ভালোবাসা কেবলই ‘সব ভালো’-র উদযাপনের মুখোশে দুর্বলতাকে অস্বীকার

শবনম সুরিতা ডানা আমাদের জীবনে সেরকমভাবে দেখতে গেলে ছন্দপতন একটা অস্বাভাবিকতা। যা চলছে, যেমনভাবে চলছে, তা যতই অস্বস্তির, নোংরা বা অন্যায় হোক না কেন, তালে তাল মিলিয়ে চলে যেতে পারলেই, সব ঠিক আছে। মোটামুটি ভদ্রস্থ পড়াশোনা, একটা চাকরি, একটা সংসার, বছর ঘুরলে পুরী-দার্জিলিং-সব মিলিয়ে এই বেশ ভালো আছি। 'ভালো লাগছে না'

কর্ম যখন প্রবল আকার

শবনম সুরিতা ডানা এক. সাদা কাগজের দিকে ঠায় তাকিয়ে আছি। তাকিয়ে থাকতে আজকাল আর সাহস লাগে না। চোখ ফেরাতে তাও ধক লাগে অনেক। এখন মানুষের মুখের থেকে চোখ ফেরানো কঠিন। তুলনায় অমানুষদের সাথে বাক্যালাপ বরং অনেক সহজ। ঠিক যেভাবে প্রসাদকাকুর থেকে চোখ ফিরিয়ে নিতে পেরেছি আমি। বুঝেছি, ওখানে একটা মানুষ ছিল একটু

ভাইফোঁটা

শবনম সুরিতা ডানা সব সময় চাইতাম আমার যাতে একটা বোন হয়। যদিও মামার মেয়ে, মানে তিতির, ছিলই, কিন্ত নিজের ঘরে মায়ের পেটের একটা বোন সব সময়েই চেয়ে এসেছি। কিন্ত ওই যে, যা চাইব তা কখনোই না পাওয়ার প্যাটার্ন। এবারেও হল তাই। ঠাকুমার সংস্পর্শে একটু বেশিই উদ্বুদ্ধ হয়ে ছোটবেলায় আমি খানিক ভগবান-ভক্ত হয়ে

আর্ট অফ লিভিং

শবনম সুরিতা ডানা চোখে চোখ রেখে মিথ্যে বলাটা একটা আর্ট। সবাই পারেনা। সবাই শিল্পী নয়। কিন্ত চারপাশে আজকাল শিল্পীর প্রাচুর্য্য অন্য গল্প বলে। আমার ফেসবুকে বন্ধু সংখ্যা প্রায় চার হাজার। এর বাইরেও আমি প্রায় শ’খানেক মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। এছাড়াও রোজকার আসা-যাওয়া, জীবনযাপনের প্রতিটি মুহূর্তে পরিচিত হতে থাকি নিত্যনতুন মানুষদের সাথে। এতগুলো লোকের