ডিসেম্বর ২৫, ২০২০ - Women Words

Day: ডিসেম্বর ২৫, ২০২০

ভূস্বর্গের প্রথম নারী বাসচালক

ভূস্বর্গের প্রথম নারী বাসচালক

যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, থাকে নিজের ওপর আস্থা, তাহলে রক্তচক্ষু উপেক্ষা করা যায় অবলীলায়। দক্ষ হাতে স্টিয়ারিং ধরে পৌঁছানো যায় গন্তব্যে। এ কথা আবারও প্রমাণ করলেন ভূস্বর্গখ্যাত জম্মু-কাশ্মিরের এক নারী। ত্রিশ বছর বয়সী ওই নারীর নাম পূজা দেবী। ভারতের জম্মু-কাশ্মিরে যাত্রীবাহী বাসের প্রথম নারী চালক হিসেবে নজির গড়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) একটি যাত্রীবাহী বাস চালিয়ে কাঠুয়া থেকে তিনি জম্মুতে যান। এরই সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের রক্তচক্ষুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুরু হলো ট্যাবু ভাঙার যাত্রা। এ সময় তার বড় ছেলে এবং ক্লাস সিক্সে পড়া মেয়ে তার পাশের সিটে বসা ছিল। কাঠুয়া জেলার সন্ধ্যার বাসলি নামক প্রত্যন্ত গ্রামে বড় হয়েছেন পূজা দেবী। তিনি এখন দুই সন্তানের মা। পূজা বলেন, জম্মু-কাঠুয়া-পাঠানকোট একটি কঠিন রাস্তা। মালবাহী ভারী গাড়ি চলে এই মহাসড়কে। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জ নেওয়াই তো ছিল আমার স্বপ্ন। অবশেষে
শরণার্থী হতে বাধ্য হয়েছিলেন বেলুচ অধিকারকর্মী

শরণার্থী হতে বাধ্য হয়েছিলেন বেলুচ অধিকারকর্মী

কানাডায় রহস্যজনক মৃত্যুতে তোলপাড় কানাডার টরন্টোয় শরণার্থী হিসেবে বসবাসরত বেলুচ অধিকারকর্মী কারিমা মেহরাব নিখোঁজ হওয়ার এক দিনের মাথায় তাঁর লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। এটি হত্যাকাণ্ড এবং এতে পাকিস্তান সরকারের হাত থাকতে পারে—এমন অভিযোগে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন তাঁর নিকটজনরা। পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের অন্যতম তরুণ অধিকারকর্মী কারিমা পাকিস্তান সরকার ও সামরিক বাহিনীর কট্টর সমালোচক ছিলেন। বেলুচদের অধিকার দাবিতে আন্দোলন করতে থাকায় একসময় কারিমা বেলুচ নামে পরিচিত হয়ে উঠতে থাকেন তিনি। বর্তমানে কানাডায় বসবাসরত কারিমা গত রবিবার নিখোঁজ হন। পরদিন তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এখন পর্যন্ত পুলিশ তাঁর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত না করলেও অধিকারগোষ্ঠীগুলোর দাবি, তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে তারা। টরন্টো পুলিশ, কারিমার বন্ধু ও সহকর্ম
তুলতুলের তুতুন

তুলতুলের তুতুন

মিতু বালা শপিংমলে প্রবেশ করতেই তুলতুলের নজরে এলো সাদা দাড়ি বিশিষ্ট স্থূলকায় হাস্যমুখর এক ব্যক্তির। পরনে ছিল সাদা কলার ও কাফযুক্ত লাল কোট, সাদা কাফযুক্ত লাল ট্রাউজার্স, কালো চামড়ার বেল্ট ও বুটজুতো।আর কাঁধে বিশাল এক ঝোলা । এমন কিম্ভূতকিমাকার চেহারা বিশেষত তার ঐ আলখাল্লার মতো পোশাকটা দেখে তুলতুলের  চিনতে অসুবিধা হলো না ; এই তো সেই সান্টাক্লজ ! টেলিভিশন আর মোবাইলের পর্দায় সে তো বহুবার সান্টাকে দেখেছে। না,তার চিনতে একদম ভুল হচ্ছে না। জীবন্ত সান্টাকেই সে দেখছে। তবে সান্টা শপিংমলে কি করছে ? তখন ওর  মনে হলো, আরে কিছুদিন বাদেই তো বড়দিন। এ সময়তো সান্টা ভালো ছেলেমেয়েদের বাড়ি ঘুরে ঘুরে উপহার দিতে আসেন। শিশুদের আচরণ অনুযায়ী তাদের  একটা তালিকাও প্রস্তুত করেন  । আর এদের  একদলে থাকে দুষ্ট বাচ্চারা, অন্যদলে লক্ষ্মী বাচ্চারা।  তারপর খ্রিষ্টমাস ইভের রাতে তিনি লক্ষ্মী ছেলেমেয়েদের জন্য খেলনা, লজঞ্