মুক্তিযুদ্ধের সোনালী ইতিহাস সমৃদ্ধ নাটক ‘দুবড়ি’

রীমা দাস ডিসেম্বর ১৯৭১। বিজয় সমাগত। পাকবাহিনী যখন বুঝতে পেরেছিলো আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত তখন তারা আমাদের মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের রাতের অন্ধকারে, দিনের আলোয় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে বা ঘরে হত্যা করে। ১৪ ডিসেম্বর এই হত্যাকান্ড ব্যাপক আকার ধারণ করে। স্বজন হারানোর

একটি আত্মপ্রকাশ ও কিছু ঘটনা

রীমা দাস চলতি বছরের ৩ নভেম্বর আত্মপ্রকাশ করে একটি সংগঠন,যার নাম শতভিষা। একটি সদ্যজাত শিশু তার তীব্র, সুরেলা কন্ঠে জানান দেয় তার উপস্থিতি, আমি আসছি,আমি আছি। এই আত্মপ্রকাশের আগের সময়গুলোতে রয়েছে প্রকাশিত অপ্রকাশিত নানা ঘটনা। তবু মুখ্য নির্বাহী হিসেবে হাল ছেড়ে দেইনি আমি। যখনই বাঁধার পাহাড় এসেছে চোখ বন্ধ করে গৌরী

পৃথিবীর সকল শিশুর জন্য গড়ে তুলি নিরাপদ আশ্রয়

রীমা দাস আমি একজন প্রতিষ্ঠিত নারী। ব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ে চাকুরীরত।বর ব্যবসায়ী। দু'জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি প্রাপ্ত। প্রায় ১২ বছর পর আমাদের বিবাহিত জীবনে আলো হয়ে আসল আমার নয়নের মনি, আমাদের ছেলে। বাবার বাড়ি, শ্বশুর বাড়ির সবাই আলোকে পেয়ে দারুণ খুশি, সাথে আমরাও। আলো'র জন্মের আগের বছরগুলো আমাদের কাছে ১২ যুগের মত

প্রতিটি মেয়েশিশু আত্মরক্ষার উপায় শিখুক মা’র কাছেই

রীমা দাস এক ছেলে, এক মেয়ে আর বর নিয়ে গুছানো ছোট্ট সংসার আমার। ভাল ভাবে জীবন যাপনের জন্য নিজেদের বাড়ি বর্ধিত করছি। চারতলার কাজে হাত দিয়েছি, ঘরে রং হচ্ছে। বাড়িতে উৎসবের আমেজ। চোখ ভরে সেই আনন্দ দেখছি। রোজার সারাদিন আমি ব্যস্ত থাকি রান্না ঘরে। মেয়ে কি খেতে পছন্দ করে, ছেলের বায়না কিসে

সব আনন্দ ম্লান করে দেয় ভূমিপুত্র টুডুর রক্তাক্ত চোখ

রীমা দাস প্রতি জন্মতিথির মতো এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবারও তিনি আমাকে ব্যথিত করে গেলেন। তিনি আমার মন খারাপের অনুভূতি। প্রতি জন্মদিনে আমার মন খুব খারাপ থাকে। কেন! তা আমি নিজেও জানি না। এই অনুভূতির জন্য আমি বিব্রত থাকি। হাজারটা সমস্যার মাঝেও মুখে একচিলতে হাসি ধরে রাখতে ভুল করি না কখনও

বন্ধু যদি অসাম্প্রদায়িক হও তবে প্রতিবাদ কর, প্রতিরোধ গড়

রীমা দাস ফেইসবুকে আমি খুব সক্রিয়, এ নিয়ে আমার বন্ধু মহলে আমার ‘সুনাম’-‘বদনাম’ আছে। কোথাও গেলে, কিছু করলে,গুলটিকে নিয়ে, বাবাকে নিয়ে বা বন্ধুদের নিয়ে সারাক্ষণ মেতে থাকি ফেবুতে। সেই আমার এখন ফেবুতে আসতে ভালোলাগে না। লাইক. কমেন্ট করতে ভালোলাগে না। আমার আনন্দ প্রকাশের ইচ্ছাগুলো মরে গেছে বা পাথর হয়ে গেছে। আমার বুকের