জানুয়ারি ২, ২০২১ - Women Words

Day: জানুয়ারি ২, ২০২১

মাসিক নিয়ে অগ্রিম ধারণা নেই দুই-তৃতীয়াংশ কিশোরীর

মাসিক নিয়ে অগ্রিম ধারণা নেই দুই-তৃতীয়াংশ কিশোরীর

দেশের ৫৭ শতাংশ কিশোরী এবং ৭১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারী মাসিকের সময় ডিসপোজেবল প্যাড ব্যবহার করেন না। আর প্রথমবার মাসিক হওয়ার আগে ঋতুস্রাব সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কিশোরীর। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিবিএস, ইউনিসেফ ও ওয়াটারএইডের উদ্যোগে জরিপটি পরিচালিত হয়। জরিপে ৩০ শতাংশ কিশোরী বলেছেন, শেষ ছয় মাসে মাসিকের সময় তারা বিদ্যালয়ে যাননি। এই সময়ে তারা প্রতিবার মাসিকের সময় গড়ে আড়াই দিন করে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল। ৩৬ শতাংশ কিশোরী বলেছেন, তারা ঋতুস্রাব সংক্রান্ত স্বাস্থ্যশিক্ষা বিদ্যালয় থেকে পেয়েছেন। ৪৩ শতাংশ কিশোরী ও মাত্র ২৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক নারী জানিয়েছেন, তারা মাসিকের সময় ডিসপোজেবল প্যাড ব্যবহার করেন। অর্থাৎ, অর্ধেকেরও বেশি কিশোরী এবং দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক নারী ডিসপোজেবল প্যাড ব্যবহার করছেন না। জরিপে উঠে এসেছে, দেশে
গত বছর সাড়ে তিন হাজার নারী ও শিশু নির্যাতিত

গত বছর সাড়ে তিন হাজার নারী ও শিশু নির্যাতিত

২০২০ সালে নারী ও শিশু নির্যাতন উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৩৪৬ কন্যাশিশু ও নারী ধর্ষণের ঘটনাসহ মোট ৩ হাজার ৪৪০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতিত হয়েছে বাংলাদেশে। ১৩টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জানিয়েছে, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ অনুসারে ২০২০ সালের মোট ৩ হাজার ৪৪০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তন্মধ্যে ১ হাজার ৭৪ জন ধর্ষণ, ২৩৬ জন গণধর্ষণ ও ৩৩ জন ধর্ষণের পর হত্যা ও ৩ জন ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যাসহ মোট ১ হাজার ৩৪৬ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া ২০০ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে ৪৩ জন। ৭৪ জন যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। এসিডদগ্ধের শিকার হয়েছে ২৫ জন; তন্মধ্যে এসিডদগ্ধের কারণে মৃত্যু ৪ জন। অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে ২৯ জন, তন্মধ্যে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছ