গুলশানের ভবনে চুরির ঘটনা - Women Words

গুলশানের ভবনে চুরির ঘটনা

গুলশানের এক ভবন প্রায় তিন ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ভেতরে চোর ঢুকেছিল।  গুলশান-১ নম্বর সেকশনের বীর উত্তম মীর শওকত আলী সড়কের ৫১ নম্বর হোল্ডিংয়ে মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। সাঁজোয়া যান ও ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি নিয়ে ভবনটি ঘেরাও করে রেখেছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যারা।

ওই ভবনের এক পাশের নিচতলা ও দোতলায় এলজি-বাটারফ্লাইয়ের শো রুম, অন‌্যপাশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় এনসিসি ব‌্যাংকের কার্যালয়। চতুর্থ তলায় ‘লি ছয় শিয়ং হাউজ’ এবং পঞ্চম তলায় ইউনিরয়‌্যাল সিকিউরিটিজের কার্যালয়।

পুলিশ খবর পায়, পিঠে ব‌্যাগ নিয়ে কয়েকজন তরুণ জোর করে ওই ভবনে ঢুকেছে। সকাল ৯টার পর বিপুল সংখ‌্যক পুলিশ ওই এলাকা ঘিরে ফেললে শুরু হয় আতঙ্ক আর নানা গুঞ্জন।

গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে ব‌্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে পুলিশ, ব‌্যাব ও সোয়াট সদস‌্যরা সেখানে উপস্থিত হন। ফলে স্থানীয়দের মধ‌্যে ধারণা তৈরি হয় যে নতুন কোনো সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে। ঘণ্টা তিনেক ভেতরে তল্লাশি শেষ করে বেরিয়ে আসার পর অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ভেতরে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটকও করা যায়নি।

তিনি বলেন, “আমরা দুটো ব‌্যাগ পেয়েছি। তারা চুরির উদ্দেশ‌্য নিয়ে এসেছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি আমরা। ব‌্যাগে কী আছে তা পরীক্ষার জন‌্য বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।”

পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট এসে ওই ব‌্যাগে মোবাইল ফোন পায়।  আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অধিকাংশ সদস‌্যরা বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সেখান থেকে সরে যান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, “দুটি ব‌্যাগে ১৭টি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। মনে হচ্ছে, চোরেরা পেছন দিক দিয়ে পাঁচ তলার একটি গ্রিলবিহীন জানালা দিয়ে ঢুকেছিল। সকালে তারা নিচতলা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করলে দারোয়ান দেখে ফেলে পুলিশে খবর দেয়।”

ঘটনাস্থলে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক র‍্যাব-১ এর এক কর্মকর্তা বলেন, চোরেরা ভবনের একটি ব্রোকারেজ হাউসে প্রবেশ করে সেখান থেকে কিছু টাকা-পয়সা নিয়েছে। এলজি-বাটারফ্লাইয়ের শো রুমে প্রবেশ করে সেখান থেকেও কিছু জিনিস নিয়েছে তারা।

সূত্রঃ বিডিনিউজ২৪, প্রথম আলো