবতে-ভাবতে সপ্তাহ গড়িয়ে যায়। তাছাড়া ঘটনাটি প্রকাশ না করতে পরিবাররে দিক থেকে তাকে পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। এর কারণ হচ্ছে তথাকথিত মানসম্মানের ভয়। আকলিমার মতো এ রকম আরো অনেকে
‘তোমরাও তখন এক একটা রোহি‌ঙ্গা’

‘তোমরাও তখন এক একটা রোহি‌ঙ্গা’

তসলিমা নাসরিন রোহিংগ্যাদের ভাষা শুনে চেহারা দেখে কাপড় চোপড় দেখে তো মনে হয় তারা যত না বার্মার লোক, তার চেয়ে বেশি বাংলাদেশের লোক। ১১ লক্ষ অশিক্ষিত লোক, তার মধ্যে অনেকেই বর্বর, চোর, ডাকাত, চোরাকারবারি, খুনী, ধর্ষক, ধর্মান্ধ, সন্ত্রাসী। বাংলাদেশে এমন লোকের কি আদৌ অভাব? বাংলাদেশের লোকদের চরিত্র কি রোহিংগ্যাদের চরিত্র থেকে খুব আলাদা?বাংলাদেশে যদি বাস করতে চায় এরা, করুক। মূলস্রোতে মিশে যাক। ১৫ কোটি মানুষের দেশে ১১ লক্ষ এমন কোনও বড় সংখ্যা নয়।। পৃথিবীতে সবারই অধিকার আছে যেখানে খুশি যাওয়ার, যেখানে খুশি বাস করার। জার্মানী যখন ১১ লক্ষ অশিক্ষিত আরব মুসলমানদের আশ্রয় দিয়েছে, বাংলাদেশের লোকেরা খুশিতে হাত্তালি দেয়নি? দিয়েছে। এখন রোহিংগ্যাদের প্রশ্নে জার্মানীর মতো হতে পারছে না কেন? অন্যে উদার হলে ঠিক আছে, নিজের উদার হওয়ার দরকার নেই? রোহিংগ্যাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করছো কেন বাপু। তোমরা যখন ইউরোপ আমেরিকায় গিয়ে
বোধোদয়

বোধোদয়

সুরাইয়া শারমিন আজ আমার মেয়ের বিয়ে। আমার মেয়ে বললাম যাকে, সে ঠিক আমার মেয়ে না।আমার স্ত্রী রাবেয়ার মেয়ে।আমি যখন রাবেয়াকে বিয়ে করি, তখন রাবেয়ার আগের ঘরের এই মেয়ের বয়স মাত্র দু'বছর ছিলো।রাবেয়ার প্রথম স্বামী মারা যায় হঠাৎ করে। দুইদিনের জ্বরে।তখন রাবেয়ার মেয়ে মানে তানিয়ার বয়স মাত্র এক বছর। রাবেয়া বিধবা হওয়ার পরেও কিছুদিন শ্বশুর বাড়িতে ছিলো।তখন শশুর বাড়ির লোকেরা রাবেয়ার সাথে খারাপ আচরণ করতো। তারা সারাক্ষণ রাবেয়া কে অপয়া বলে গালি দিতো। এবং ছোট বাচ্চা টাকে অপয়া বলতো।বলতো, জন্ম নিয়েই বাপ কে খেয়েছে। অথচ রাবেয়ার শ্বশুর বাড়ির লোকরা অশিক্ষিত ছিলো না। আসলে শ্বশুর বাড়িতে রাবেয়া কে রাখতে চাই ছিলো না। এবং রাবেয়ার শ্বশুর জীবিত থাকাকালীন ওর স্বামী মারা যাওয়ায় ওরা রাবেয়ার বাচ্চাকেও সম্পত্তি দেয় নাই। রাবেয়ার চাচা রাবেয়াকে অনেক আদর করতো। উনি রাবেয়া কে উনার কাছে ঢাকায় নিয়ে আসেন। এবং উনার অফিসে চাকরি দেন। উনার বা
সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে ‘নিবেদন’

সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে ‘নিবেদন’

মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীটা অযত্নে অবহেলায় পড়ে ছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পরিত্যাক্ত একটি জায়গায়। এক পা নেই,  এক্সিডেন্ট তার জীবনকে শেষ করে ফেলেছে। পুরো শরীর জুড়ে ইনফেকশন, শরীর পচন ধরেছে, দুর্ঘন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিলো পুরো হাসপাতালে, তার কাছে কেউ আসতো না, পাশ দিয়ে গেলে নাক চেপে ধরে যেতে হতো। ‘নিবেদন’-এর পল এলড্রিন আমাদের জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে একটি ছোট ভিজিটকালে এই নাম না জানা মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী নজরে আসে নিবেদন নামের সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর মারজানা সাফাতের চোখে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক ফাহিম এর সঙ্গে যোগাযোগ করে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন। প্রথমদিকে  হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমন রোগীকে ভর্তি করতে রাজি হচ্ছিলেন না। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি  করা হয় মারজানা সাফাতের রেফারেন্সে। বর্তমানে জোরালো চিকিৎসা চলছে তার। নিবেদনের হয়ে যারা একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন তারা হলেন মারজানা সাফা
আমার বাবা

আমার বাবা

মেহজাবিন সুমায়রা লোকমান বাবা আমাকে কখনো স্কুলে নিয়ে যাননি। ব্যস্ত ছিলেন ভীষণ। স্কুলে নিয়ে যাওয়া, প্যারেন্টস-টিচার ইন্টারভিউ, স্যার ঠিক করে দেয়া, পড়ানো এই ধরনের সব কাজের দায়িত্ব ছিলো মামনির। কিন্তু তাও যখন আমাকে এস.এস.সি তে  জি.পি.এ ফাইভ পাওয়ার পর কার অবদান বেশি জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমি বলেছি বাবা। কারণ আমি বরাবর বাবার মেয়ে ছিলাম। বাবার মতো হতে চেয়েছি সবসময়। স্কুলে নিয়ে না গেলেও আমার সব বোর্ড পরীক্ষায় বাবা নিয়ে যেতেন। বাবা ছাড়া যেতে ভয় লাগতো। আমি ভালো ছাত্রী ছিলাম, কিন্তু সবসময় আমার পরীক্ষা-ভীতি ছিল এবং এখনো আছে। এস.এস.সি পরীক্ষার সময় বাবা আমাকে অনেকগুলো সাদা রঙের জামা কিনে দিলেন, যাতে একেক দিন একেক জামা পরে পরীক্ষা দিতে যাই। যেনো পরীক্ষা নয়, ঈদ। আমি বংশের প্রথম বাচ্চা, তার উপর প্রথম বোর্ড পরীক্ষা দিবো। সবার মনে যেন উৎসব! বাবা আমাকে বরাবর ওভার কনফিডেন্ট ভাবতেন, আমি জানতাম আমি এ-প্লাস পাবো। ত
মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ছেলের পোস্ট ভাইরাল

মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ছেলের পোস্ট ভাইরাল

মা দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাধারণত আগের ঘরের সন্তানেরা খুশি হন না। তবে ব্যতিক্রম যে হয় না তা কিন্তু নয়। যদিও তা খুবই কম। কিন্তু এবার যেন আগের সব ঘটনাকে ছাপিয়ে গেল। মায়ের দ্বিতীয় বিয়েতে সন্তান শুধু খুশিই হলেন না ফেসবুকে পোস্ট করে মায়ের নতুন বিবাহিত জীবনের জন্য মঙ্গলও কামানা করলেন। ইতোমধ্যে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। এনডিটিভির খবর, ফেসবুকে মায়ের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে পোস্ট করলো ছেলে। মা'কে ধন্যবাদ জানাল তাঁর আত্মত্যাগের জন্য। সেই পোস্ট অনলাইনে মন জিতল বহু মানুষের। ভারতের কেরালার কোল্লামের বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার গোকুল শ্রীধর মঙ্গলবার ফেসবুকে ওই পোস্ট করলেন তাঁর মায়ের বিবাহিত জীবন সুখের হোক এই কামনা জানিয়ে। মালয়ালম ভাষায় তিনি লেখেন, ‘‘আমার মায়ের বিয়ে ছিল। এই পোস্ট করার আগে আমাকে অনেকবার ভাবতে হয়েছে। পুনর্বিবাহ আমাদের সমাজে আজও একটা 'ট্যাবু'।'' তিনি তাঁর মায়ের একটি ছবিও শেয়ার করেন। ওই ভাইরাল হয়ে যাওয়া পোস্টে