মহালয়া ও বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র

ছোটবেলা থেকেই দুর্গাপুজার শুরুটা আমার কাছে খুব আনন্দের। মহালয়া দিয়েই মূলত দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু। ভোররাত চারটা থেকে আকাশ বাণীতে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে চণ্ডিপাঠ শুনলেই মনে হতো দুর্গাপুজা শুরু হয়েছে। যা বিজয়া দশমী দিয়ে শেষ হতো। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, দেবী দুর্গা যেদিন মর্ত্যলোকে আগমন করেন, সেই আগমনী বা আবাহনকে বলা

জীবন তরী (পর্ব: অতৃপ্তি )

অনন্যা হক জানালা দিয়ে সকালের আলো ঢুকতেই মিলির ঘুম ভেঙে যায়।কোন ঘড়ির এলার্ম লাগে না, যেন  মাথায়  একটা এলার্ম সেট করা আছে। কাল খুব বিষন্ন মনে ঘুমিয়েছে।ঘুম টা ভাল হয়নি, বেশ ভোরে ঘুম ভেঙে গেল। এপাশের ঘরে বিছানা থেকে দেখতে পেল, রিফাত বেঘোরে ঘুমিয়ে যাচ্ছে।কত নিশ্চিন্ত ঘুম, তার কেন একা এত

শুভ জন্মদিন প্রিয় অভিনেত্রী শাবানা আজমী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘শেষের কবিতা’য় লাবণ্যর সৌন্দর্য বর্ণনায় লিখেছিলেন তা জ্যোৎস্না রাত্রির মতো অস্পষ্ট নয়, বরং ভোরবেলাকার মতো উজ্জ্বল। লাবণ্যর সৌন্দর্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল তার বুদ্ধির দীপ্তি। এই বিশেষণ প্রয়োগ করা যায় শাবানা আজমির ক্ষেত্রে। বলিউডে সুন্দরী অভিনেত্রীর অভাব কখনও ছিল না, এখনও নেই। এত সুন্দরীর ভিড়েও শাবানা আজমি বরাবরই নিজস্ব দীপ্তিতে

জীবন তরী (পর্ব: দ্বন্দ্ব )

অনন্যা হক বড় ছেলে জাভেদ চাকরি পাওয়ার পর আশরাফী বেগমের স্বামী মারা যান। জমিজমার আয় আর জাভেদের চাকরি দিয়ে সংসার চলতো।পরে রিফাতের ব্যবসা শুরু হয়।সংসারে কোন অভাব নেই। মায়ের ব্যাপারে ছেলেদের ভালবাসার কোন কমতি নেই। ছেলের বউদের ব্যাপারে মা খুব শক্ত অবস্থান রেখে চলে, যেন নিজের  অবস্থান টা টলে না যায়।বউদের বাবার

জীবন তরী (পর্ব: মাতৃত্ব)

অনন্যা হক বিবাহিত জীবনের আমেজ না কাটতেই, রিফাত তার  আপন ভুবনের  আকর্ষণে অনিয়মের জগতে ঢুকে গেল। এটা এখন প্রতি দিনের ব্যাপার হয়ে গিয়েছে। মিলি  এই বহির্মুখী আকর্ষণের কারণ জানতে পারে,  তার বড় জা এর কাছ থেকে। মিলি ছাদে দাঁড়িয়েছিল, বড় জা কাপড় তুলতে আসে।কৌতুহল দমন করতে না পেরে মিলি কথার ফাঁকে জিজ্ঞাসা

জীবন তরী (পর্ব: টানাপোড়েন )

অনন্যা হক সকালে  উঠেই রিফাত মিলি কে ডাকতে থাকে, মিলি  এদিকে  এস, আমার লুঙ্গি, তোয়ালে দিয়ে যাও। মিলি রান্না ঘরে, তার খাবার গুছিয়ে রাখছে টেবিলে। কোন উত্তর দেয় না, ঘরেও যায় না। এল প্যার্টানের বাড়ি,  রান্না ঘর থেকে তার ঘর দেখা যায়।দেখছে যে বারান্দায় তোয়ালে, লুঙ্গি নাড়া  আছে, কিন্তু  উঠে এসে

জীবন তরী (পর্ব: বৈপরীত্য )

অনন্যা হক জাভেদ কলেজে যাওয়ার আগে বারান্দায় বসে পেপার পড়ে, এখানে বসেই নাস্তা করে।আজও তেমনি পেপার পড়ছিল। তাঁর বউ রুমানা নাস্তা নিয়ে এল। নাস্তা টা টেবিলে রেখে বলে, রিফাত বাজার পাঠিয়ে দিয়েছে, আজ বাজারে যাওয়া লাগবে না তোমার। রুমানা চলে যাচ্ছিল, জাভেদ বলে বস এখানে একটু। রুমানা বলে, বাজার  এসেছে, রান্না ঘরে অনেক কাজ

হিলারি ক্লিনটনের বই ‘হোয়াট হ্যাপেনড’

‘হোয়াট হ্যাপেনড’ বইটি লিখেছেন আমেরিকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হার, ব্যক্তিগত দুঃখ, ক্ষোভ, রাগ, অনুতাপ- মনিকা লিউনস্কি প্রসঙ্গে দাম্পত্য জীবনে ঝড়- সব কিছু স্থান পেয়েছে বইটিতে। ১৯৭৫ সালে বিল ক্লিনটনকে বিয়ে করেন হিলারি। ১৯৯৩ সালে বিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ওই সময়ই তিনি হোয়াইট হাউজে কর্মরত মনিকার সঙ্গে সম্পর্কে

জীবন তরী (পর্ব: দ্বিধা)

অনন্যা হক বিয়ের পরে এক মাস গেল আনন্দ হৈচৈ, দু বাড়ি মিলে আসা যাওয়া  এভাবে। মিলির সংসার জীবন শুরু হলো একটা নতুন ঘোর, নতুন মোহে আচ্ছন্ন হয়ে। রিফাত ঘুম থেকে দেরী করে  ওঠে আগাগোড়াই। এখন তো আরও, নতুন বউ ঘরে। সে যতক্ষণ থাকে, মিলি কে বের হতে দিতে চায় না।কিন্তু প্রথম কয়েক

জীবন তরী (পর্ব: বিয়ে)

অনন্যা হক মিলি বাবা মা এর কাছে বসে, মা তাকে ডেকে এনেছে, বাবা কথা বলবে।বাবা বলে, মা তুমিও আস কথা আছে।সবাই  এসে বসে, একটু চিন্তিত মনে। বাবা বলে, মিলির  একটা খুব ভাল সম্বন্ধ এসেছে শহর থেকে, তারা দেখতে আসতে চায় । দাদি বলে, একবারে দেখতে আসতে চায়, আগে কিছু বললি না, এ কেমন