ফিচার

দারাজ শুরু করল ‘নন্দিনী’ প্রকল্প

দারাজ শুরু করল ‘নন্দিনী’ প্রকল্প

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ (daraz.com.bd)। সম্প্রতি তারা নারীদের জন্য শুরু করল একটি বিশেষ প্রকল্প 'দারাজ নন্দিনী'। প্রযুক্তির মাধ্যমে নারী ক্ষমতায়ন ও ই-কমার্স বিষয়ক শিক্ষার মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তা তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। নারীদের প্রতি নিবেদিত বিশেষ এই প্রকল্পে বছরব্যাপী অন্তর্ভুক্ত থাকবে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন যেখানে থাকবে বিশাল অঙ্কের ডিসকাউন্ট, ফ্ল্যাশ সেল, মেগা ডিল ও বাহারি সব ভাউচার। ১৩ জানুয়ারি থেকে দারাজ নন্দিনী আয়োজন করছে বিশেষ ক্যাম্পেইন 'পাওয়ার ওমেন' যা চলবে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ৭ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে থাকছে ৭৬% পর্যন্ত মূল্যছাড়। এ ছাড়াও থাকছে ফ্যাশন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, স্পোর্টস অ্যান্ড আউটডোর পণ্যের ওপর ফ্ল্যাশসেল ও বিভিন্ন রকমের ডিসকাউন্ট ভাউচার।   সিটি ব্যাংক ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনেদেনে পাওয়া যাবে ১০% পর্যন্ত মূল্
‘সিনিয়র সিটিজেন’ হচ্ছে বার্বি

‘সিনিয়র সিটিজেন’ হচ্ছে বার্বি

কয়েক দিন পরেই ষাট পেরোবেন তিনি। হ্যাঁ, ‘সিনিয়র সিটিজেন’ হচ্ছে দুনিয়ার সব থেকে জনপ্রিয় পুতুল— বার্বি।  সেটা ১৯৫৯ সালের কথা।  ম্যাটেল সংস্থার অন্যতম কর্ণধার রুথ হ্যান্ডলার দেখতেন, তাঁর মেয়ে বারবারা যে সব পুতুল নিয়ে খেলে, সেগুলো সবই ‘বেবি ডল’, অর্থাৎ বাচ্চা বাচ্চা দেখতে পুতুল। রুথ খেয়াল করে দেখেন, ছোট্ট বারবারা মাঝেমধ্যেই কাগজের পুতুল বানিয়ে খেলছে, আর সেই সব পুতুল দেখতে একদমই বাচ্চা মেয়েদের মতো নয়, অনেকটাই বড় তারা। বারবারার সেই কাগুজে পুতুল থেকেই ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ পুতুল বানানোর বুদ্ধি মাথায় আসে রুথের। মেয়ের নামের সঙ্গে মিলিয়েই পুতুলটির নাম রাখেন— বার্বি। পরে রুথ বলেছেন, তাঁর ধারণাই ছিল না, এত জনপ্রিয় হবে সেই পুতুল। ঠিক কতটা জনপ্রিয়? ১৯৫৯ সালের ৯ মার্চ আমেরিকার এক পুতুল মেলায় অবতীর্ণ হওয়ার পরে একশো কোটির বেশি বার্বি বিক্রি হয়েছে পৃথিবী জুড়ে। প্রথম বছরেই বিক্রি হয় তিন লক্ষ পুতুল। এখন ১৫টি
বাজারে এসেছে ‘মেনস্ট্রুয়াল ড্রিঙ্কস’

বাজারে এসেছে ‘মেনস্ট্রুয়াল ড্রিঙ্কস’

পিরিয়ড হলো মেয়েদের স্বাভাবিক শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। কিন্তু পুষ্টিহীনতাসহ নানা কারণে বেশিরভাগ মেয়েদের প্রতিমাসেই পিরিয়ডের সময়টা ভীষণ কষ্টে কাটাতে হয়। কখনও অনিয়মিত পিরিয়ড, কখনও পেটে বা কোমরে ব্যথা, কখনও বা এই সময় হজমের সমস্যা কিংবা গা বমি ভাব। মাসের কয়েকটা দিন এই সব সমস্যার কারণে কাজকর্ম শিকেয় তুলতে হয় অনেককেই। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত, সন্তানধারণের পর পিরিয়ডের কষ্ট অনেকের কমে যায়। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত পিরিয়ডের সময় নিষিক্তের জন্য তৈরি হওয়া ডিম্বাণু শুক্রাণুর অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। প্রতি মাসেই এমনটা হতে থাকায় তলপেটে ব্যথা হয়। এসময় গরম পানির ব্যাগ দিয়ে শুয়ে থাকতে হয়। এছাড়া পিরিয়ড হলেই অকারণ চিন্তা, মানসিক অবসাদ, শারীরিক কষ্টের কারণে বিরক্তিইত্যাদি নানা কারণে শরীর ও মন ভাল থাকে না। মেয়েদের এই বিশেষ সময়ের কথা মাথায় রেখেই ভারতের বাজারে এসেছে 'মেনস্ট্রুয়াল ড্রিঙ্কস'। প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি
লম্বা চুল দিয়ে গিনেস খেতাব জয়

লম্বা চুল দিয়ে গিনেস খেতাব জয়

কোমর অবধি চুল, বা হাঁটু পার করা চুলের গল্প তো অনেক শুনেছেন। কিন্তু একেবারে গোড়ালি পর্যন্ত চুল দেখেছেন? ১০ বছর আগে পার্লারে চুল কাটাতে গিয়ে বিচ্ছিরি হেয়ারকাট নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন ছয় বছরের মেয়ে। আজ বিশ্বের সব থেকে লম্বা চুলের অধিকারি ওই কিশোরীই গিনেস ওয়ার্ল্ডের খেতাব জয় করেছেন চুলের সৌজন্যেই। গুজরাটের বাসিন্দা নীলাংশী প্যাটেল খারাপ চুলকাটার ঘটনায় বিরক্ত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জীবনে চুলই কাটবেন না আর। ষোড়শী এই কিশোরী বিশ্বে দীর্ঘতম চুলের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছেন। তার চুলের দৈর্ঘ্য শুনে বাস্তবিকই স্তম্ভিত হয়ে যেতে হয়। ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি মাপের চুল নিয়ে নীলাংশী যেন রূপকথার র‌্যাপুনজেল! তিনি বলেন, বিচ্ছিরিভাবে আমার চুল কেটেছিল সেবার। এতই রাগ আর বিরক্তি হয়েছিল যে, আমি সিদ্ধান্ত নিই আর কখনই চুল কাটব না। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ৬। সেই থেকে ১০ বছর পার হলো, চুল কাটিনি আমি। নীলাংশিকে
কষ্ট ঠেকানো যায় না… শুধু সয়ে যেতে হয়

কষ্ট ঠেকানো যায় না… শুধু সয়ে যেতে হয়

মাসরুর রাসেল একটা সম্পর্কে শুধু ভালোবাসা থাকেনা; রাগ, অভিমান, কষ্ট সব থাকে, সব ! কিন্তু সমস্যা হলো মানুষ শুধু কষ্ট পেলেই একজন আরেকজনকে ভুলে যেতে চায়! আচ্ছা চাইলেই কি কাউকে ভুলে যাওয়া যায়? যায়না.. আরো বেশি মনে পড়ে, মনে পড়ে যায় তার স্মৃতিগুলো। একটা সময় যে মানুষটার ফোন কল আপনি ঘুম ভাঙ্গানোর ‘রিংটোন’ হিসেবে ব্যবহার করতেন, সে যখন বেলা দশটা বেজে যাবার পরেও কোনো কল করেনা.. তখন তাকে মনে পড়বেই; স্বাভাবিক। সামান্য রাত জাগার জন্য যে মানুষটা আপনাকে রোজ এত্তোগুলা ঝাড়ি দিয়ে গাল ফুলিয়ে থাকতো, সেখানে আপনি ভোর রাতে ঘুমালেও যখন কেউ কিছু বলে না, তখন তো শূন্যতা অনূভব করবেই.. এটাই সিস্টেম। জীবনে ঘটে যাওয়া অনেক কিছুই মানুষ ভুলতে পারে না; অবচেতন মন তাকে ভুলতে দেয় না… হঠাৎ হঠাৎ মনে করিয়ে দেয়..!! আচ্ছা কেউ যখন কাউকে ভুলতেই না পারে তাহলে টিকে থাকে কিভাবে? মানুষ একটা আজব প্রাণী, মানুষ সব পারে, সব"! পাহ
চিত্তরঞ্জন লেনের ‘যুগশক্তি’ বাড়িটা

চিত্তরঞ্জন লেনের ‘যুগশক্তি’ বাড়িটা

শবনম সুরিতা ডানা গ্রীষ্মকাল হোক কিবা শীতের দিন। ছোটবেলার ছুটি মানেই ছিল ধূলো উড়িয়ে, ঘাম ঝরিয়ে দল বেঁধে করিমগঞ্জে দাদুর বাড়িতে হানা দেওয়া। ভারতবর্ষের একটি নিতান্ত প্রান্তিক শহরের তস্য প্রান্তিক কোণে সরু হাড় জিরজির করতে থাকা ‘চিত্তরঞ্জন লেন’। সেই গলিতে নাক বরাবর হাঁটলে খান কতক বাড়ি পেরোলেই টিমটিম করা একটি নীচু একতলা বাড়ি। বাড়িটির গায়ে ক্ষয়ে যাওয়া অক্ষরে লেখা ‘যুগশক্তি’। অথৈ রহস্যে ভরপুর সেই বাড়িতেই আমার মায়ের জন্ম, আমার দৌরাত্মের আঁতুড়ঘর। ‘যুগশক্তি’-র বাড়িতে নিয়ম মেনে সকাল হত মাছবিক্রেতার আনাগোনায়। নাতি-নাতনী-মেয়ে-জামাইদের আগমন চিত্তরঞ্জন লেনে চির অসম্পূর্ণ মানা হত দু’বেলা মাছদের বৈপ্লবিক সংখ্যাহ্রাস না ঘটালে। দুপুরবেলায় কানাউঁচু স্টিলের থালায় মাছভাজা সহকারে মুসুর ডাল, মুড়ি ঘন্ট, তেল কই না পড়লে আমার যেমন মনে হত না যে ছুটি পড়েছে, সেভাবেই সন্ধ্যেবেলা লোডশেডিং ছিল অবধারিত। ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঝিঁঝ
আলোকচিত্রে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

আলোকচিত্রে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

প্রিয় নেতার অপেক্ষা... শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লোকে লোকারণ্য সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লোকে লোকারণ্য সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা প্রিয় নেতার অপেক্ষা... প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মরদেহ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এসে পৌছানোর পর। সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) এর শ্রদ্ধাঞ্জলি শ্রদ্ধা জানাতে এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক বিষন্ন মনে দাড়িয়ে প্রবীণ রাজনীতিবিদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের একমাত্র ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত  
আজ বিজয়ের দিন

আজ বিজয়ের দিন

শীতের কুয়াশা ভেদ করে পূর্ব দিগন্ত রাঙিয়ে প্রতিদিনের মতো আরেকবার হাজির ভোরের সূর্য। তবে প্রতিদিনের মতো নয় আজকের সূর্য। আজকের সূর্য অন্য এক অর্থ বহন করে, অন্য এক গৌরবের স্মারক। পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্তির দিন আজ। আজ ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের স্মৃতিবিজড়িত দিন। শুধু বাংলাদেশ নয় সারা বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষি প্রতিটি মানুষ আজ দিনটি পালন করবে বিপুল আনন্দ-উৎসব এবং একই সঙ্গে বেদনা নিয়ে। দেশের স্বাধীনতার জন্য যে অকুতোভয় বীর সেনানীরা জীবন তুচ্ছ করেছিলেন, জাতি আজ গভীর বেদনা ও পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে সেইসব মৃত্যুঞ্জয়ী বীরদের। এ দিন আমাদের। এ বাংলাদেশ আমাদের, এ স্বাধীনতা আমাদের। এ বিজয় আমাদের। এ দিনে বাঙালি কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করবে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতাসহ স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যান্য নেতা, শহীদ এবং বেঁচে থাকা বীর ম
পথ চলতে নারীর জন্য সাত বিপজ্জনক শহর

পথ চলতে নারীর জন্য সাত বিপজ্জনক শহর

থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের সম্প্রতি একটি জরিপে উঠে এসেছে পরিবহন ব্যবস্থার কারণে বিশ্বে নারীদের চলাচলে সবচেয়ে বিপজ্জনক সাতটি শহরের নাম। ৬,৫৫০ জন নারীর উপর চালানো ঐ জরিপে উঠে আসা শহরগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো- নয়া দিল্লি (ভারত) : কোনো নারী যদি একা একা এই শহরটি ঘুরে বেড়াতে চান, তবে তা নাকি সম্ভব নয়। এই শহরে আড়াই কোটি মানুষের বাস, মানুষের বাসবাসের দিক দিয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজধানী এটি। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চলন্ত বাসে ২৩ বছরের এক তরুণীর গণধর্ষণের ঘটনাই প্রমাণ করে যে শহরটির গণপরিবহন ব্যবস্থা কতটা অনিরাপদ। বোগোটা (কলম্বিয়া) : নারীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিবহন ব্যবস্থার তালিকায় প্রথম স্থান বোগোটার। জরিপ বলছে, বোগোটায় ৯৬ লাখ মানুষের বাস। অথচ সেখানকার বাস ও ট্রেনের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে রাতে কোনো নারী বাস ও ট্রেনে চলাফেরা করলে যৌন হয়রানি ও ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে থাকেন।