কামরাঙ্গীরচরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, বান্ধবীসহ গ্রেপ্তার ৫ | | Women Words

কামরাঙ্গীরচরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, বান্ধবীসহ গ্রেপ্তার ৫

উইমেন ওয়ার্ডস ডেস্ক :: ঢাকার কামরাঙ্গীরচর ও নোয়াখালীর সেনবাগে একইদিন ধর্ষণের শিকার হয়েছে দুই কিশোরী। কামরাঙ্গীরচরের ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত নির্যাতিতার এক বান্ধবী ও ৪ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার হয়েছে সেনবাগের ওই ধর্ষকও।

কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম মশিউর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই কিশোরীকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার বান্ধবী। তারা পূর্ব রসুলপুর এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচে যায়। সেখানেই বখাটে পাঁচ তরুণ আগে থেকে অপেক্ষা করছিল। তারা ওই দুই কিশোরীর পূর্বপরিচিত। কিছুক্ষণ পর ভুক্তভোগীকে বখাটের কাছে রেখে তার বান্ধবী চলে যায়। এরপর পাঁচ তরুণ ওই কিশোরীকে নির্মাণাধীন ভবনের দোতলায় নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই রাতেই ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন ওই কিশোরীর মা। মেয়েটি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন। যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ভুক্তভোগীর বান্ধবীও রয়েছে। অন্য চার আসামি হলো- হাসান, সিফাত, সবুজ ও রনি। এ ঘটনায় রতন নামে একজন পলাতক রয়েছে। এই পাঁচজনই ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে। তাদের বয়স ১৮ থেক ১৯ বছর। তারা এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে সেনবাগ থানাপুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ওই স্কুলছাত্রী ঘর থেকে উঠানে আসে। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা বখাটে বাদশা মিয়া তাকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। ঘরে ফিরে মেয়েটি ঘটনা সম্পর্কে পরিবারকে জানালে রাতেই পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাতেই বাদশাকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার থানায় মামলা হয়েছে। বাদশা ডমুরুয়া ইউনিয়নের হোমনাবাদ শ্রীপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে।