একজন নারীবাদীর অসাধারণ শ্বশুরবাড়ি

জেসমিন চৌধুরী মাবাবা, ভাইবোনের সাথে অনেকেরই ভাল সম্পর্ক থাকে কিন্তু চমৎকার একটা শ্বশুরবাড়ি একটা বিরল ব্যাপার। আমার জন্য বিষয়টা স্ট্রাইক-ইট-লাকি-সেকেন্ড-টাইম। নিজের পরিবার নিয়ে অহংকারের কথা আমরা বলে বেড়াই, শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যখন অনেক কষ্ট থাকে সেগুলোও বলে বেড়াই কিন্তু শ্বশুরবাড়ির গুণগান খুব একটা শোনা যায় না। নানান ধরণের সামাজিক অন্যায় অবিচারের সাথে 'শ্বশুরবাড়ি'

যেভাবে লড়েছি

জেসমিন চৌধুরী প্রথম পরিচয়ে কেউ যখন আমাকে প্রশ্ন করেন, 'আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন?' আমি বলি 'আমি পড়াশোনা তেমন একটা করিনি।' আমার সখাটি তখন বাঁকা চোখে তাকান, পরে বলেন 'তুমি এমন করে বলো কেন?' একটা গভীর অভিমান থেকেই এমন করে বলি। এসএসসি পাশ করার পর কলেজে ভর্তি হলাম, তার কিছুদিন পরেই একজন দেখতে

সাহেব-ই-দাওয়া

জেসমিন চৌধুরী গতবছর ঢাকায় আমার স্বামীর এক বন্ধুর বাসায় তার পিতার মৃত্যু পরবর্তী মিলাদ মাহফীলে গেছি। আর সবার সাথে দুই হাত তুলেছি মোনাজাতে অংশ নেবার জন্য। একপর্যায়ে প্রার্থনাটি পুরুষতান্ত্রিক রূপ নিয়ে নিল যখন সুললিত কন্ঠে হুজুর গাইতে লাগলেন, ‘হে আল্লাহ, আমাদের যাদের যাদের পুত্রসন্তান উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশে আছে, তুমি তাদের হেফাজত করো।

পাস্ট আসলে পাস্ট হয় না, বর্তমানে ফিরে নিজের নিষ্ক্রিয়তা মনে করিয়ে দেয়

জেসমিন চৌধুরী হঠাৎ অনেকদিন আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে খুব খারাপ লাগছে। তাই এই গভীর রাতে বিছানার আরাম ছেড়ে উঠে একটা অপরাধের স্বীকারোক্তি লিখতে বসেছি। প্রথমবার এসএসসি ফেল করবার পর দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দিতে গেছি সিলেট এইডেড হাই স্কুলে। আমার ঠিক সামনের বেঞ্চেই বসেছিল একটা ছোটখাটো মিষ্টি চেহারার মেয়ে। পরীক্ষা শুরু হবার কিছুক্ষণ