ট্রাম্পের অভিশংসন চান ঘটনার শিকার নারী আইনপ্রণেতারা - Women Words

ট্রাম্পের অভিশংসন চান ঘটনার শিকার নারী আইনপ্রণেতারা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বর্ণবাদী’ আক্রোশের শিকার হওয়া চার নারী কংগ্রেস সদস্য তার বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী সদস্যরা মার্কিনিদের ‘ট্রাম্পের বাজি’তে না ভোলার আহ্বান জানায়। তাদের কেউ কেউ ট্রাম্পের অভিশংসনেরও দাবি তোলেন।

সোমবার কংগ্রেসের কয়েকজন নারী সদস্যকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক টুইট করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ধারাবাহিক তিনটি টুইট পোস্ট করে কংগ্রেসের চার নারী ডেমোক্র্যাট সদস্যকে কটাক্ষ করেন তিনি। ওই টুইটে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, নারী কংগ্রেস সদস্যরা এমন দেশ থেকে এসেছেন যেখানকার সরকার সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত।” তাই সেখানেই তাদের ফিরে যেতে বলেন তিনি। তার এই টুইটের পর শুরু হয়েছে সমালোচনা, অনেকে একে বর্ণবাদ বলে আ্যখা দেন।

ট্রাম্পের এই টুইট মূলত চারজন ভিন্ন বর্ণের নারী আইনপ্রণেতার উদ্দেশে। তাদের তিনজনের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রে আরেকজন শিশু অবস্থাতেই যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং সেখানই বসবাস শুরু করেন। অ্যালেকজান্ডার ওকাসিও , রশিদা তালিব, আয়না প্রিসলি ও ইলহান ওমর চারজন নারী সদস্যই ট্রাম্পের এমন টুইটের সমালোচনা করেছেন। প্রিসলি বলেন, ‘এটা আসলে ট্রাম্প প্রশাসনের করা বিশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি ঢাকার একটি কৌশল মাত্র।

ওমর এবং রশিদা তালিব আবারও ট্রাম্পের অভিসংশনের দাবি জানিয়েছেন। প্রিসলি বলেন, ‘ট্রাম্প আমাদের চাপে ফেলে চুপ করাতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘যারা পৃথিবীকে সুন্দর করতে চায় তারা সবাই আমদের সঙ্গে আছেন।’ ওই চার নারী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা, অস্ত্র সহিংসতা ও মেক্সিকো সীমান্তে অভিবাসী আটকের বিষয় সামনে আসা উচিত। ওমর বলেন, ইতিহাসের চোখ আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। তিনি অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আটক অভিযানের সমালোচনা করেন।

ওমর বলেন, ট্রাম্পের এই আক্রোশ আসলে তার শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। তিনি দেশকে বিভক্ত করার বাইরে আর কিছুই করতে পারেননি। তালিব বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য হালে বর্ণবাদী ও জেনোফোবিক আদর্শেরই অব্যাহত ধারা। তিনি বলেন, আমরা আমাদের দেশের আইন অনুযায়ী তাকে দোষী মনে করি।