আওয়ামী লীগ জনগণের দল: প্রধানমন্ত্রী - Women Words

আওয়ামী লীগ জনগণের দল: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণের দায়িত্ব আমাদের।”

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলীয় সভাপতি হিসেবে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পৃথিবীর প্রাচীনতম সংগঠনগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগ অন্যতম। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ‘৬৬ এর ৬ দফা এবং মহান স্বাধীনতা সবই এসেছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে। আজকে আমরা রাষ্ট্র পেয়েছি, আত্মপরিচয়ের সুযোগ পেয়েছি এবং মাতৃভাষা বাংলায় কথা বলতে পারছি। এসবই আওয়ামী লীগের দান। আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের সব কিছু এনে দিয়েছে।’’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে দলীয় সভাপতি হিসেবে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,  ‘বারবার আঘাত এসেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর। শত আঘাত উপেক্ষা করে আমাদের নেতাকর্মীরা এই দল ধরে রেখেছে। কত মানুষ আঘাতে পঙ্গু হয়েছেন, মারা গেছেন। আজকের দিনে আমি তাদের সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’

বেলা ১টা ২০ মিনিটে এ সম্মেলনে ভাষণ শুরু করেন শেখ হাসিনা। শুরুতেই তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান। দলীয় নেতা-কর্মী , অনুষ্ঠানে আসা অন্য দলগুলোর অতিথি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দলের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, একাত্তরেরর মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান  শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের হাতে নিহত সবার কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দেশ যখন স্বনির্ভরতা অর্জনের দিকে যাচ্ছিল তখনই সেই ভয়াবহ হামলা হয়। ওই দিন আমার পরিবারের ১৮ সদস্য নিহত হয়েছে। এভাবে বেঁচে থাকা যে কী কষ্টের তা যাদের স্বজন হারিয়েছে শুধু তারাই বুঝতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ধরে রেখেছে এর তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।

এলাকার নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নিজ নিজ এলাকায় কতজন দরিদ্র, গৃহহারা, ঘর হারা, নিঃস্ব, হতদরিদ্র, বয়োবৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, তালিকা তৈরী করুন। আমরা বিনা পয়সায় ঘর তৈরি করে দেব।”

‌সভাপতির ভাষণের পর সম্মেলন মুলতবি করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে খাবারের বিরতির পর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে রুদ্ধদ্বার কাউন্সিল অধিবেশন বসবে। সেখানে গঠিত হবে নতুন নেতৃত্ব।

সূত্র: প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন