সংগ্রামী নারী Archives - Page 2 of 3 - Women Words

সংগ্রামী নারী

ভারতে ঋতুমতী নারীরা জরায়ু ফেলে দিচ্ছেন!

ভারতে ঋতুমতী নারীরা জরায়ু ফেলে দিচ্ছেন!

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের হাজার হাজার নারী অস্ত্রোপচার করে তাদের জরায়ু ফেলে দিচ্ছেন। জরায়ু ফেলে দেয়া এই নারীদের মধ্যে অল্পবয়সী তরুণীরাও রয়েছেন। সম্প্রতি দুটি প্রতিবেদনে এ সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু কেন এ ধরনের কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা? জানা যাক- ভারতীয় সংস্কৃতিতে মাসিক বা রক্তস্রাব একটি ট্যাবু হিসেবে চালু রয়েছে । মাসিকের সময় নারীদের অপবিত্র ও ধর্মীয় কাজে অংশগ্রহণের অনুপযোগী বিবেচনা করা হয়। তবে সম্প্রতি এই গৎবাঁধা ধারণাকে শহুরে শিক্ষিত নারীরা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ঋতুস্রাব নিয়ে নারীদের সংকট বা ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। আখের ক্ষেতে ভাড়াটে শ্রমিক হিসেবে কাজ করার সুবিধার্থেই অনেক নারী নিজেদের জরায়ু ফেলে দিচ্ছেন। ওসমানাবাদ, সাংলি ও সোলাপুরসহ আরও কিছু জেলা থেকে দরিদ্র পরিবারের হাজার হাজারো মানুষ যেখানে প্র
সশস্ত্র বাঁধা তবু সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন মেয়েটির

সশস্ত্র বাঁধা তবু সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন মেয়েটির

কয়েক বছর ধরে, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের একটি গ্রামে কিছু সশস্ত্র পুরুষ মেয়েদের স্কুল ঘেরাও করে রাখে। যেন মেয়েরা স্কুলের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু সেখানকারই এক মেয়ে সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। এখন তিনি প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন একজন সাংবাদিক হওয়ার জন্য। বিবিসির সংবাদদাতাকে তিনি জানান তার সেই সংগ্রামের গল্প। "আমি আমার শৈশব আতঙ্কে কাটিয়েছি," বলেন, কোয়েটার সরদার বাহাদুর খান উইমেন্স ইউনিভার্সিটির ছাত্রী নাঈমা জেহরি। "এখনও এটা নিয়ে ভাবলে আমার মেরুদণ্ড কেঁপে ওঠে।" পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের খুজদার জেলার জেহারি জামশার একটি উপজাতি গ্রামে বেড়ে ওঠেন নাঈমা। তিনি বলেন, তার শৈশব একটি সময়ে হয়, যখন তার অঞ্চলে আইনহীনতা শিখরে ছিল। গণমাধ্যমের খবর জুড়ে শুধুই ছিল বেলুচ পুরুষদের ওপর লক্ষ্য করে বিভিন্ন পরিকল্পিত হামলা, অপহরণ ও হত্যার ঘটনা। ভয়, প
নারীদের ‘সেক্স স্ট্রাইক’ এর আহ্বান মার্কিন অভিনেত্রীর

নারীদের ‘সেক্স স্ট্রাইক’ এর আহ্বান মার্কিন অভিনেত্রীর

নারীদের ‘সেক্স স্ট্রাইক’ করার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো। জর্জিয়ায় নতুন গর্ভপাত আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এমন ব্যতিক্রমী ধর্মঘটের ডাক দিয়ে ব্যক্তিগত টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি বার্তা দিয়েছেন তিনি। অ্যালিসা মিলানো তার টুইট বার্তায় বলেন, নারীরা তাদের নিজের দেহের ওপর আইনি নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত তারা গর্ভবতী হওয়ার ঝুঁকি নিতে পারেন না। প্রসঙ্গত, জর্জিয়াতে গর্ভপাতের ওপর কঠোর আইন প্রণয়ন হতে যাচ্ছে। জর্জিয়ার সেই কঠোর আইনের প্রতিবাদে এমন ‘স্ট্রাইকে’র ডাক দিয়েছেন অ্যালিসা। অ্যালিসার এমন প্রতিবাদী অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠেছে। টুইটারে ‘সেক্সস্টাইক‘ হ্যাশট্যাগ চালু হয়েছে। জর্জিয়ার গভর্নর গত মঙ্গলবার গর্ভপাতবিরোধী ‘হার্টবিট’ আইনে স্বাক্ষর করেছেন। আর তা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে। আইনটিতে বলা হয়েছে, মানবভ্রুণের হৃদযন্ত্রের আওয়াজ
বিশ্বের ১০০ প্রেরণাদায়ী নারীর একজন সীমা

বিশ্বের ১০০ প্রেরণাদায়ী নারীর একজন সীমা

জন্মের পর থেকে অজানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিরদিনের মত হাঁটার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন নেত্রকোনার হৃদয় সরকার । তার মা সীমা সরকার ছেলেকে হুইল চেয়ারে বসাননি। ছেলেকে বলেছিলেন যতদিন শক্তি থাকবে ততদিন সবখানে কোলে করেই নিয়ে যাবেন। মায়ের কোলে করে গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসে হৃদয়। তার সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সারাদেশে ব্যাপক সাড়া জাগায়। মায়ের এমন ভালবাসায় মুগ্ধ হয় সারাদেশ। এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে লন্ডন ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির করা ১০০ প্রেরণাদায়ী নারীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছে হৃদয়ের মা সীমা সরকার। এই তালিকায় তার অবস্থান ৮১ নম্বরে। বিশ্বের ৬০টি দেশের ১৫ থেকে ৯৪ বছর বয়সী নারীরা রয়েছেন ওই তালিকায়। এ বিষয়ে হৃদয়ের মা সীমা সরকার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমি কখনো ভাবিনি আমার ছেলে অসুস্থ, ছেলেকে সবসময় কোলে করে সব জায়গায় নিয়ে গেছি। আমা
এক সংগ্রামী নারীর হাওর বাঁচানোর লড়াই

এক সংগ্রামী নারীর হাওর বাঁচানোর লড়াই

সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে যখন হু হু করে পানি ঢুকতে শুরু করেছে তখন তিনি ঘর ছাড়েন। একে একে হাওরগুলোকে গ্রাস করতে থাকে বানের জল। কিন্তু তখনও নিরাপদ শনির হাওর। হাজারো মানুষের মুখের দিকে চেয়ে এক নারী টানা ২৪ দিন পড়ে ছিলেন বাঁধ রক্ষায় শনির হাওরে। তিনি মনেছা বেগম। জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য। যদিও শেষ পর্যন্ত তাঁর সংগ্রাম বৃথা গেছে। গত শনিবার মাঝরাতে (রাত ১২টার দিকে) ভেঙে পড়ে তাহিরপুর ও জামালগঞ্জের শনির হাওরের বাঁধের একাংশ। ভোররাতের মধ্যেই বাঁধের তিনদিক থেকে অনর্গল পানি ঢুকে তলিয়ে যায় শনির হাওরে বেঁচে থাকা বোরো ধানের শেষ সম্বলটুকু। তবু এই নারীর গল্প প্রেরণা হয়ে থাকবে হাওরের বাতাসে। বাধ রক্ষায় চৈত্র মাসের ১১ তারিখ শনির হাওরে গিয়েছিলেন মনেছা বেগম। এরপর একটানা ২৪ দিন কাটিয়ে দেন সেখানে। তাঁর ভাষায়, ‌‌‌‌‘জানটা দিয়া দিলাম, কিন্তু বানধ বাঁচাইতে পারলাম না’‌। মার্চের শেষ সপ্
রিকশা চালক জেসমিন

রিকশা চালক জেসমিন

নারীবাদীদের কাছে এক দৃষ্টান্ত হতে পারেন চট্টগ্রামের মোসামাৎ জেসমিন৷ পুরুষশাসিত সমাজে তিনি বেছে নিয়েছেন এমন এক পেশা, যা মূলত পুরুষের কাজ হিসেবেই বিবেচিত৷ রিকশায় চালকের আসনে মেয়েদের সচরাচর দেখা যায় না বাংলাদেশে৷ জেসমিন তাই ব্যতিক্রম৷ জীবন চালাতে রিকশাকে বেছে নিয়েছেন তিনি৷ সন্তানদের ক্ষুধার্ত রাখতে চান না তিনি, চান ভালো স্কুলে তাদের পড়াতে৷ আর তাই বেছে নিয়েছেন এই পেশা৷ মুসলিমপ্রধান দেশে স্থাপন করেছেন এক ভিন্ন দৃষ্টান্ত৷ তাঁর কথায়, ‘‘আল্লাহ আমাকে একজোড়া হাত এবং একজোড়া পা দিয়েছেন৷ আমি ভিক্ষা করিনা - তারচেয়ে তার দেয়া উপহার কাজে লাগিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি৷’’ পাঁচ বছর আগে রিকশা চালানো শুরু করেন জেসমিন৷ তাঁর এক প্রতিবেশী তাঁকে কয়েকদিন রিকশা চালানোর আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন৷ জেসমিন বলেন, ‘‘শুধু নিজের কথা ভাবলে পরের বাড়িতে দাসী হতে সমস্যা ছিল না৷ কিন্তু সন্তান থাকলে সেটা সম্ভব নয়৷ আর
ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক এখন বাংলাদেশি মুনিরা

ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক এখন বাংলাদেশি মুনিরা

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩২ বছর বয়সী মুনিরা আহমেদ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের প্রতিবাদী মুখে পরিণত হয়েছেন। নিউ ইয়র্ক শহরের কুইন্সে বসবাসরত মুনিরা পেশায় মার্কিন ফ্রিল্যান্সার। গত শনিবার ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে লাখ লাখ নারীর যে প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছে; সেই প্রতিবাদে বাংলাদেশি এই তরুণীর ছবি দেখা যায় সবার হাতে হাতে। ‌‘মুনীরা আহমদ : দ্য উইমেন হু বিকাম দা ফেস অব দ্য ট্রাম্প রেসিস্টেন্স’ শিরোনামে তাকে নিয়ে স্টোরি ছেপেছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন পতাকার আদলে মাথায় হিজাব পরেছেন তিনি, চোখ-মুখে ফুটে উঠেছে অবাধ্যতার ছাপ। সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বিখ্যাত পোর্টেট ফটোগ্রাফার শিপার্ড ফেয়রি বাংলাদেশি মুনিরার ওই ছবির পোর্টেট এঁকেছেন। ১০ বছর আগে ছবিটি তুলেছিল মুনিরার বন্ধু রিদওয়ান আদহামি। ওয়াশিংটন থেকে নিউ ইয়র্কে ফেরার পর মুনিরা আহমেদ ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্
একজন অনুপ্রেরণীয় ঊর্বশী যাদব

একজন অনুপ্রেরণীয় ঊর্বশী যাদব

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের একটি উক্তি হল, 'নারীরা অনেকটা টি-ব্যাগের মতো... আপনি জানতেও পারবেন তিনি কতটা শক্তিশালী যত ক্ষণ না তাঁকে গরম জলে ফেলা হচ্ছে।' কথাটি একদম সত্যি। তাঁর কথার প্রতি সুবিচার করছেন ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরগাঁও শহরের বাসিন্দা ঊর্বশী যাদব। অসুস্থ স্বামী এবং দুই সন্তানকে একার হাতে সামলাচ্ছেন তিনি। গুরগাঁও-র সেক্টর ১৪-তে গুলাব রেস্তোরাঁ-র ঠিক বিপরীতে একটি ঠেলায় ছোলে-কুলচা বিক্রি করেন তিনি। প্রাক্তন সেনাকর্মীর পুত্রবধূ এবং একদা বড় চাকুরিজীবী অমিতের স্ত্রীর পরিচয় নিয়েই তিনি এই পেশা বেছে নিয়েছেন। এর জন্য তাঁকে বহুবার হেনস্থাও হতে হয়েছে। তবুও লেগে থেকেছেন। বিমুদ্রাকরণের মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল। এর মাঝে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েন। যেমনটা পড়েছেন ঊর্বশী-ও। ঊর্বশী এক সময় শিশুদের পড়াতেন। তাই তাঁর মধ্যে শিক্ষক সত্তা এখনও জাগ্রত। ডিজিটাল লেনদেন তাঁর পক্ষে করা বিশেষ কঠিন
ভেড়া চড়ানো মেয়েটি এখন ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী!

ভেড়া চড়ানো মেয়েটি এখন ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী!

অনুপ্রেরণাদায়ক ঘটনা বটে। তীব্র ইচ্ছাশক্তি মানুষকে কোথায় পৌছে দিতে পারে তাই যেন আরেকবার দেখিয়ে দিলেন নজত বেল্কাসেম। মরক্কোর এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম নেওয়া মেয়েটির শৈশব কেটেছে ভেড়া চড়িয়ে, সেই মেয়েটি কিনা শেষ পর্যন্ত হয়েছে ফ্রান্সের শিক্ষামন্ত্রী। এবার মূল ঘটনা জানা যাক, নজত বেল্কাসেম এর জন্ম মরক্কোর এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে ১৯৭৭ সালে। বাবা ছিলেন নির্মাণ শ্রমিক। স্বভাবতই আয় ছিল যতসামান্য। এতই সামান্য যে সংসার চালাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হতো। সেখানে মেয়েকে পড়ানো যেন বিলাসীত। কিন্তু মেয়ের জেদ পড়াশোনা করবেই। শত কষ্টের পরেও মেয়েটি তাই লেগে থাকলো নিজের ইচ্ছে পূরণে। সারাদিন মাঠে ভেড়া চড়িয়ে, মায়ের সঙ্গে দুধ বিক্রি করে সন্ধ্যাবেলায় বাড়ি ফেরা। তারপরই শুরু হতো পড়াশোনা। বেশি উপার্জনের আশায় জন্য নজতের বাবা পাড়ি জমান ফ্রান্সে। নিজে সেখানে থিতু হয়ে পরিবারকেও নিয়ে আসেন ফ্রান্সে। সেখানে গিয়েও পড়াশোনা থাম
তেভাগা আন্দোলন ও নাচোলের রানি ইলা মিত্র

তেভাগা আন্দোলন ও নাচোলের রানি ইলা মিত্র

ইলা মিত্র। এক আগুণের নাম, প্রতিবাদের ভাষার নাম, আন্দোলনের শক্তির নাম। বাঙালি এই মহিয়সী নারী শোষিত ও বঞ্চিত কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলন করেছিলেন। যে আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে শুধু কারাভোগই করতে হয়নি, সইতে হয়েছে অমানুষিক নির্যাতন। তবুও তিনি মাথা নোয়াননি। তাই তিনি পৃথিবীর পথে প্রান্তরে আন্দোলনে সংগ্রামে নারীদের পথপ্রদর্শক। তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী, নাচোলের রানি খ্যাত বিপ্লবী ইলা মিত্রের আজ ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী। বাঙলার এই সূর্যকন্যাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে উইমেন ওয়ার্ডস। সংক্ষেপে ইলা মিত্রকে তুলে ধরতে তার মৃত্যু বার্ষিকীতে এই প্রয়াস- ইলা মিত্রের জন্ম ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর, কলকাতায়। জন্মের পর তাঁর নাম রাখা হয় ইলা সেন। রমেন্দ্র মিত্রের সাথে বিবাহ হওয়ায় তাঁর নাম হয় ইলা মিত্র। এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন। বাবা নগেন্দ্রনাথ সেন। তিনি ছিলেন বৃটিশ সরকারের অধীন বাংলার একাউন্টেন্ট জেনারেল। ইলা মিত