এ ট্রিবিউট টু জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়

বাংলার সংগীত জগতে গীতিকার থেকে সুরকার, তারপর শিল্পী হয়ে ওঠার পথটি যাঁর মোটেও মসৃণ ছিল না। অজস্র জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা সেই সুরসম্রাট জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। দেশ কাল ও বহু দশকের সীমান পেরিয়ে যাঁর কথা আমাদের হৃদয়ে চিরদিন জাগরুক থাকবে। গতকাল কলকাতার আর এন টেগোর হাসপাতালে ৮৩ বছর বয়সে সুরলোকে গমন করেন

বৈরিতার বিরুদ্ধে নদী ও নারীর যুদ্ধের গল্প ‘হালদা’

রেজা ঘটক সারা দেশের প্রায় ১০০টি প্রেক্ষাগৃহে একসঙ্গে আজ শুক্রবার (১লা ডিসেম্বর)  মুক্তি পেল চলচ্চিত্র 'হালদা'। আজাদ বুলবুলের গল্প থেকে চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ। জয়যাত্রা, রূপকথার গল্প, দারুচিনি দ্বীপ ও অজ্ঞাতনামা'র পর 'হালদা' তৌকির আহমেদের এক ভিন্নমাত্রার চরম বাস্তবতার ছবি। 'হালদা' তৌকির আহমেদ পরিচালিত পঞ্চম চলচ্চিত্র। চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ফটিকছড়ি

ফিরে দেখা ঋত্বিক ঘটক (শেষ পর্ব)

রেজা ঘটক ১৯৬৪-৬৫ সালে স্বল্প সময়ের জন্য ঋত্বিক ঘটক পুনেতে বসবাস করেন। এসময় তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীকালে সেখানে তিনি ভাইস-প্রিন্সিপাল হন। এফটিআইআই-এ অবস্থানকালে ঋত্বিক শিক্ষার্থীদের নির্মিত দুটি চলচ্চিত্রের (Fear and Rendezvous) সাথে জড়িত ছিলেন। ভারতবর্ষে সিনেমা কীভাবে পড়ানো হবে, তার রীতিনীতি যাঁরা

ফিরে দেখা ঋত্বিক ঘটক (পর্ব:২)

রেজা ঘটক শিবরাম চক্রবর্তী'র গল্প অবলম্বনে  ১৯৫৯ সালে ঋত্বিক নির্মাণ করেন 'বাড়ি থেকে পালিয়ে' ছবিটি। কিশোর কাঞ্চনের বাড়ি থেকে পালিয়ে কলকাতা মহানগরের আশ্চার্য যান্ত্রিক জীবন দেখে আবার বাড়িতে ফিরে আসা এই ছবির কাহিনী। তবে ঋত্বিক কাহিনিতে যোগ করেন নতুন এক মাত্রা। হাস্যরস থেকে সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই জন্ম হয় গভীর উপলব্ধির। কিশোর

ফিরে দেখা ঋত্বিক ঘটক (পর্ব:১)

বাংলা চলচ্চিত্রের তিনটি যুগান্তকারী ঘটনার প্রথমটি হলো বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রে 'পথের পাঁচালী'র মুক্তি। দ্বিতীয়টি হলো সুবর্ণযুগের বাংলা ছবির সূচনা ও উত্তম কুমারের উত্থান। বাংলা চলচ্চিত্রের এই দুটি ঘটনার পর তৃতীয় যুগান্তকারী ঘটনাটি হয়তো বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে যুগান্তকারী, আলোচিত ও সমালোচিত ঘটনা। সেটি হলো বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রে ঋত্বিক ঘটকের

ইউনিভার্সেল থিয়েটারের পরিচ্ছন্ন প্রযোজনা ‘মহাত্মা’

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশদের কাছ থেকে ভারতের স্বাধীনতার প্রশ্নে ব্রিটিশরা ভারতীয় উপমহাদেশে এক স্থায়ী কলহ ও অশান্তির বীজ বপন করে গেছে। সেই পরিকল্পনার সুদূরপ্রসারী দুর্ভোগের ফলাফল এখনো এই উপমহাদেশের মানুষকে ভোগ করতে হচ্ছে। 'অহিংসা পরম ধর্ম'  এই ব্রত নিয়ে মহাত্মা গান্ধী ব্রিটিশদের সেই কূটনৈতিক কৌশলকে অনেকটা বসে আনতে পেরেছিলেন বলেই

মহালয়া ও বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র

ছোটবেলা থেকেই দুর্গাপুজার শুরুটা আমার কাছে খুব আনন্দের। মহালয়া দিয়েই মূলত দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু। ভোররাত চারটা থেকে আকাশ বাণীতে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে চণ্ডিপাঠ শুনলেই মনে হতো দুর্গাপুজা শুরু হয়েছে। যা বিজয়া দশমী দিয়ে শেষ হতো। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, দেবী দুর্গা যেদিন মর্ত্যলোকে আগমন করেন, সেই আগমনী বা আবাহনকে বলা

ঘোরলাগা ইল্যুশন ‘রিজওয়ান’

কাশ্মীরি বংশোদ্ভূত মার্কিন কবি আগা শাহিদ আলি'র ‘দ্য কান্ট্রি উইদাউট এ পোস্ট অফিস’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে কাব্যনাটক 'রিজওয়ান'। মূল উর্দু কাব্যগ্রন্থ থেকে এটি ভাষান্তর করেছেন ঋদ্দিবেশ ভট্টাচার্য্য। এটিকে নাট্যরূপ দিয়েছেন নাট্যকার অভিষেক মজুমদার। আর 'রিজওয়ান' নাটকটি মঞ্চ পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যাশ্চার্য অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আহবান নিয়ে

বাংলা গানের স্বর্ণযুগের কথা (পর্ব ২)

১৯৪৯ সালের রেকর্ড করা গান 'তুমি গো বহ্ণিশিখা'। এই গানটির গায়ক ও সুরকার ছিলেন শিল্পী কৃষ্ণ চন্দ্র দে। ভাইপো মান্না দে তাঁকে 'বাবুকাকা' বলে ডাকতেন। মান্না দে একবার বলেছিলেন, 'আজও আমি আবর্তিত হয়ে চলেছি বাবুকাকাকে কেন্দ্র করেই। বাবুকাকা সূর্য, আমি তাঁর আলোতে আলোকিত। আমার ভূমিকা চাঁদের চেয়ে বেশি কিছু নয়'।

বাংলা গানের স্বর্ণযুগের কথা (পর্ব ১)

মধ্য ত্রিশের দশক থেকে একেবারে মধ্য আশির দশক (১৯৩৮ থেকে ১৯৮৩) ছিল আধুনিক বাংলা গানের স্বর্ণযুগ। যেমন গানের লিরিক, তেমনি তার মনোহরি সুর, তেমনি তার দরদী ভোকালিস্ট। গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী মিলে সর্বক্ষেত্রে এই সময় বাংলা গানের ছিল জয়জয়কার। এই সময়টা ছিল অনেকটা মিডাস টাসের মত। যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে