প্রতিক্রিয়া | Women Words

প্রতিক্রিয়া

আমার বাবা

আমার বাবা

মেহজাবিন সুমায়রা লোকমান বাবা আমাকে কখনো স্কুলে নিয়ে যাননি। ব্যস্ত ছিলেন ভীষণ। স্কুলে নিয়ে যাওয়া, প্যারেন্টস-টিচার ইন্টারভিউ, স্যার ঠিক করে দেয়া, পড়ানো এই ধরনের সব কাজের দায়িত্ব ছিলো মামনির। কিন্তু তাও যখন আমাকে এস.এস.সি তে  জি.পি.এ ফাইভ পাওয়ার পর কার অবদান বেশি জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমি বলেছি বাবা। কারণ আমি বরাবর বাবার মেয়ে ছিলাম। বাবার মতো হতে চেয়েছি সবসময়। স্কুলে নিয়ে না গেলেও আমার সব বোর্ড পরীক্ষায় বাবা নিয়ে যেতেন। বাবা ছাড়া যেতে ভয় লাগতো। আমি ভালো ছাত্রী ছিলাম, কিন্তু সবসময় আমার পরীক্ষা-ভীতি ছিল এবং এখনো আছে। এস.এস.সি পরীক্ষার সময় বাবা আমাকে অনেকগুলো সাদা রঙের জামা কিনে দিলেন, যাতে একেক দিন একেক জামা পরে পরীক্ষা দিতে যাই। যেনো পরীক্ষা নয়, ঈদ। আমি বংশের প্রথম বাচ্চা, তার উপর প্রথম বোর্ড পরীক্ষা দিবো। সবার মনে যেন উৎসব! বাবা আমাকে বরাবর ওভার কনফিডেন্ট ভাবতেন, আমি জানতাম আমি এ-প্লাস পাবো। ত
‘আমি আসামের মুসলিম নারী, আমি গরুর মাংস খাবো না?’

‘আমি আসামের মুসলিম নারী, আমি গরুর মাংস খাবো না?’

ভারতের আসাম রাজ্যের বিশ্বনাথ জেলায় গরুর মাংস বিক্রির ‘অপরাধে' সওকত আলি নামে এক ব্যক্তিকে মারধর এবং তাকে জোর করে শূকরের মাংস খাইয়ে দেয়ার ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। তাকে প্রাণভিক্ষা চাইতেও বাধ্য করা হয়। পরে অসুস্থ শওকতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ফুঁসছে ইন্টারনেট। ঘটনাটি নিয়ে আসামের অর্থমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মাকে এক হৃদয়স্পর্শী চিঠি লিখেছেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রুবিনা সরকার। এই তরুণীর চিঠিটি এখানে তুলে দেয়া হলো।  প্রিয় হিমান্ত বিশ্ব শর্মা স্যার,  আপনি দয়া করে ভিডিওটি দেখুন এবং আমাকে বলুন এটা দেখে আপনার কেমন লেগেছে। প্রায় ৮ ঘণ্টা হয়ে গেছে আমি ভিডিওটি দেখেছি এবং এখন পর্যন্ত এটা আমাকে যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আমি খুবই অসহায় বোধ করছি। আমি নিজের রাজ্যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।  ধর্মনিরপেক্ষ পরিবেশে সংবিধান প্রণেতারা এ সম্পর্কে কী বলবেন, আমাকে
নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে

নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে

তিতাস পারের কোনো একটি জায়গায় হয়তো এই গল্পের শুরু। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসের ঘটনা পরম্পরার সাথে সেই গল্পের একটা যোগসূত্র রয়েছে। যেখানে নদীতে ভেসে আসা এক ছোট্ট শিশুকে ঘিরেই ঘটনার সূত্রপাত। শিশু জাইদুলকে ঘিরে মঙ্গল ও তার পরিবারে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা পরম্পরা ধীরে ধীরে একাত্তরে ঘটে যাওয়া পাকসেনা ও রাজাকারদের সাথে মুক্তিবাহিনীর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া অনেকটা নানান লৌকিকতায়, বিভিন্ন মিথ ও স্থানীয় কৃষ্টিতে ফুটে ওঠে। আবার মনে হয় এই ঘটনায় যেসকল চরিত্র দৃশ্যমান তারচেয়েও হয়তো অদৃশ্যমান ছায়ার আড়ালে অসংখ্য চরিত্র এই নাটকের মূল সুরকে টেনে নিয়ে চলে, কখনো পাহাড়ি ঝর্নার সুরে সুরে, কখনো সমতলের গীত ও ছন্দে, কখনো নদীর ধাবমান হাওয়ায়। ঘটনার যেখানে শুরু হয়তো তারচেয়েও অনেক আগে সেই ঘটনার সূত্রপাত! একবার মনে হয় সবকিছু দৃশ্যমান, আবার মনে হয় অদৃশ্যমান চরিত্রগুলোরই বেশি উপস্থিতি। যেসকল মানুষের মিথস্ক্রিয়
পৃথুলা, বোনটি আমার…

পৃথুলা, বোনটি আমার…

অদিতি দাস পৃথুলা রশীদকে আমি জানি না। সত্যি বলতে নেপালের মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার আগে পর্যন্ত তাঁর নামের সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। এখন নানা কারণে তাঁর সম্পর্কে জানার তাগিদ দিচ্ছিল হৃদয়। সেই তাগাদা থেকে ফেসবুকে খুঁজে-পেতে পেয়েও যাই পৃথুলার ‘ঠিকানা’। অনেকক্ষণ ধরে ঘুরি-ফিরি তাঁর ফেসবুক আঙ্গিনায়। তা দেখে আপাত উপলব্ধি- মেয়েটি মা-বাবার আদুরে ছিলেন, হইহুল্লোড়, আড্ডায়ও সরব ছিলেন। পরিপাটি থাকতেই পছন্দ করতেন। কাজের ফাকেঁ সুযোগ পেলেই বন্ধু-স্বজনদের নিয়ে বাইরে খেতে বের হতেন। আমি দেখি আর অবাক হই। এমন আদুরে মেয়ে কিনা জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে কেমন নির্ভীক সাহসী হয়ে উঠলেন! অন্যের জীবন বাঁচাতে তুচ্ছ করে দিলেন নিজের জীবন। আহা বোনটি আমার…। এই সাহসিকতা তোমাকে অমরত্ব দেবে কিনা জানি না, তবে তোমার এই ত্যাগ বিশ্বের বুকে আরো একবার বাংলাদেশকে উর্ধ্বে তুলে ধরলো, গোটা নারী জাতিকে গর্বিত করলো। হৃদয়ের গভীর থেক
রূপার জন্য বেদনাহত

রূপার জন্য বেদনাহত

রোমেনা লেইস রূপার ঘটনাটা জানার পর থেকেই তাঁর জন্য অনেক কষ্ট পাচ্ছি। রূপা আসলে আমার সন্তানের মতো।প্রতিদিন এই যে সকালে ছেলে মেয়েরা সবাই বের হয়ে যায়, ভালভাবে ফিরে আসুক- কায়মনোবাক্যে এই থাকে আমার প্রার্থনা । রূপার মতো স্বপ্ন নিয়ে একদিন আমরাও বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় গিয়েছিলাম।বাসে ট্রেনে ফেরীতে কতো রকমের লোকজন থাকে। একবার সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট পৌঁছানোর পর ট্রেন আসতে আরো দেরী আছে। একটা রেস্টুরেন্টে ভাত খাচ্ছি।পাশের কেবিনে কয়েকজন আলোচনা করছে।ভীড়ের ভেতর তারা মেয়েদের কোথায় কে টাচ করেছে।এক বাহাদুর বলছে, এক মেয়ে ট্রেনে উঠছিলো।সেই মেয়ের বুকে সে টাচ করেছে।বিশ্বাস না হলে তার হাত শুঁকে দেখতে বলছে বন্ধুদের।ঐ মেয়ের পারফিউম এর ঘ্রাণ ওর হাতে।কী অসভ্য। রুচি হয়না ওদের কথা শুনতে।মন তেতো হয়ে যায়।বাবা মার নিরাপদ কোল ছেড়ে নিজেদের স্বপ্ন পূরণে বের হতে হয়।এরকম পরিস্থিতিতে গা বাঁচিয়ে চলতে শিখি।নিউমার্কেট এলাকায় একদল খবিশ
‘সালোয়ারের উপর গেঞ্জি পরা নিষেধ!’ 

‘সালোয়ারের উপর গেঞ্জি পরা নিষেধ!’ 

শাকিলা রূম্পা  কী? শিরোনাম দেখে চমকে গেলেন তো? আমিও প্রথমে চমকে গিয়েছিলাম এরকম সংবাদ শিরোনাম দেখে। এমন আদেশ জারি করে নোটিশ টানানো হয়েছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল হলে। এ বিষয়ে কিছু প্রশ্ন আমার মাথায় খেলা করছে। আচ্ছা আমি বাসায় কিংবা হলে কি পোশাক পরব সেটা কেন অন্য কেউ নির্ধারণ করে দেবে বা অন্যজন কেন নাক গলাবে? যে পোশাকে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করব সেটাই তো আমার পরা উচিত। নাকি? দ্বিতীয় কথা হলো এই আবাসিক হলে কি মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরাও থাকে? যদি তা না হয় তাহলে, হল সীমানার মধ্যে মেয়েরা কি পোশাক পরল তাতে কি আসে যায়? ঘরের বাইরে বেরুতে মেয়েরা কি পোশাক পরবে সে বিষয়ে নাক গলানোর কাজটা তো আদিকাল থেকেই করে আসছে সমাজ-আপনারা। এবার হলের ভেতরের বিষয়ে নাক গলানো শুরু হলো। এরপরে কি? এধরণে নোটিশ দিয়ে মুক্ত মনের পরিচয় দিলেন হল কর্তৃপক্ষ? এখন কথা হলো, ঠিক এরকম একটা শিরোনামের স
পাস্ট আসলে পাস্ট হয় না, বর্তমানে ফিরে নিজের নিষ্ক্রিয়তা মনে করিয়ে দেয়

পাস্ট আসলে পাস্ট হয় না, বর্তমানে ফিরে নিজের নিষ্ক্রিয়তা মনে করিয়ে দেয়

জেসমিন চৌধুরী হঠাৎ অনেকদিন আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে খুব খারাপ লাগছে। তাই এই গভীর রাতে বিছানার আরাম ছেড়ে উঠে একটা অপরাধের স্বীকারোক্তি লিখতে বসেছি। প্রথমবার এসএসসি ফেল করবার পর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিতে গেছি সিলেট এইডেড হাই স্কুলে। আমার ঠিক সামনের বেঞ্চেই বসেছিল একটা ছোটখাটো মিষ্টি চেহারার মেয়ে। পরীক্ষা শুরু হবার কিছুক্ষণ পরই মেয়েটা দাঁড়িয়ে ইনভিজিলেটরকে বলল তার বাথরুম পেয়েছে। পরিদর্শক নারীটি দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বললেন, 'পরীক্ষা শুরু হবার আগে যেতে পারোনি? চুপচাপ বসে লিখ।' একটু পর মেয়েটা আবার উঠে দাঁড়িয়ে মিনতির সুরে টয়লেট যাওয়ার অনুমতি চাইলে সেই নারী একেবারে তেড়ে এলেন, 'প্রশ্ন দেখেই টয়লেট পেয়ে গেছে না? বইপত্র সব সেখানে রেখে এসেছ, তাই তো? চুপ করে বসে লিখ।' কিছুক্ষণ পর শুনলাম মেয়েটা ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে। পরিদর্শক কিছুক্ষণ পরপর তার পাশে এসে বকাবকি করে যাচ্ছেন। মেয়েটা কিছুই লিখছে না। এভাবে বেশ কিছু সময়
মানবিক মানুষ

মানবিক মানুষ

রোমেনা লেইস বুকের ভেতরে ভীষণ এক শঙ্কা নিয়ে ঘুম ভাঙলো। ভয় পাচ্ছি না মুখে বললেও ভয় পাচ্ছি। হুমায়ূন আহমেদের নাটকের দৃশ্য মনে পড়ছে। চোখ অপারেশনের পর চোখের বাঁধন খোলা হচ্ছে। ডাক্তার বললেন ধীরে ধীরে চোখ খুলতে, মেয়েটি ধীরে ধীরে চোখ খুললো। চিৎকার করে বলছে -মা আমি কিছু দেখতে পাচ্ছি না। নাহ।এটি সত্যি নয়। একটু পরই বললো -মা আমি দেখতে পাচ্ছি। আমি সব দেখতে পাচ্ছি। আমিও দেখতে পাবো। পরিবারের সবাই চোখের সার্জারীতে অভিজ্ঞ।পাশাপাশি কিন্তু ভয়াবহ অভিজ্ঞতাও আছে। এই উপমহাদেশের বিখ্যাত রেটিনা স্পেশালিস্ট ছোটবোনের চোখের লেজার ট্রিটমেন্ট করার পরদিন রেটিনা ডিট্যাচ্ড হয়ে গেলো। অন্ধকার নেমে এলো আমাদের পরিবারে। কর্মসূত্রে দূরেই ছিলাম। কিন্তু কষ্টের অনুভব ছিলো অন্তরে। বোনটির বেদনার সামনে দাঁড়ানোর সাহস ছিলো না। নতুন বিয়ে হওয়া বোনটি আমার। তার হাজবেন্ড চাকরি ব্যবসা সব বাদ দিয়ে ভেঙে পড়া মেয়েটিকে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়ে
সমকামীদের উপর চাপ প্রয়োগ, শাস্তি বা ঘৃণা কেন?

সমকামীদের উপর চাপ প্রয়োগ, শাস্তি বা ঘৃণা কেন?

আসমা অধরা সমকামিতা নিয়ে যে গলা ফাটাচ্ছেন, কথার তুবড়ি ছুটিয়ে মুখে ফেনা তুলে দিচ্ছেন, তাদের জন্য বলি। আপনারা এই যে এতো পাপ পাপ বলেন, ধর্ষণ তাহলে সেইরকম পূণ্যই হবে। না হলে বলবেন কেন? এইটাও কি একটা ইস্যু নয়, এই বর্তমান ধর্ষণ ইস্যু ধামাচাপা দেয়ার জন্য? প্রতিবার তাই হয়। ইস্যু দিয়ে ইস্যু ঢাকেন আপনারা। আপনাদের জানা বা বোঝা উচিৎ, যেমন বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ স্বাভাবিক বলে মনে করেন, সেটাও আপনার ইচ্ছায় হয়নি। এটা আপনার সহজাত। ঠিক তেমনি, সমকামীরাও এটা নিজের ইচ্ছায় আকর্ষণ বোধ করেনা, এটাও তাদের সহজাত। হিজড়ারা যেমন নিজের ইচ্ছায় শারীরিক ত্রুটি নিয়ে জন্মায় না, সেটা আপনাদের সৃষ্টিকর্তার খামখেয়ালি। তাহলে সমকামীদের উপর চাপ প্রয়োগ, শাস্তি বা এত এত ঘৃণা বা শ্লেষ কেন? আপনাদের ট্রিগারের মতন তর্জনী আপনাদের প্রভু, ঈশ্বর, বিধাতা, আল্লাহ, বা দেবতার দিকে তাক করুন। জ্ঞানী জ্ঞানী পোষ্ট দিচ্ছেন, সেখানে জ্ঞানীরা এসে
সম্ভ্রম, সম্মান শব্দগুলোর বিশেষত্ব মেয়েদের শরীরের ওপর নির্ভর করেনা

সম্ভ্রম, সম্মান শব্দগুলোর বিশেষত্ব মেয়েদের শরীরের ওপর নির্ভর করেনা

প্রীতি ওয়ারেছা 'ভিডিও ছেড়ে দেবো'- এই বাক্যের দৈনতা মেয়েরা যতদিন না অতিক্রম করতে পারবে ততদিন হাজার হাজার ধর্ষণ অপরাধের খবর লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে যাবে। ধর্ষণ ভয়ংকর একটা অপরাধ। এখানে ধর্ষিতা মেয়ে কোনভাবেই অপরাধী নয়। মেয়েদের শরীর সম্ভ্রম রক্ষার বস্তু নয় যে ভিডিওতে শরীর দেখা গেলেই সম্ভ্রমহানি ঘটবে! চারদিকে গেল গেল রব উঠবে! সম্ভ্রম, সম্মান এই শব্দগুলোর বিশেষত্ব মেয়েদের শরীরের ওপর নির্ভর করেনা, করে কর্মে। মেয়েদের শরীরকে রাখঢাক এবং সম্ভ্রমের জায়গায় অধিষ্ঠিত করার বিষয়টা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অবদান। আমরা নারীগণও শরীরকে সম্ভ্রমের জায়গায় স্বীকৃতি দিয়ে পুরুষের সেই অবদানকে খুঁটিগেড়ে প্রতিষ্ঠা করে চলেছি। ভিকটিমের প্রতি অনুরোধ জোর গলায় বলুন- ছাড় ভিডিও। দেখুক পৃথিবী। যারা দেখবে শাস্তির ভার তারাই নির্ধারণ করবে। গতকাল থেকে ফেসবুক সরব সাফাত-নাঈম-সাকিফ নামের তিন ঘৃণিত ধর্ষককে নিয়ে। তারা প্রভাবশালীদের সন্তা