ইতালির ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ - Women Words

ইতালির ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলের নরসিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৭ জন নিহত হওয়ার খবর মিলেছে। তবে মৃতর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। ভূমিকম্পে নরসিয়া শহরটি প্রায় পুরোপুরি ধংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরীপ সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে ( ইউএনজিএস) অনুযায়ী এর মাত্রা ছিল ৬.২ বলে জানায় মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

তাদের তথ্য মতে, নরসিয়া শহরের ১০ কিলোমিটার দূরে এটি অনুভূত হয়। স্থানীয় সময় বুধবার ভোর ৩.৩৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। ইতালির রাজধানী রোমেও এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইতালিতে মর্মান্তিক ভূমিকম্প আঘাত এনেছে। ২০১২ সালের মে মাসে জোড়া ভূমিকম্পে ইতালির উত্তরাঞ্চলে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়। ২০০৯ সালের এপ্রিলে সেন্ট্রাল ইতালিতে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পন হয়। ওই ভূমিকম্পনে ২৯৫ জন নিহত হয়েছিল।

এদিকে বিবিসি জানায়, ভূমিকম্পে ইতালির দক্ষিণের শহর পেরুগিয়া আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এ কম্পনের মাত্রা ছিলো ৬ দশমিক ৪। তাৎক্ষনিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের পরিমাণ জানা যায়নি।
স্থানীয় দৈনিক লা রিপাবলিকার বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ভূতাত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি পেরুগিয়ার ৭৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে আঘাত হানে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিলো ১০ কিলোমিটার। রিমিনি, রোম ও পেসকারাতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রোমে ভূমিকম্পটি ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শহরের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ইতালির আমাতরাইস শহরের মেয়র সারজিউ পিরুজ্জা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রাই রেডিওকে জানান, শহরের অর্ধেক অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। ভবনের নিচে চাপা পড়েছে শহরের বাসিন্দারা। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। শহরটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানায় বিবিসি।

এদিকে ইতালির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার তৎপরতার জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্ধারকারী সংস্থা কাজ করছে। সরকার ওই উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়।