ধর্ষণ কমাতে ট্যাবু নিয়েও আলোচনা জরুরী

আশিকুর রহমান শুধুমাত্র শাস্তিবিধানই ধর্ষণ সমস্যার কোন সমাধান আনবেনা। খুনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, তাতে কি খুন বন্ধ আছে? অ্যাসিড সন্ত্রাস কমে যাওয়ার কারণ তার মূলে হাত দেওয়া। অ্যাসিড আমদানি এবং বিক্রির উপরে কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ। হাজার শাস্তির ব্যবস্থা করলেও ধর্ষণ বন্ধ হবে না যতক্ষন না মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন হচ্ছে। আমাদের সমাজে সেক্স এডুকেশন

শারীরিক নির্যাতন

অনন্যা হক সহমরণ বন্ধ হয়েছিল, বিধবা বিবাহ চালু হয়েছিল একসময়।নারীদের কে তখন জন্তু, জানোয়ারের মত এবং শুধু মাত্র ভোগ্য পণ্য হিসেবে গণ্য করা হতো। একই মানুষ, শুধু শারীরিক গঠনে ভিন্ন বইতো আর কিছু না। মানুষের মধ্যে কতটা পশু প্রবৃত্তি থাকলে, এসব বর্বরতা করা সম্ভব! অন্দরমহলে নারীদের  অব্যাহত লড়াই তো ছিলই, আর কিছু গভীর

অস্তিত্ব

অনন্যা হক দুই জন নারী, পুরুষ বিয়ে করে দুজনের সমান প্রয়োজনে।বিয়ে করলে কারো শরীরের রক্ত কি পাল্টে যায়? তাহলে ঠিকানা, পদবী এগুলো কেন পাল্টে দেয়া হয়? নারীদেরও দেখি খুব  অহংকারের সাথে স্বামীর পদবী কাঁধে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। তখন তাদের নিজেদেরকে ঠিক কি মনে হয়,  জানতে ইচ্ছে করে। কখনও বাবার ,কখনও স্বামীর, তাহলে

সাহেব-ই-দাওয়া

জেসমিন চৌধুরী গতবছর ঢাকায় আমার স্বামীর এক বন্ধুর বাসায় তার পিতার মৃত্যু পরবর্তী মিলাদ মাহফীলে গেছি। আর সবার সাথে দুই হাত তুলেছি মোনাজাতে অংশ নেবার জন্য। একপর্যায়ে প্রার্থনাটি পুরুষতান্ত্রিক রূপ নিয়ে নিল যখন সুললিত কন্ঠে হুজুর গাইতে লাগলেন, ‘হে আল্লাহ, আমাদের যাদের যাদের পুত্রসন্তান উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশে আছে, তুমি তাদের হেফাজত করো।

পরকীয়া-স্বকীয়া কোনটাই নারী-পুরুষ সম্পর্কের অনিবার্য পরিণতি নয়

প্রীতি ওয়ারেছা কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে বসে বসে পরকীয়া বিষয়ক সার্কাস দেখলাম, চলমান যদিও। অতি লেবু কচলানিতে মনে হচ্ছে নারীর সার্বিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন এখন গিয়ে পরকীয়ায় ঠেকেছে। প্রতিনিয়ত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে এভাবে- নারীবাদীরা কী তবে উগ্র যৌনতায় বিশ্বাসি! প্রায় বছরখানেক আগের একটি পরকীয়া বিষয়ক লেখা সম্প্রতি এসে নিউজফিড কাঁপাচ্ছে। সেই

কন্যা সন্তানেরা জাগো (পর্ব-দুই)

অনন্যা হক এটা একটা স্বাভাবিক রীতিতে দাঁড়িয়ে গিয়েছে, পরিবারের ভেতরে ছেলে এবং মেয়েকে ব্যাবধানে রেখে বড় করা।অনেক সূক্ষ সূক্ষ বিষয় থাকে, যে গুলো ঠিক সামনে আনা যায় না, মেয়েরা অবিরত ফেস করতে থাকে, এবং একটা চাপা দুঃখ নিয়ে বড় হতে থাকে। এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা মুখ ফুটে বলে না এসব অনাচারের

আত্মহত্যা মানে হেরে যাওয়া

শাকিলা রুম্পা আত্মহত্যা ইদানীং হুট করেই বেড়ে গেছে, ভাইরাস হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে সমাজের কাছে! কিন্তু কেনো এই আত্মনাশ?কি কষ্ট,না পাওয়া,হতাশা তাদের ভিতরে গোপনে বহন করে? কতটা হতাশাগ্রস্ত হলে তারা এই পথ বেছে নেয়? -এই ছেলে-মেয়েগুলোকে নিয়ে যদি একবার কোথাও ঘুরা যেতো ৩-৪ দিনের জন্য, হয়তো এই অল্প বয়সে আত্মহত্যার আগে ভাবতো কয়েকবার।

কন্যা সন্তানেরা জাগো (পর্ব-এক)

অনন্যা হক আমাদের আদি পুরুষেরা সেই যুগে মেয়েদেরকে লেখাপড়া করার সুযোগ দিত না।অন্দরমহলে রেখে দিত।তাদেরকে ঘরের কাজের জন্য শুধু মাত্র দাসীর মত করে বড় করে তুলতো। কালের বিবর্তনে, মেয়েদের সুপ্ত বাসনা এবং কিছু উদার, আধুনিক, মানসিক ভাবে শিক্ষিত পুরুষদের সাহায্য পেয়ে, মেয়েরা ঘুরে দাঁড়াতে শেখে, সাহস পায়।তাই আজ মেয়েরা এখানে। মেধা

পুরুষতান্ত্রিকতাকে নারীরাই আরও শক্তিশালী করে তুলেছে

টুম্পা ধর নারী ! এই বিষযটা আসলে কী, সেটা অনেক ক্ষেত্রে নারীরা নিজেরাই বোঝে না বা জানে না বলে মনে হয়। পুরুষরা প্রায়ই বলে থাকে, নারীর মন বোঝা কঠিন। কিন্তু আমি বলি আমরাও অনেক সময় নিজেরাই নিজেদের চিনতে বা বুঝতে ভুল করি। একবার কেউ একজন আমাকে বলেছিল নারীরা এতো হিংসুটে কেন

আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় কবে হবে?

মাসরুর রাসেল ফখরুদ্দিন-মহিউদ্দিনের সময়ে গ্রামের মানুষ টিভির লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতা বুঝতে না পেরে অনেকে ঘরের চাল, ধানের গোলায়, লাউয়ের মাচাসহ বিভিন্ন জায়গায় টিভি লুকিয়ে রাখত। প্রতিদিনই খবর রটতো আজ অমুক গ্রামে দুইশ টিভি, কাল তমুক গ্রামে তিনশ চিভি  সেনাবাহিনী নিয়ে গেছে। টিভিওয়ালা পরিবারগুলোর যে কি পরিমান শারীরিক এবং মানসিক ভোগান্তি সহ্য