কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরিফের জামিন বহাল - Women Words

কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরিফের জামিন বহাল

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় সিলেটের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর জামিন বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।  বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ  এই আদেশ দেন।

এই মামলায় হাইকোর্ট আরিফুলের নিয়মিত জামিন মঞ্জুর করেন ৬ সেপ্টেম্বর। জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ গতকাল বুধবার একটি আবেদন করে।

চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন। শুনানি শেষে আজ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করেন আপিল বিভাগ।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. বশির উল্লাহ। আর আরিফুলের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মইনুল হোসেন ও সঙ্গে ছিলেন আবদুল হালিম কাফি।

শাহ এএমএস কিবরিয়া ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে ঈদ পরবর্তী জনসভা শেষে বের হওয়ার সময় গ্রেনেড হামলার শিকার হোন। চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এই হামলায় কিবরিয়ার ভাগিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী নিহত হন। আহত হন শতাধিক ব্যক্তি।

এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে হবিগঞ্জ সদর থানায় দুটি মামলা হয়।

২০১৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া গউছসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে সম্পূরক চার্জশিট দেন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহরুন্নেছা পারুল। তিনি এ মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা।

চার্জশিটে আসামীদের নাম ও ঠিকানায় ভুল থাকায় সর্বমোট ৫ম দফা সম্পূরক চার্জশিট প্রদান করেন তিনি। ২১ ডিসেম্বর প্রদানকৃত ৫ম দফা সম্পূরক চার্জশিটে আসামীর সংখ্যা ৩৩জন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৩ ডিসেম্বর সিলেট সিটি করপোরেশনের সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাময়িক বরখাস্তকৃত মেয়র ও জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া গউছসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে সম্পূরক চার্জশিট দেন সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহরুন্নেছা পারুল। তিনি এ মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা।

চার্জশিটে আসামীদের নাম ও ঠিকানায় ভুল থাকায় সর্বমোট ৫ম দফা সম্পূরক চার্জশিট প্রদান করেন তিনি।

২১ ডিসেম্বর প্রদানকৃত ৫ম দফা সম্পূরক চার্জশিটে আসামীর সংখ্যা ৩৩জন।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আরিফুল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। আদালতে গৃহীত অভিযোগত্রে নাম আসায় ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে মেয়র পদ থেকে তাকে বরখাস্ত করে সরকার।

একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা থাকায় এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না আরিফুল।