আগস্ট ২৫, ২০১৭ - Women Words

Day: আগস্ট ২৫, ২০১৭

অস্তিত্ব

অস্তিত্ব

অনন্যা হক দুই জন নারী, পুরুষ বিয়ে করে দুজনের সমান প্রয়োজনে।বিয়ে করলে কারো শরীরের রক্ত কি পাল্টে যায়? তাহলে ঠিকানা, পদবী এগুলো কেন পাল্টে দেয়া হয়? নারীদেরও দেখি খুব  অহংকারের সাথে স্বামীর পদবী কাঁধে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। তখন তাদের নিজেদেরকে ঠিক কি মনে হয়,  জানতে ইচ্ছে করে। কখনও বাবার ,কখনও স্বামীর, তাহলে নিজের পরিচয় কি? যার দুই  অথবা তিন বিয়ে হয়, তার কতবার পদবী পাল্টাতে হবে, এটা  অনেক বড় প্রশ্ন। একজনের সাথে বনিবনা না হলে আর এক বিয়ে হবে এটাই স্বাভাবিক । ঠিকানা এবং পদবী পাল্টে কেন পরিচিত হতে হবে, এতে কি লাভ, কিসের এত আহ্লাদের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়? একজন আমি কি আমি হিসেবে যথেষ্ট নয়? একটা মেয়ে হোক অল্প শিক্ষিত, না করুক বাইরে কাজ, একটা সংসারে একজন নারী প্রথমত মানুষ হিসেবেই তার আমিত্ব’র একটা সন্মান থাকা উচিত। এর পর সংসারে তার যে পরিমাণ আত্মত্যাগ থাকে, এটাই যথেষ্ট তার পরিচয়ের জন্য। এখন যুগ কত পাল্টে গ
নাম-হীন জীবন থেকে মুক্তি চান আফগান মেয়েরা

নাম-হীন জীবন থেকে মুক্তি চান আফগান মেয়েরা

বিদেশি ব্যাঙ্কের আদবকায়দাই আলাদা। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বাতুল মহম্মদির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল মায়ের নাম। অনেক ভেবেও কিছুতেই মনে করতে পারেননি তিনি। মনে পড়বে কী করে! কেউ তো কোনও দিন মাকে নাম ধরে ডাকত না। স্কুলের খাতায় মায়ের নাম ছিল না। এমনকী কবরেও শুধু লেখা, অমুকের বৌ, তমুকের মা...। মেয়েদের আবার নাম কীসের? আফগান সমাজে মেয়েদের নাম জানতে চাওয়া শুধু আপত্তিকর নয়, অপমানজনকও বটে। জন্ম থেকে মৃত্যু, কোথাওই নাম থাকে না তাঁদের। জন্মের শংসাপত্রে মায়ের নাম থাকে না। বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রে পাত্রীর নাম থাকে না। এক ‘নাম-হীন’ জীবনই বরাদ্দ মেয়েদের জন্য। এ হেন রীতির প্রতিবাদে নেমেছেন নারী অধিকার আন্দোলনের কর্মী-মেয়েরা। ফেসবুক-টুইটারে প্রচারের ঢল, #হোয়্যারইজমাইনেম। তাঁদের দাবি, মানুষের মুখেই শুধু নয়, অফিস সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্রে মেয়েদের নাম থাকা বাধ্যতামূলক করতে হবে। প্রচারের অন্যতম হোতা বাহার সোহালির কথায়,
ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষের প্রতিবাদ

ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষের প্রতিবাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের পোশাক (সালোয়ারের ওপর গেঞ্জি) পরিধান সংক্রান্ত নোটিশটি ভুয়া বলে জানিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বৃহস্পতিবার সুফিয়া কামাল হলের প্রাধ্যক্ষ সাবিতা রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অত্র হলের মেয়েদের পোশাক পরিধান সংক্রান্ত একটি বিকৃত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নোটিশ অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, উক্ত বিকৃত নোটিশটি হল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত নয়। এই বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বুধবার(২৩ আগস্ট ) থেকেই ফেসবুকে সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের পোশাক পরিধান সম্পর্কিত নোটিশটি ভাইরাল  হয়ে যায়। এতে বলা হয়, হলের অভ্যন্তরে দিন কিংবা রাতে কখনো অশালীন পোশাক পরে (সালোয়ারের ওপর গেঞ্জি) ঘোরাফেরা করা এবং হল অফিসে কোনো কাজে য
ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে খুবির অধ্যাপক চাকরিচ্যুত

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে খুবির অধ্যাপক চাকরিচ্যুত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) অধ্যাপক মো. শরীফ উদ্দিনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ডিসিপ্লিনের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই অধ্যাপককে স্থায়ী চাকরিচ্যুত করার চিঠি পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তাঁকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় দেড় বছর আগে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শরীফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠার পর ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত কমিটি শরীফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রমাণ পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট সভায় তাঁকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শরীফ উদ্দিনকে পাঠানো চাকরিচ্যুতির চিঠিতে