থ্যাচারের পর দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ব্রিটেন - Women Words

থ্যাচারের পর দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় ব্রিটেন

ব্রেক্সিটের ঝড় শেষ হলেও তার প্রভাব এখনও ব্রিটিশ রাজনীতি জুড়ে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগ ঘোষণার পর এবার উত্তরসূরির অপেক্ষায় ব্রিটিশরা। উত্তরসূরির দৌড়ে ছিলেন অনেকে। সময় যত বইছে প্রতিযোগীর সংখ্যা কমছে সেখানে। তবে এখনও সে দৌড়ে বেশ ভালোভাবে টিকে আছেন দুই নারী। তাঁরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেরেসা মে ও জ্বালানিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যান্ড্রিয়া লিডসম। এ কারণে চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা না করেই বলা যাচ্ছে, দুই মাসের মাথায় যুক্তরাজ্যবাসী একজন নারীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাচ্ছে। স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ড অবশ্য বর্তমানে নারী নেতৃত্বেই রয়েছে।

রানির দেশে নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়টি অনেকটা বিরল। ব্রিটেনের ইতিহাসে লৌহমানবী খ্যাত মার্গারেট থেচারই ছিলেন প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী। এবার দ্বিতীয় কোনো নারী হিসেবে টেরেসা মে অথবা অ্যান্ড্রিয়া লিডসম নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার কনজারভেটিভ পার্টির এমপিদের দ্বিতীয় পর্বের ভোটাভুটিতে বিচারবিষয়ক মন্ত্রী মাইকেল গোভ সর্বনিম্ন ৪৬ ভোট পেয়ে প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েন। মাইকেল গোভ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের সদস্য পদ ত্যাগের পক্ষে অন্যতম প্রচারক ছিলেন। সর্বোচ্চ ১৯৯ ভোট পেয়ে শীর্ষে অবস্থান করছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যুক্তরাজ্যের থাকার পক্ষে (রিমেইন ক্যাম্পেইন) প্রচার চালানো টেরেসা মে। আর ইইউ ছেড়ে আসার পক্ষে (লিভ ক্যাম্পেইন) প্রচার চালানো অ্যান্ড্রিয়া লিডসম ৮৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছেন। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ৩৩০ পার্লামেন্ট সদস্যের মধ্যে ৩২৯ জনই দলের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ক্যামেরনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার এই দৌড়ে মোট প্রার্থী ছিলেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রথম পর্বের ভোটাভুটিতে ঝরে পড়েন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়াম ফক্স এবং কর্ম ও পেনশনবিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ক্র্যাব।

সূত্র : এএফপি