স্পটলাইট

মি টু’র ধারায় এবার স্বরা ভাস্করের বিষ্ফোরক মন্তব্য

মি টু’র ধারায় এবার স্বরা ভাস্করের বিষ্ফোরক মন্তব্য

গত বছর '#মি টু' নিয়ে তোলপাড় ছিল গোটা বিশ্ব। একের পর এক যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন বিনোদন, কর্পোরেট, ক্রীড়া, সংবাদমাধ্যমের মতো বিভিন্ন পেশার নারীরা। অভিযুক্তদের তালিকায় উঠে এসেছে বিভিন্ন দেশের বহু হেভিওয়েট ব্যক্তির নামও। এবার নিজের '#মি টু' অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুললেন ভারতীয় অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। কয়েক বছর আগে কীভাবে এক পরিচালকের হাতে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন স্বরা। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে নিজের যৌন হেনস্থা হওয়ার কথা জানান ‘আনারকালি অফ আরা’র এই অভিনেত্রী। আক্ষেপ করে স্বরা ভাস্কর বলেন, ‘হেনস্থার শিকার হয়েছি, এটা বুঝতেই ৬ থেকে ৮ বছর লেগে যায় আমার।’ তবে অভিযুক্ত ওই পরিচালকের নাম না নিলেও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিযুক্ত ওই পরিচালক প্রসেঙ্গ তিনি বলেন, ‘রীতিমতো লুট করেছিলেন ওই পরিচালক।
জাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মীই যৌন হয়রানির শিকার

জাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মীই যৌন হয়রানির শিকার

জাতিসংঘের এক তৃতীয়াংশ কর্মী ও চুক্তিতে কর্মরতরা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের সহকর্মীদের কাছে। আর্ন্তজাতিক এই সংস্থার বিভিন্ন অফিসে অথবা ইভেন্টে গিয়ে নারী কর্মীরা অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ অথবা অশালীন গল্পের বিষয়বস্তু হয়েছেন। মঙ্গলবার জাতিসংঘের প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফলে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘ ও এর অন্যান্য সহযোগী সংস্থার প্রায় ৩০ হাজার ৩৬৪ কর্মীর ওপর এই অনলাইন জরিপ পরিচালনা করে বিশ্বের বৃহত্তম প্রফেশনাল পরিষেবা নেটওয়ার্ক ডিলয়েট। জাতিসংঘের সব সংস্থার মোট ১৭ শতাংশ কর্মী এই জরিপে অংশ নেয়। এক চিঠিতে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস কর্মীদের সাড়াদানের এই হারকে ‘কম মাঝারি’ মাত্রার বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, এই বিষয়টি আমাকে দুটি জিনিস সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছে। এক. প্রকাশ্যে ও পূর্ণাঙ্গভাবে যৌন হয়রানির ব্যাপারে আলোচনা করতে সক্ষম হওয়ার আগে আমাদের আরো অনেকদূর যেতে হবে।
ক্যান্সার জয়ের গল্প নিয়ে মনীষার বই

ক্যান্সার জয়ের গল্প নিয়ে মনীষার বই

বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা ২০১২ সালে ওভারিয়ান ক্যানসারে আক্রান্ত হন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর এখন তিনি ক্যানসারমুক্ত। স্বদিচ্ছা ও চেষ্টা থাকলেই কঠিন অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এমনটি প্রমাণ করেছেন তিনি। ক্যানসার জয়ের গল্প নিয়ে লিখেছেন ‘হিলড: হাউ ক্যানসার গেভ মি অ্যা নিউ লাইফ’ নামের একটি বই। বিষণ্ণ মুহূর্তের নানা কথা, অভিজ্ঞতা, সফলতা, ব্যর্থতা এমনকি দাম্পত্য জীবনের নানা দিক উপস্থাপন করে সমৃদ্ধ করেছেন বইটি। গত মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে মুম্বাইয়ে হোটেল দ্য তাজ ল্যান্ডস এন্ড-এ বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। মনীষার বইয়ের প্রকাশনা আর সেখানে বলিউডের অন্য তারকারা থাকবেন না, তা অকল্পনীয়। মনীষা কৈরালাকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে মুগ্ধ করেছেন অনেক বলিউড তারকা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেখা, অনুপম খের, জ্যাকিশ্রফ, মহেশ ভাট, গুলশান গ্রোভার, ভাগ্যশ্রী, ইমতিয়াজ আলী, দিয়া মির্জা, কেতন মে
মার খেয়েও দায়িত্বরত ছিলেন সাংবাদিক শাজিলা

মার খেয়েও দায়িত্বরত ছিলেন সাংবাদিক শাজিলা

চারপাশে তখন বিক্ষোভকারীদের তুলকালাম তাণ্ডব চলছে। তার মধ্যে দিয়েই ক্যামেরা কাঁধে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন এ ধার ও ধার। আর প্রতিটি মুহূর্তকে তিনি চটপট ক্যামেরাবন্দি করছেন। বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে বাঁচলেন না তিনিও। কিল-চড়-ঘুসি আছড়ে পড়ল তার উপর। সঙ্গে চলল চরম হেনস্থাও। ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলেন। চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছিল। কিন্তু কাঁধ থেকে ক্যামেরা সরাননি। এমনকি বিক্ষোভকারীরাও তার জেদের সামনে হার স্বীকার করতে বাধ্য হন। শত হেনস্থা সয়েও নিজের কর্তব্যে কিন্তু অবিচল থেকেছেন শাজিলা আব্দুল রহমান। কেরালার কৈরালি টিভি চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিক শাজিলা। তুঁতে রঙের সালোয়ার পরা, ডান কাঁধে ক্যামেরা, লেন্সে চোখ স্থির রেখে ছবি তুলছেন— এমনই একটি ছবি ভাইরাল হয়। শাজিলার সেই ছবি ভাইরাল হওয়ার পরই তার কর্তব্যে অবিচল থাকা এবং তার সাহসিকাতার বিপুল প্রংশসা আছড়ে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শবরীমালা নিয়ে কেরালার বিভিন্ন প্রান্
ভারতের সেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা

ভারতের সেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা

ভারতের সেরা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য পেলেন স্কচ চিফ মিনিস্টার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার। স্কচ গ্রুপের পক্ষ থেকে টুইটারে মমতাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলা হয় যে, ‘প্রশাসনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। যে সব রাজ্যের প্রশাসন ভালো কাজ করেছে ২০১৮ সালে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের স্থান রয়েছে তাদের সবার উপরে’৷ মোট ৩১টি স্কচ পুরস্কার পেয়েছে এবারের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শুধু প্রশাসন চালানোর জন্যই নয়।  সংস্কৃতি, অর্থ, গ্রাম ও নগরের উন্নয়নের জন্যও রাজ্য সরকারকে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এর আগে, কন্যাশ্রী প্রকল্পের জন্য রাষ্ট্রপুঞ্জ থেকে সম্মান পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকার। রাজ্যের কন্যাদের জীবনধারণকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই শুরু হয়েছিল এই প্রকল্প। যা সমাজের সর্বস্তর থেকেই পেয়েছে প্রভূত প্রশংসা। ১০০
বাংলাদেশের ২ হাজার মেয়েকে মুখ খুলতে হবে: তসলিমা

বাংলাদেশের ২ হাজার মেয়েকে মুখ খুলতে হবে: তসলিমা

প্রখ্যাত নারীবাদী লেখিকা তসলিমা নাসরিন শুরু থেকেই #মিটু আন্দোলনের সমর্থন দিয়ে আসছেন। তিনি নিজেই তার জীবনের অনেক নিপীড়নের গল্প প্রকাশ করেছেন বইয়ের পাতায়। এবার তিনি মুখ খুললেন বাংলাদেশে #মিটু আন্দোলন নিয়ে। এখন পর্যন্ত দুজন নারী সোশ্যাল সাইটে ‘যৌন হয়রানির শিকার হওয়া’র দাবি করে সোশ্যাল সাইটে মুখ খুলেছেন। তসলিমার মতে, এই প্রতিবাদীর সংখ্যা আরও বেশি হওয়া উচিত। নিজের ভেরিফায়েড ফেসুক অ্যাকাউন্টে তসলিমা লিখেছেন, ‘বিশ্বজোড়া #মিটু আন্দোলন চলছে। বাংলাদেশের মাত্র দুটি মেয়ে মুখ খুলেছে। দুটি নয়, দুই হাজার মেয়েকে মুখ খুলতে হবে। মেয়ে দুটি বিদেশে থাকে। বিদেশ থেকে নয়, বাংলাদেশ থেকে বলতে হবে কোন নামি দামি ভদ্রলোক তাদের যৌন হেনস্থা করেছে। বলেছে বলে কাউকে নিশ্চয়ই তসলিমার মতো নিগৃহীত হতে হবে না। যদি হতে হয় তাহলে বুঝতে হবে সমাজ সামান্যও বদলায়নি। দুইশ বছর আগে যা ছিল, দুইদশক আগে যা ছিল, এখনও তাই আছে।’
স্পটলাইটে স্কুল-অভিভাবক সম্পর্ক

স্পটলাইটে স্কুল-অভিভাবক সম্পর্ক

নমিতা দাশ সানি সেবাদাতাআরগ্রহীতাসবখানেইমুখোমুখিদাঁড়িয়েযাচ্ছেন যেন।স্কুলগুলোরবিরুদ্ধেযেভাবেঅভিযোগকরাহচ্ছেমনেহয় এগুলোস্কুলনয়-‘ক্লিনিক’, আর শিক্ষকরা ‌‌‘কসাই’। মানে ক্লিনিকগুলোকসাই-জীবিকারতাগিদে এইঅভিযোগঅথবারক্তযোগদেখেশুনেঅসারঅনুভূতি।কিন্তুনবমশ্রেণীরছাত্রীঅপমানসহ্যকরতেনাপেরেআত্মহত্যার ঘটনারআগেথেকেইচারপাশেরমা–বাবারাস্কুলআরশিক্ষকদের নিয়েএতোবিরূপমন্তব্যকরে আসছেন, এমনকিআমারনিজেরস্কুলনিয়েওঅনেকেরকাছেইখারাপমন্তব্যশুনি।শুনলেমনেহয়, আমাদেরচামড়া বোধ হয় মোটাছিলো, কিংবা বোকাছিলাম, মোবাইলছিলোনা, নেটের তো তখন জন্মই হয়নি–তাই আমাদের শিক্ষকরামারলেও, বকলেও তাঁদেরইভালোবাসতাম।আরশিক্ষকরাও মা–বাবাদের সঙ্গে সবসময় ভালো ব্যবহার করেছেন। বাচ্চার অন্যায়কে বাবা–মা’র অন্যায় মনে করে উদোর পিণ্ডি উনাদের ঘাড়ে চাপাননি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখে গেছেন, ‘যার কাছে দেনা পাওনার সম্বন্ধ, তাকে ভালোবাসা যায় না।’ স্কুলআরঅভিভাবকদেরস