ছোটবেলার নাচের দিদিটা!

ফাহমিদা ফাম্মী ছোট বেলা থেকেই সাজুনি বুড়ি ছিলাম খুব। মুখে ক্রিম পাউডার মেখে, চুরি আলতা মালায় বউ সাজতাম মাঝে মাঝেই... টিভিতে নাচের অনুষ্ঠানে দেখতাম মেয়েরা অনেক সাজুগুজু করে নাচ করতো। কানে দুল অথবা বাউটি পায়ে রুমঝুম করা নুপুরে বেশ লাগতো। তখন একদিন পাশের বাসার একটা মেয়ে বয়সে আমার ছোট, নাচ শিখতে

জীবন যখন যেমন

রোমেনা লেইস অভিজ্ঞতাটা শেয়ার না করে পারছি না। আমি আর আমার হাজবেন্ড রিলাক্স মুডে জ্যাকসন হাইটস্ এর প্রিমিয়ামে খেতে এসেছি।সাতটা পার হয়ে গেছে।দুই চক্কর দেয়ার পর জুৎসই একটা পার্কিং পাওয়া গেল। Fire hydrant থেকে আট ফিট দূরে ।বার কয়েক চেক করে সব ঠিকঠাক দেখে আমরা সুন্দর একটা টেবিল বেছে নিয়ে বসে

কর্ম যখন প্রবল আকার

শবনম সুরিতা ডানা এক. সাদা কাগজের দিকে ঠায় তাকিয়ে আছি। তাকিয়ে থাকতে আজকাল আর সাহস লাগে না। চোখ ফেরাতে তাও ধক লাগে অনেক। এখন মানুষের মুখের থেকে চোখ ফেরানো কঠিন। তুলনায় অমানুষদের সাথে বাক্যালাপ বরং অনেক সহজ। ঠিক যেভাবে প্রসাদকাকুর থেকে চোখ ফিরিয়ে নিতে পেরেছি আমি। বুঝেছি, ওখানে একটা মানুষ ছিল একটু

নান্দিক নাট্যদলের পরিবেশনায় ‘হাসন রাজা’

হাসন রাজা-এই নামটি এখন দেশে বিদেশে আলোচিত এক নাম। গতকাল শনিবার নান্দিক নাট্যদল, সিলেট তাদের ২৩তম প্রযোজনা ‘হাসন রাজা’ পরিবেশন করল। নগরীর রিকাবিবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে মঞ্চস্থ হল নাটকটি। মিলনায়তন ভর্তি মানুষ মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করল হাসন রাজার বর্ণিল জীবনের কাহিনী, যা দেখে আমার হাসন রাজা সম্পর্কে জানার আগ্রহ আরো

বাবার মত হয় না আর কেউ

রোমেনা লেইস আমরা বাড়ি ফিরবো যেদিন তার আগে থেকেই আমার আব্বা নিজের পছন্দের মাছ-মাংস সব বাজার করে, রান্না করিয়ে, আমাদের অপেক্ষায় থাকতেন। বাড়ি ফিরলে গেটের কাছেই আব্বা বুকে টেনে নিয়ে বলতেন, বেশী কষ্ট হয়েছে কি? খিদে পেয়েছে? রাস্তায় কী খেয়েছ? আজ আব্বা নেই। এখন কেউ আর অপেক্ষায়ও থাকে না।। আমার আব্বা ডাক্তার আবুল

ঝাপসা চোখে আমি ভালোবাসা দেখি…

পৃথা শারদী আজকাল রাস্তায় হাঁটার সময় মাথা নিচু করে রাখি, মাঝে মাঝে ভারী পাওয়ারের চশমাটা খুলে ফেলি। সেদিন ধানমন্ডি গিয়েছিলাম একটা কাজে। শুক্রবারের ফাঁকা রাস্তা দেখে মনে হল, হাঁটি কিছুক্ষণ। সঙ্গে আলামিন ছিলো। তাকে বললাম, তুমি আলমাসের সামনে যাও, আমি আসছি। আলামিন চলে গেল। আমি নান্দুসের পাশের রাস্তা ধরে হাঁটতে লাগলাম। হাঁটি আর

সীমান্ত খুলে দেয়াই একমাত্র সমাধান হতে পারে না

ফারহানা নাসিম মুসলমান বলেই রোহিঙ্গাদের জন্য যারা বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দিতে বলছেন, আমি তাদের পক্ষে নই। ইনফ্যাক্ট আমি কোন কারণেই তাদের জন্য সীমান্ত খুলে দেয়ার পক্ষে নই। যদি কোন পক্ষে যেতেই হয় তবে আমি অং সান সু চির শান্তিতে পাওয়া নোবেল ফেরত নেয়ার পক্ষে। আমরা যখন হিউম্যান রাইটস নিয়ে চেঁচিয়ে মরছি- তখন

সব আনন্দ ম্লান করে দেয় ভূমিপুত্র টুডুর রক্তাক্ত চোখ

রীমা দাস প্রতি জন্মতিথির মতো এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবারও তিনি আমাকে ব্যথিত করে গেলেন। তিনি আমার মন খারাপের অনুভূতি। প্রতি জন্মদিনে আমার মন খুব খারাপ থাকে। কেন! তা আমি নিজেও জানি না। এই অনুভূতির জন্য আমি বিব্রত থাকি। হাজারটা সমস্যার মাঝেও মুখে একচিলতে হাসি ধরে রাখতে ভুল করি না কখনও

কেউ একজন আমাকে অনেক ভালোবাসতেন

ফাহমিদা খান ঊর্মি দাদুমণির বড় ছেলের বড় মেয়ে আমি। মানে পরিবারের প্রথম নাতনী। প্রথম হিসেবে স্বভাবতই সবার আলাদা আদর-যত্ন পেয়ে এসেছি জন্মের পর থেকেই। তার উপর জন্মের পর প্রথম তিন বছর পর্যন্ত যেহেতু পরিবারে আমি একমাত্র শিশু ছিলাম সেহেতু সব ব্যাপারে আমাকে নিয়ে তাদের বাড়াবাড়ি ছিল। তবে দাদীর বেলা সেটা যেন

বন্ধু যদি অসাম্প্রদায়িক হও তবে প্রতিবাদ কর, প্রতিরোধ গড়

রীমা দাস ফেইসবুকে আমি খুব সক্রিয়, এ নিয়ে আমার বন্ধু মহলে আমার ‘সুনাম’-‘বদনাম’ আছে। কোথাও গেলে, কিছু করলে,গুলটিকে নিয়ে, বাবাকে নিয়ে বা বন্ধুদের নিয়ে সারাক্ষণ মেতে থাকি ফেবুতে। সেই আমার এখন ফেবুতে আসতে ভালোলাগে না। লাইক. কমেন্ট করতে ভালোলাগে না। আমার আনন্দ প্রকাশের ইচ্ছাগুলো মরে গেছে বা পাথর হয়ে গেছে। আমার বুকের