মেয়েরা সবখানেই বড্ড বেশি একা

শেহজাদ নাঈম খান তূর্য্য গতবছরের ঘটনা। বড় খালার বাসা ঢাকার ব্যস্ততম জায়গা ধানমন্ডিতে। বেড়াতে গিয়েছিলাম। একটু হাঁটাহাঁটি করতে রাস্তায় এসেছি। রাস্তার পাশে একটা টং দোকানে দাড়িয়ে চা খাচ্ছি। রাস্তার ডান পাশ ঘেসে একটা মেয়ে হেঁটে আসছে। পেছন থেকে একটা লোক হেটে এসে মেয়েটার গায়ে হাত দিলো। মেয়েটা চিৎকার করে উঠলো। আশেপাশের

আপনি বদলাতে শুরু করলে পৃথিবী বদলাতে বাধ্য

নাহার শাওন পৃথিবীর সব ছেলেরা একবার, মাত্র একবার যদি পিরিয়ডের ৩ দিনের যন্ত্রণা ভোগ করতো, তাহলে মেয়েরা কিছুটা হলেও অপমানের হাত থেকে রেহাই পেতো! যদি বুঝতো তলপেট চেপে ধরে শরীর উল্টানো ব্যথার কান্না কতটা ভয়ংকর, তাহলে খুড়িয়ে হাঁটতে দেখে মুচকি হাসি দিতো না। হাতটা ধরে রাস্তা পার করে দিতো! যদি টের

সন্তান লালন পালনের দায়িত্ব কি শুধুই নারীর?

স্বপ্না দে দেশের উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার প্রয়োজন ছাড়াও ব্যক্তি স্বাধীনতা, শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগানো এবং আপদকালীন সময়ে পরিবারের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখার অভিপ্রায়ে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও আজ নানা কর্মমুখি পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। সেই সাথে পরিবারের যাবতীয় দায়িত্বও একজন নারীকে পালন করতে হয়। আজকের দিনে যোগাযোগ মাধ্যম অনেকটা

পিশাচ পুরুষ

আশিক রাহমান ওকে যখন আমি প্রথম দেখি ও তখন সুইট সিক্সটিন। কেবল স্কুল ড্রেস ছেড়ে সদ্য কিশোরী থেকে যুবতী হওয়ার পথে। মেঘের মত ঘন চুল গুলো মেলে কপালে সানগ্লাস তুলে হাই হিলে হেঁটে চলা প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী একটা মেয়ে। ওর আড় চোখে তাকানো, রহস্যময়ী মুচকি হাসি, যেন খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসা সাত

২০১৭ সালে কেমন ছিল নারীরা?

ফারজানা মৃদুলা নারী সহিংসতা নিয়ে সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে অনেক ধরণের পদক্ষেপ নেওয়া হলেও নারী নির্যাতন মোটেও কমছে না।নরপিশাচরা মুখোশের আড়ালে আজও উদ্ধত থাবা মেলে নারী সমাজকে গ্রাস করে যাচ্ছে। কেন ? শুধু কি নারী হয়ে জন্মগ্রহণ করার কারণে?স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্ত আকাশে ডানা মেলে কি উড়তে পারছে নারী সমাজ। বারবার কেন অতৃপ্তি

যে প্রেম ছেলেরা করলে বয়সের ভুল, মেয়েদের বেলা তা পাপ হয় কি করে!

আশিক রাহমান ছেলে তুমি চিৎকার করে বলতে পারো মেয়েটা তোমায় ধোঁকা দিয়েছে, ছেলে তুমি মাঝ রাতে মদের বোতল হাতে পড়ে থাকলেও লোকে বলবে, আহারে কত ভালো ছিলো, একটা মেয়ের কারনে নষ্ট হয়ে গেলো! ঠিক তোমার মত করে মেয়েটা বলতে পারবেনা, ছেলেটা ধোঁকাবাজ ছিলো। কারন লোকে বলবে, তার চরিত্র খারাপ ছিলো বলেই ছেলে

ঈশ্বরের উপহার !

শাহনেওয়াজ কাকলী ভয় পেয়ে দৌড়ে খাটের নিচে এসে ঢুকলাম। ৫/৭ বছর বয়স থেকে নানান দোষে অন্যায়ের বোঝা বাড়তে থাকে বলে সব সময় মায়ের বুকে আশ্রয় মেলে না। ঘরের আলমিরা, খাটের তলা,পর্দার আড়াল, আলনার চিপাই ছিলো শ্রেষ্ঠ আশ্রয় কেন্দ্র। তেমনি একদিন ভয়ে ঠাই নিয়েছিলাম খাটের তলে, সমস্ত শরীর কাঁপছে। ভয়ে কান্না আসছে

ধর্ষক, এবার বিব্রত হও

হুসাইন মুহাম্মদ ফাহিম ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। পাঁচ বছরের শিশুটি, যে এখনো পৃথিবীকে পুরোপুরিভাবে চিনতে পারেনি, যার কাছে এখনো বোধগম্য হয়ে ওঠেনি ‘লাল-নীল’ আলোর মহিমা। সে জীবনের যাত্রা শুরু করতে না করতেই ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। হৃদয়হীন জিঘাংসার মুখোমুখি হয়ে তার বেড়ে ওঠা থমকে দাড়াচ্ছে, থেমে যাচ্ছে অবলীলায়। শুধু কি পাঁচ বছরের

মুক্তিযুদ্ধের সোনালী ইতিহাস সমৃদ্ধ নাটক ‘দুবড়ি’

রীমা দাস ডিসেম্বর ১৯৭১। বিজয় সমাগত। পাকবাহিনী যখন বুঝতে পেরেছিলো আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত তখন তারা আমাদের মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের রাতের অন্ধকারে, দিনের আলোয় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে বা ঘরে হত্যা করে। ১৪ ডিসেম্বর এই হত্যাকান্ড ব্যাপক আকার ধারণ করে। স্বজন হারানোর

সঙ্কটে নির্ভরযোগ্য একজন জীবনসঙ্গী পাওয়া কঠিন

অদিতি ফাল্গুনী হুমায়ূন আহমেদ-গুলতেকিন-শাওনকে নিয়ে ‘লিখব না- লিখব না’ ভেবেও একবার লেখার পর ভেবেছিলাম আর এজাতীয় বিষয় নিয়ে লিখব না- যেমন আমার রুচিশীল বন্ধুরা লেখেন না। কাজেই অপু বিশ্বাসের টিভি ক্যামেরার সামনে এসে, শিশু পুত্রকে দেখিয়ে ‘ঘর ফিরে’ পাবার জনদাবি, ফেসবুকের জন আদালত সব কিছু দেখে গেছি। লিখিনি। আজ অপুর তালাক