অক্টোবর ২৭, ২০১৯ - Women Words

Day: অক্টোবর ২৭, ২০১৯

সব প্রতিষ্ঠানে ‘মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ ও বেবি কেয়ার কর্নার’ করতে হাইকোর্টের রুল

সব প্রতিষ্ঠানে ‘মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ ও বেবি কেয়ার কর্নার’ করতে হাইকোর্টের রুল

দেশের সকল কর্মক্ষেত্র, বিমানবন্দর, বাস, রেলওয়ে স্টেশন ও শপিংমলে মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত। আজ ২৭ অক্টোবার রবিবার একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব, নারী ও শিশুকল্যাণ সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম সাংবাদিকদের বলেন, শপিংমলে ব্রেস্ট ফিডিং ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করতে রুল জারি করেছেন আদালত। রিট আবেদনটি দায়ের করেন নয় মাসের শিশু উমাইর বিন সাদী ও তার মা আইনজীবী ইসরাত হাসান। তিনি সাংবাদিকদের ব
ঠাকুরগাঁওয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার রুহিয়া থানার কানিকশালগাঁও গ্রামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আজ রবিবার ভোরে তার হাত ও মুখ বেঁধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে বাড়ির পাশে ফেলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। অভিযোগে জানা যায়, কানিকশালগাঁও গ্রামের এক দিনমজুরের কন্যা পার্শ্ববর্তী ৩নং কশালগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। শনিবার রাত ১টার দিকে সে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বের হলে একই গ্রামের হামিদুল ইসলামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৮) এবং ইন্তাজুল হকের ছেলে রাশেদ (১৮) তাকে মুখ চেপে ধরে বাইরে নিয়ে যায় এবং জাহিদুল ইসলাম তাকে ধর্ষণ করে। ভোর ৪টা পর্যন্ত তাকে জনৈক আমিরুল ইসলামের বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ে রাতভর ধর্ষণ করে জাহিদুল। ভোরের দিকে তাকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ধর্ষক ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায়
ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বৌ রেখে বরপক্ষের ভো দৌড়

ম্যাজিস্ট্রেট দেখে বৌ রেখে বরপক্ষের ভো দৌড়

পাবনার সাঁথিয়ার টলট গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। এ ঘটনায় বিয়ের ঘটক ইসমাইল হোসেন (৫৫) , বরের চাচা আনোয়ার হোসেন (৩২) ও বন্ধু শাহীন শেখকে আটক করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে টলট গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। এমন খবরে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন সাঁথিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জামাল আহমেদ। তার উপস্থিতি টের পেরে মেয়ের বাবা ও বরসহ অনেকেই পালিয়ে যান। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এসএম জামাল আহমেদ একমাস করে কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্ত তিনজনকে সাঁথিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিকে ওই ছাত্রীকে বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না এমন মুচলেকা নিয়ে মা হাসিনা খাতুনের জিম্মায় দেওয়া হয়।  এছাড়া ওই ছাত্রীকে শিক্ষার খরচ দেওয়ার