আগস্ট ২২, ২০১৭ - Women Words

Day: আগস্ট ২২, ২০১৭

ভারতে তিন তালাক প্রথা নিষিদ্ধ

ভারতে তিন তালাক প্রথা নিষিদ্ধ

ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের রায়ে তিন তালাক প্রথা 'অসাংবিধানিক' বলে ঘোষণা করেছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ভারতের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, এই তিন তালাক প্রথা ইসলাম ধর্মপালনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত নয়। বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। পাঁচ সদস্যের ওই সাংবিধানিক বেঞ্চের দুই সদস্য আপাতত তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে নির্দিষ্ট আইন তৈরির জন্য সরকারকে নির্দেশ দিলেও অন্য তিন বিচারক এই প্রথাকে সরাসরি অসাংবিধানিক বলে রায় দেন। তাঁরা একে অ-ইসলামিক বলেও ঘোষণা করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকদের রায়ই আদালতের রায় বলে গণ্য করা হবে। প্রধান বিচারপতি জে.এস খেহর এবং বিচারপতি এস আব্দুল নাজির ছয় মাসের জন্য তিন তালাক প্রথা বন্ধ রেখে সরকারকে সেই সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করার কথা বলেছিলেন। কিন্তু বাকি তিনজন বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ, রোহিন্টন এফ নারিম্যান এবং উদয় উমেশ ললিত - যেহেতু এই প্
এ ট্রিবিউট টু লিজেন্ড নায়করাজ রাজ্জাক

এ ট্রিবিউট টু লিজেন্ড নায়করাজ রাজ্জাক

বিএমএ লং কোর্সে পরীক্ষা দিতে খুলনা গেছি, ১৯৮৮ সাল। জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে আমার পরীক্ষা ছিল। আগেই পরিকল্পনা ছিল পরীক্ষা শেষেই বন্ধু আজিজের সাথে ঘুরবো। আজিজের প্রেমিকা তখন খুলনার সুলতানা হামিদ আলী গার্লস স্কুলে পড়ে । আমরা স্কুলের সামনে গিয়ে কয়েক রাউন্ড ঘুরপাক খেলাম। কিছুতেই দেখা হয় না। কী করা? তারপর বুদ্ধি করে আমরা সিনেমা দেখতে গেলাম। চারটায় স্কুল ছুটি হবে। তার আগেই আমরা স্কুলের উল্টো পাশের রাস্তায় এসে দাঁড়াবো। মেয়েটি স্কুল থেকে বের হয়ে রাস্তা ক্রস করে এপারে আসলেই যাতে আমাদের সাথে দেখা হয়! আমরা রিকশা নিয়ে প্রথমে গেলাম পিকচার প্যালেস। ওখানে যে ছবি হচ্ছে, ওটা আজিজের দেখা। রিকশা ঘুরিয়ে আবার গেলাম সঙ্গীতা হলের সামনে। ওখানে যে ছবি চলছে ওটাও আজিজের পছন্দ হলো না। আমরা রিকশা ঘুরিয়ে এরপর গেলাম শঙ্খ সিনেমা হলের সামনে। শঙ্খ-তে চলছে 'বড় ভালো লোক ছিল' ছবিটি। সৈয়দ শামসুল হকের কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংল
আফগান নারীর সতীত্ব পরীক্ষার পদ্ধতি বাতিলের আহবান

আফগান নারীর সতীত্ব পরীক্ষার পদ্ধতি বাতিলের আহবান

আফগানিস্তানে কোন নারী যদি তার প্রেমিকের সাথে ঘর ছাড়ে তাহলে তাকে আটক করে সতীত্ব পরীক্ষা করা হয়। এর মাধ্যমে যাচাই করা হয়, সে নারী তার প্রেমিকের সাথে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছিল কী না।  নারীদের সতীত্ব পরীক্ষা করার এই পদ্ধতি বাতিল করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে দেশটির মানবাধিকার কমিশন। মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, নারীদের সতীত্ব পরীক্ষার মাধ্যম তাদের চরম অবমাননা এবং হয়রানীর মুখোমুখি হতে হয়। এ ধরনের পরীক্ষা একজন নারীর জন্য চরম অবমাননাকর এবং সেটি যৌন হয়রানীর শামিল বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মীরা। এ ধরনের পরীক্ষার মাধ্যমে যদি বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক প্রমাণিত হয়, তাহলে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া হয়। কিন্তু দেশটির মানবাধিকার কমিশন বলছে, এ ধরনের পরীক্ষার কোন ভিত্তি নেই। কারণ যেভাবে এ পরীক্ষা করা হয়, সেটি সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক নয় এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর কোন ভিত্তি