আগস্ট ২, ২০১৯ - Women Words

Day: আগস্ট ২, ২০১৯

দিয়া মির্জার ঘর ভাঙল যার কারণে

দিয়া মির্জার ঘর ভাঙল যার কারণে

সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জাজমেন্টাল হ্যায় ক্যায়া’ সিনেমার চিত্রনাট্যকার কণিকা ধিলন নিজেই নাকি জাজমেন্টাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন দিয়া মির্জা আর সাহিল সঙ্ঘার মাঝে। কণিকার জন্যই নাকি ভেঙে গিয়েছে ১১ বছরের সম্পর্ক। বলিউডে গুঞ্জন সে রকমই। কণিকার সঙ্গে সাহিলের পরকীয়া জানতে পেরেই দিয়া বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। বেশ কিছু ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এমনটাই দাবি। স্বামী সাহিল সঙ্ঘের সঙ্গে দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্যে ইতি টেনেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। বৃহস্পতিবার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে সাহিল সঙ্ঘের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন দিয়া। জানিয়ে দেন, দু'জনে আলোচনা করে তবেই তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুধু তাই নয়, সাহিলের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তারা একে অপরের ভাল বন্ধুও থাকবেন বলে জানান দিয়া। জানা যায়, বলিউডের অন্যতম চিত্রনাট্যকার কণিকা ধিলনের দাম্পত্যেও নাকি বিচ্ছেদ হয়েছে। একই দিনে বলিউডের দুই সেলবের বিচ্ছেদের খবর পাওয়ার
আইএস জঙ্গি বাবার বাচ্চা ও এক ইয়াজিদি নারীর হৃদয়বিদারক কাহিনী

আইএস জঙ্গি বাবার বাচ্চা ও এক ইয়াজিদি নারীর হৃদয়বিদারক কাহিনী

‘অ্যাডামের ছিল সোনালী চুল ও সবুজ চোখ। দেখতে সে তার অন্য ভাই বোনদের থেকে আলাদা ছিল। তার প্রথম কান্নার আওয়াজ শোনার পর থেকেই আমি তাকে ভালবেসে ফেলি,’ নিজের সন্তান সম্পর্কে এভাবেই শুরু করেন মা জোভান। ইয়াজিদি নারী জোভান। আইএস'র উত্থানের পর তাকে অপহরণ,  আইএস জিহাদি আবু মুহাজিরের হাতেই বন্দী এবং তার গর্ভে সেই মুহাজিরের পুত্র অ্যাডামের জন্ম নিয়ে এক করুণ জীবনরেখা আলোচিত হয়েছে এই প্রতিবেদনে। যেখানে যুদ্ধ শেষে আগের স্বামী খেদ-এর ঘরে ফিরা-না ফিরা নিয়ে এক সংকটের মধ্যে দিয়ে এক মাকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। মরার উপর খরার ঘা-এর মত জোভানের জীবনের নিয়তি যেন। যুদ্ধে আইএস জঙ্গি আবু মুজাহির মারা গেলে জোভান তার নবজাতককে নিয়ে ফিরতে চাইলেন নিজের সংসারে। কিন্তু পারলেন না। পরিবার ও সমাজের চাপে একসময় অ্যাডামও তার হাতছাড়া হয়ে যায়। হারাতে হয় আগের সংসারও। আগের জীবন জোভান তার স্বামী খেদরের সাথে একটি গ্রামে বসবাস
দিয়া মির্জার বিচ্ছেদ

দিয়া মির্জার বিচ্ছেদ

বলিউডে আরও একটি দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান ঘটেছে। বলিউড তারকা দিয়া মির্জা তার স্বামী সাহিল সংঘ থেকে আলাদা হয়ে গেছেন। দিয়া তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে খবরটি জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘১১ বছর ধরে আমরা একসঙ্গে ছিলাম। এখন আমরা নিজেরাই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমরা একে অপরের বন্ধু হয়ে থাকব। আর যখন প্রয়োজন হবে, আমরা পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়াব। আমাদের পথ আলাদা হলেও আমরা একে অপরকে সব কিছু জানাব।’ দিয়া তার পরিবারের কাছের মানুষদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমি আমার পরিবার আর বন্ধুদের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ তারা আমাদের ভাবনাকে অনুভব করেছেন। আমাদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।’ দিয়া মির্জা ও সাহিল সংঘ ২০১৪ সালের ১৮ অক্টোবর বিয়ে করেন। তারা বিয়ের আগে ও পরে ১১ বছর ধরে একে অপরকে চিনতেন। বিয়ের আগে দিয়া আর সাহিল একই ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। বিয়ের পাঁচ বছর পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে প
নারীর ঘুষিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের!

নারীর ঘুষিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বারোগাও ইউনিয়নে আলেয়া বেগম (৩০) নামে এক নারীর ঘুষিতে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত বৃদ্ধের নাম আবুল কালাম আজাদ (৫৫)। ১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বারোগাও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ওই নারী ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে আবুল কালাম আজাদের ভাতিজা শান্ত (১৭) রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিল। এ সময় পাশ্ববর্তী নাছির উদ্দিন ও তার ছেলের সঙ্গে সিগারেট খাওয়া নিয়ে শান্তর সঙ্গে বাকবির্তক হয়। এর একপর্যায়ে নাছির ও তার ছেলে শান্তকে মারধর করে। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে শান্তর চাচা আবুল কালাম এগিয়ে আসলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় নাছিরের দ্বিতীয় স্ত্রী আলেয়া বেগম এগিয়ে এসে আবুল কালামকে এলোপাতাড়ি ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আবুল কালাম মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার
আমার বাবা

আমার বাবা

মেহজাবিন সুমায়রা লোকমান বাবা আমাকে কখনো স্কুলে নিয়ে যাননি। ব্যস্ত ছিলেন ভীষণ। স্কুলে নিয়ে যাওয়া, প্যারেন্টস-টিচার ইন্টারভিউ, স্যার ঠিক করে দেয়া, পড়ানো এই ধরনের সব কাজের দায়িত্ব ছিলো মামনির। কিন্তু তাও যখন আমাকে এস.এস.সি তে  জি.পি.এ ফাইভ পাওয়ার পর কার অবদান বেশি জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, আমি বলেছি বাবা। কারণ আমি বরাবর বাবার মেয়ে ছিলাম। বাবার মতো হতে চেয়েছি সবসময়। স্কুলে নিয়ে না গেলেও আমার সব বোর্ড পরীক্ষায় বাবা নিয়ে যেতেন। বাবা ছাড়া যেতে ভয় লাগতো। আমি ভালো ছাত্রী ছিলাম, কিন্তু সবসময় আমার পরীক্ষা-ভীতি ছিল এবং এখনো আছে। এস.এস.সি পরীক্ষার সময় বাবা আমাকে অনেকগুলো সাদা রঙের জামা কিনে দিলেন, যাতে একেক দিন একেক জামা পরে পরীক্ষা দিতে যাই। যেনো পরীক্ষা নয়, ঈদ। আমি বংশের প্রথম বাচ্চা, তার উপর প্রথম বোর্ড পরীক্ষা দিবো। সবার মনে যেন উৎসব! বাবা আমাকে বরাবর ওভার কনফিডেন্ট ভাবতেন, আমি জানতাম আমি এ-প্লাস পাবো। ত
দেড় যুগ পর স্বীকৃতি পেলেন মা-ছেলে

দেড় যুগ পর স্বীকৃতি পেলেন মা-ছেলে

দীর্ঘ দেড় যুগ আইনি লড়াইয়ের পর স্বীকৃতি পেলেন ঝিনাইদহের লক্ষীপুর গ্রামের মালা ও তার ছেলে। একই গ্রামের ইসলাম মেনে নিলেন মালা তার স্ত্রী এবং মিলন তার ছেলে। গত বুধবার (৩১ জুলাই) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দ্বিতীয় দফায় বিয়ে হয়েছে তাদের। এতে উপস্থিত ছিলেন ১৮ বছরের ছেলে মিলন। জানা গেছে, ঝিনাইদহের লক্ষীপুর গ্রামের মেয়ে মালার সঙ্গে একই গ্রামের আজিজ মৃধার ছেলে ইসলামের প্রেম থেকে পরিণয় ঘটে। স্থানীয় মৌলভীর মাধ্যমে ২০০০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন তারা। স্বামী স্ত্রীর মতো মালা-ইসলাম একই সঙ্গে থাকতে শুরু করে। পরবর্তীতে মালা গর্ভবতী হন। ২০০১ সালের ২১ জানুয়ারি মালার গর্ভে জন্ম নেয় তাদের ছেলে মিলন। তখন মালার পরিবার ও স্থানীয়রা বিয়ের জন্য চাপ দিলেও রাজি হননি ইসলাম। ইসলাম মালার সঙ্গে তার বিয়ে ও মিলনের পিতৃত্ব অস্বীকার করেন। এরপর মালার পিতা ইসলামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। পরবর্তীত ইসলামকে যাবজ্জীন কারা