ট্রাম্পের বিপক্ষে এবার ‍মুখ খুললেন সালমা হায়েক - Women Words

ট্রাম্পের বিপক্ষে এবার ‍মুখ খুললেন সালমা হায়েক

যতই ঘনিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ততই দীর্ঘ হচ্ছে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপক্ষে যৌন হয়রানির অভিযোগ। এবার প্রায় একই ধরনের অভিযোগ করেছেন মেক্সিকান-আমেরিকান অভিনেত্রী সালমা হায়েক। তাঁর সঙ্গে অভিসারে যেতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প।

তবে বরাবরের মতো এসব অভিযোগকে নাকচ করে দিয়ে ট্রাম্প শিবির দাবি করেছে, সবই প্রতিপক্ষ ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন শিবিরের রটনা। এর আগে ট্রাম্প জানান, তাঁর বিরুদ্ধে যাঁরা এসব অভিযোগ করেছেন, সবাই মিথ্যা বলেছেন।তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন তিনি।

নারীদের অসম্মান করা কথাবার্তা বলে ২০০৫ সালের এক ভিডিও প্রকাশের পর এ নিয়ে মোট ১১ নারী ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগ আনলেন।

এতটা গুরুতর না হলেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রী সালমা হায়েকও। স্প্যানিশ রেডিওর এক অনুষ্ঠানে সালমা হায়েক জানান, ২০০৮ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেই সময় সালমার এক প্রেমিকও ছিলেন। সালমার ফোন নম্বর পওয়ার জন্য তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন ট্রাম্প। নম্বর নিয়ে পরে সালমাকেও ফোন করেন। ডেট করতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। জবাবে সালমা এ প্রস্তাব নাকচ করে দেন।

তবে পরে ন্যাশনাল ইনকুইরের পত্রিকা ট্রাম্পের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির বরাত দিয়ে জানায়, সালমা এতটাই খাটো যে তাঁর সঙ্গে ডেট করার কোনো আগ্রহ নেই ট্রাম্পের। পরে তিনি আমাকে একটি বার্তাও পাঠান, ‘আপনি এটা বিশ্বাস করেন? কে বলতে পারে এমন কথা? আমি চাই না মানুষ আপনার সম্পর্কে এভাবে কথা বলুক।’ সালমা বলেন, ‘ট্রাম্প মনে করেছিলেন এরপর আমি তাঁর সঙ্গে বের হব। সেক্ষেত্রে মানুষ আর আমাকে খাটো বলে ভাববে না।’ এক কল রেকর্ডে দেখা যায়, সালমা হায়েকের সঙ্গে বিলাসবহুল ভ্রমণ ও নৈশভোজের জন্য ট্রাম্প ফাউন্ডেশন থেকে এক লাখ ২০ হাজার ডলার ব্যয় করেছেন ট্রাম্প।

প্রসঙ্গত, হিলারি সমর্থক সালমা মনে করেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে তা লাতিনো সম্প্রদায়ের জন্য ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে।

তবে শনিবার দিনের শুরুতেই ট্রাম্প ঘোষণা দেন, যেসব নারী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁরা সবাই মিথ্যা বলছেন এবং নির্বাচনের পর তাঁদের সবার বিরুদ্ধে মামলা করবেন তিনি।

এদিকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এ ঘোষণায় বলা হয়, দায়িত্ব নেওয়ার এক দশকের মধ্যেই অন্তত আড়াই কোটি চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। এ ছাড়া অবৈধ অভিবাসন প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান, কংগ্রেসের মেয়াদ সীমিত করা, উত্তর আমেরিকায় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার বিলের আরো সংস্কার করার ইচ্ছা রয়েছে ট্রাম্পের। সূত্র : সিএনএন, এএফপি।