অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত

এরশাদকে নিয়ে সাবেক স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

এরশাদকে নিয়ে সাবেক স্ত্রীর আবেগঘন স্ট্যাটাস

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর যে গুঞ্জন উঠেছে তা ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে জাতীয় পার্টি। রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় এবং লিভারের সমস্যার উন্নত চিকিৎসা নিতে গত রোরবার সিঙ্গাপুরে যান সাবেক এই রাষ্ট্রপতি। বিরোধী দলীয় এই নেতার মৃত্যুর গুঞ্জনকে গুজব বলছেন তার সাবেক স্ত্রী বিদিশা এরশাদও। আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এক পোস্টে মাধ্যমে বিষয়টি জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বাঁচতে দিতে অনুরোধ করেছেন বিদিশা। দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন পাঠকদের জন্য বিদিশা ইসলাম এরশাদের পোস্টটি (ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা) হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘উনাকে আরও কিছুদিন বাঁচতে দিন। এফবিতে (ফেসবুকে) দেখেছি উনাকে মেরে ফেলেছেন। বিশ্বাস করুন, উনি আরও কিছুদিন বাঁচতে চান আমাদের ছেলে এরিকের জন্য। উনি পৃথিবীতে এরিক ছাড়া বোধহয় আর কাউকে এতো ভালোবাসেননি। আমিও সব মাতৃত্বের লড়াই ক
রাহাফের আগে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন আরেক সৌদি নারী

রাহাফের আগে দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন আরেক সৌদি নারী

এটা এমনই এক নাটকীয় ঘটনা যার মধ্য দিয়ে সৌদি আরবে নারীদের সমস্যার ওপর নতুন করে বিশ্বের নজর পড়েছে। আঠারো বছর বয়সী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুন গত সপ্তাহে ব্যাংকক বিমানবন্দরের হোটেল কক্ষে নিজেকে অবরুদ্ধ করেন এবং আর বাড়ি ফিরে যাবেন না বলে ঘোষণা করে বিশ্বব্যাপী বিতর্কের সূচনা করেন। তিনি তার জন্মভূমি সৌদি আরব থেকে পালিয়েছেন। তাকে ঘিরে টুইটারে এক তীব্র আন্দোলন শুরু হওয়ার পর কানাডার সরকার রাহাফ মোহাম্মদ আল-কুনুনকে আশ্রয় দিয়েছে। সৌদি আরবে নারীদের অধিকার এবং মর্যাদা নিয়ে বিতর্ক যখন চলছে তখন রাহাফ আল-কুনুনের মতো আরও একজন নারী এর আগে দেশ থেকে পালিয়ে কানাডায় আশ্রয় নিয়েছেন। তার নাম সালওয়া। চব্বিশ-বছর বয়সী এই নারী তার এক বোনকে নিয়ে সৌদির আরব থেকে পালিয়ে কানাডায় চলে যান। এখানে তার নিজের বর্ণনাতেই পড়ুন তার কাহিনী: ঘর থেকে পালানোর প্রস্তুতি ছয় বছর ধরে আমরা দেশ ছাড়ার প
পাকিস্তানের দুর্গম এলাকার ‘সুপারওম্যান’ তিনি

পাকিস্তানের দুর্গম এলাকার ‘সুপারওম্যান’ তিনি

পাকিস্তানের অর্ধেকের কম নারী সন্তান জন্ম দানের সময়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীর সহায়তা পেয়ে থাকেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকাগুলোকে গর্ভবতী নারীদের সন্তান জন্ম দিতে হয় কার্যত কারো সহায়তা ছাড়াই। শেরবানু তার অভিজ্ঞতা থেকেই জানেন এটি কতটা কঠিন একটা কাজ। আর সে কারণেই তিনি ভাবলেন এ শুন্যতা তিনি পূরণ করবেন এবং এটিই তাকে পরিণত করলো ওই অঞ্চলের প্রথম প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ধাত্রীতে। "আমি আসলে কখনো গুনে দেখিনি কিন্তু এটি নিশ্চিত কমপক্ষে একশ শিশুর জন্ম হয়েছে আমার হাত ধরেই"। তিনি জানান সন্তান জন্মদানের সহায়তার বিনিময়ে তিনি অর্থকড়ি নেননা। "কেউ খুশি হয়ে চা খেতে দেয় আবার কেউবা হাতে একশ রুপি দেয়। এ এলাকার মানুষ গরীব এবং তাদের অনেকেরই কাজ নেই"। এভাবেই নিজের কাজ নিয়ে আনন্দের কথা বর্ণনা করছিলেন শেরবানু। "যখন আমার নিজের প্রথম সন্তান হয়েছিলো তখন পুরো গ্রামে কোনো ধাত্রী ছিলোনা। দ
খোলামেলা পোশাকে নাচতে বাধ্য করা হত কিশোরীদের, তারপর ধর্ষণ

খোলামেলা পোশাকে নাচতে বাধ্য করা হত কিশোরীদের, তারপর ধর্ষণ

হোমে ‘অতিথি’ এলেই বসত ‘মজলিশ’। আবাসিক কিশোরীদের পরতে হত খোলামেলা পোশাক। তার পর উত্তেজক গানের সঙ্গে নাচ, এবং সব শেষে ধর্ষণ! কেউ রাজি না হলেই জুটত মার। ভারতের বিহারের মুজাফফরপুরের হোমে নিয়মিত চলত এমনই যৌন অত্যাচার! সিবিআই -এর চার্জশিটে উঠে এসেছে এমনই বিস্ফোরক তথ্য। বিহারের মুজাফফরপুরের সরকারি হোমে যৌন কেলেঙ্কারি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ব্রজেশ ঠাকুরের বিরুদ্ধে সম্প্রতি চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। পকসো আদালতের অতিরিক্ত জেলা বিচারক আর পি তিওয়ারির এজলাসে পেশ করা ৭৩ পাতার ওই চার্জশিটের প্রায় ছত্রে ছত্রে রয়েছে হোমের কিশোরীদের উপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের বিবরণ। চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, ‘অতিথি’ এলেই কার্যত ‘জলসা’ বসত হোমে। হোমের কিশোরীদের সেজেগুজে খোলামেলা পোশাক পরতে বাধ্য করা হত। উত্তেজক ভোজপুরি গান চালিয়ে তার সঙ্গে নাচতে বলা হত। এর পর ওই কিশোরীদের উপর চলত যৌন নির্যাতন-ধর্ষণ। চার্জশিটে সিবিআই
চাইল্ড কেয়ারের অভাবে চাকরি ছাড়ছেন নারীরা

চাইল্ড কেয়ারের অভাবে চাকরি ছাড়ছেন নারীরা

২০১৪ সাল থেকে একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষক হিসেবে কাজ করতেন সাদিয়া খান। চার বছরের মাথায় অর্থাৎ ২০১৭ সালের শেষ দিকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে চলে যান তিনি। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে কাজে যোগদানও করেন। কিন্তু সে চাকরি আর বেশি দিন চালিয়ে যেতে পারেননি। কিছুদিনের মধ্যেই চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে অনার্স-মাস্টার্স পাশ করা সাদিয়া। কারণ হিসেবে তিনি জানান, "তার সন্তানের জন্য ভালো মানের চাইল্ড ডে কেয়ার ব্যবস্থা না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত" নিতে হয়েছে তাকে। গবেষণার ক্যারিয়ারটি ছেড়ে দেওয়ার পর হীনমন্যতায় ভুগতেছিলেন তিনি। আর তা কাটাতেই শুরু করেন অনলাইনে পণ্য বিক্রি। রাজধানীতে নিজের বাসায় ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন পণ্যের বিস্তারিত ক্রেতাদের কাছে বর্ণনা করছেন তিনি। এতে এখন এক দিকে যেমন সন্তানকে সময় দেন, পাশাপাশি ঘরে
১৬ বছরে প্রথম যৌন নিগ্রহের কবলে পড়েন কঙ্গনা

১৬ বছরে প্রথম যৌন নিগ্রহের কবলে পড়েন কঙ্গনা

১৬ বছর বয়সে যৌন নিগ্রহের কবলে পড়েছিলেন বলিউড  অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এমনটাই জানালেন সেলুলয়েডের ‘ঝাঁসির রানি’। স্বজনপোষণ হোক কিংবা #মিটু, বলিউড থেকে একটা আওয়াজ বরাবর সোচ্চার। সেটা হল কঙ্গনা রানাউতের প্রতিবাদী কণ্ঠ। নারীর স্বাধিকারে বিশ্বাসী এই অভিনেত্রী আপাতত ‘মণিকর্ণিকা: দ্য কুইন অব ঝাঁসি’র প্রচারে ব্যস্ত। তার মধ্যেই হায়দরাবাদে সাংবাদিকদের শোনালেন তাঁর কিশোরী বয়সের সেই দুর্ভাগ্যজনক কাহিনি। কঙ্গনা যখন ১৬ বছরের, তখন তিনি প্রথম যৌন নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ছবির প্রচারের ফাঁকে এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার তখন ১৬ বছর বয়স, সে সময় আমি থানায় প্রথম যৌন নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছিলাম।’’ তাঁর মতে, সমাজে এমন অনেকে আছেন যাঁরা প্রতিবাদী। তাই আমাদের উচিত তাঁদের নিরুৎসাহিত না করে পাশে দাঁড়ানো। নারীদের স্বনির্ভরতার প্রসঙ্গে তাঁর অবস্থান: বিষয়টি সকলের জন্য নয়। তবে যাঁরা স্বনির্ভর হতে চান, তাঁদ
জন্মদিনে সোনালির সাহসকে কুর্নিশ করলেন স্বামী

জন্মদিনে সোনালির সাহসকে কুর্নিশ করলেন স্বামী

ফাইটার। এক কথায় এটাই এখন সোনালির পরিচয়। বলিউড অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রের ক্যানসার ধরা পড়েছে গত বছর। কিন্তু ক্রমাগত লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। জন্মদিনে সে কথাই আরও মনে করিয়ে দিলেন সোনালির স্বামী গোল্ডি বহেল। গোল্ডিকে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন সোনালি। এমনই একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। গোল্ডি লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন সোনালি। লোকে বলে পার্টনার হবে প্রিয় বন্ধু, আয়না, লড়াই করার শক্তি— তুমি আমার জন্য এ সব কিছু। তার থেকেও বেশি কিছু। ২০১৮ তোমার জন্য একটা কঠিন বছর ছিল। কিন্তু তুমি সাহসের সঙ্গে যে ভাবে সামলেছ, তাতে আমি গর্বিত। … সব সময় পজিটিভ থাকাটা খুব সহজ নয়। তুমি সেটাই করেছে। তোমার জীবনের বিশেষ দিনে সব ভাল হোক তোমার জন্য, এটাই আমি চাই।’ বছরের শেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছিলেন সোনালি। তিনি লিখেছিলেন, ‘চুল কেটে ফেলার আগে শেষবার ব্লো-ড্রাই করার ছবি। আবা
রানির স্বর্ণের পিয়ানোর ছবি নিয়ে সমালোচনা

রানির স্বর্ণের পিয়ানোর ছবি নিয়ে সমালোচনা

বাকিংহাম থেকে প্রতি বছরই বড়দিনে বিশেষ বার্তা দেন রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। সেটাই রাজকীয় রীতি। কিন্তু এ বার হিতে বিপরীত হল সোনার তৈরি পিয়ানোয়! রানির কথা ছাপিয়ে নজর কেড়ে নিল ভিডিয়োয় তাঁর পিছনে সোনার পিয়ানোটি। ব্রিটেন তো বটেই, সারা পৃথিবী জুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে তাই নিয়ে চর্চা। ৯২ বছরের বৃদ্ধার পক্ষে খবরটা ভাল নয়, কারণ সেই চর্চার বেশিটাই সমালোচনা, বিদ্রুপ এবং টিপ্পনী। এক সময় মানুষ যে হাঁ করে রাজকীয় প্রাচুর্যের দিকে তাকিয়ে থাকত, সে দিন গিয়াছে— সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকালেই মালুম হচ্ছে তা। কেউ বলছেন, করদাতাদের টাকায় প্রাসাদে বসে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ঐশ্বর্যের এই দেখনদারির নিন্দা ছাড়া কিছু প্রাপ্য নয়। কেউ রানির জবানিতে নিজের কথা বসিয়ে বলছেন, ‘‘কত মানুষ খেতে পাচ্ছে না। রাস্তায় শুয়ে আছে! তাদের মন একটু অন্য দিকে ঘোরাতে এই দেখুন হাজির করেছি সোনার পিয়ানো!’’ কেউ তিক্ত সুরে বলেছেন, পিয়ানোটা ন
যাত্রী ও চালকের সহায়তায় বাসেই সন্তান প্রসব

যাত্রী ও চালকের সহায়তায় বাসেই সন্তান প্রসব

ব্যস্ত শহরের রাস্তার এক ধারে দাঁড় করানো বাসটাকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিল ভিড়টা। শুধু দাঁড়িয়েইছিল না, রুদ্ধশ্বাস প্রার্থনায় মিলে গিয়েছিল প্রতিটি মুখ। শিশুর কান্নার শব্দে সমবেত স্বস্তির শ্বাস পড়ল। সোমবার দুপুরে ৫৭ এ রুটের বাসটিই কিছু ক্ষণের জন্য হয়ে উঠেছিল ‘লেবার রুম’। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রসববেদনায় ছটফট করতে থাকা সহযাত্রিণীকে নইলে বাঁচানো যাবে না, বুঝেছিলেন বাসের চালক কমলকান্ত মান্না। তিনিই যাত্রীদের নেমে যেতে অনুরোধ করে বাসটিকে ফাঁকা করেন। দাঁড় করিয়ে দেন রাস্তার এক পাশে। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসেন অন্য সহযাত্রীরাও। নিজেরাই গরম জল আর নতুন তোয়ালে জোগাড় করে আনেন তাঁরা। অভিজ্ঞ মহিলা যাত্রীরা মানসিক ভাবে তৈরি হয়ে যান প্রসব করানোর জন্য। বড়দিনের আগে এই ভাবেই ‘গুড সামারিটান’-এর এক বিরল নজির গড়ে ফেলে হাওড়া।   শুধু এ-ই নয়, প্রসবের পরে মা ও শিশুকে নিয়ে ওই অবস্থাতেই কমলকান্ত বাস ঘ
‘ফেসবুক প্রেম নয়’ এই পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তবের ‘বীর’ হামিদ

‘ফেসবুক প্রেম নয়’ এই পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তবের ‘বীর’ হামিদ

দু’দিন আগেই পাকিস্তানের জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ভারতে ফিরেছেন হামিদ আনসারি। তিনি এখনও পস্তাচ্ছেন।  মাসুল তাঁকে ছ’বছর ধরে দিতে হয়েছে। তাই আর যাতে কেউ তাঁর মতো ‘বেলতলায়’ না যায় এখন সেই পরামর্শই ‘ফেরি’ করে বেড়াচ্ছেন মুম্বাইয়ের এ যুবক! তাঁর প্রেমকাহিনি এখন আর কারও অজানা নয়। কিন্তু সেই হামিদ বাড়ি ফিরে কী বললেন?  ভারসোভার পাঁচ তলার ফ্ল্যাটে নিজের ঘরে এক দম অন্য রকম হামিদকে নজরে এল। এই হামিদ আর প্রেমের গল্প শোনাচ্ছেন না, বরং এর থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাও আবার 'ফেসবুক প্রেম' থেকে! মুক্তির খবরটা পেয়েছিলেন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টায়। হামিদ বলেন, “জেলের ডেপুটি সুপার এসে খবর দিলেন আধ ঘণ্টার মধ্যেই প্রস্তুত হতে। আমাকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।” খবরটা পাওয়ামাত্রই এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করেননি হামিদ। বলেন, “পোশাকটা পাল্টে নিলাম। জুতো পরলাম। কনভয় প্রস্তুতই ছিল। গাড়িতে বসতেই ওয়াঘা-আটারি সীমান্তে নিয়ে আসা