একজন নারীবাদীর অসাধারণ শ্বশুরবাড়ি

জেসমিন চৌধুরী মাবাবা, ভাইবোনের সাথে অনেকেরই ভাল সম্পর্ক থাকে কিন্তু চমৎকার একটা শ্বশুরবাড়ি একটা বিরল ব্যাপার। আমার জন্য বিষয়টা স্ট্রাইক-ইট-লাকি-সেকেন্ড-টাইম। নিজের পরিবার নিয়ে অহংকারের কথা আমরা বলে বেড়াই, শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যখন অনেক কষ্ট থাকে সেগুলোও বলে বেড়াই কিন্তু শ্বশুরবাড়ির গুণগান খুব একটা শোনা যায় না। নানান ধরণের সামাজিক অন্যায় অবিচারের সাথে 'শ্বশুরবাড়ি'

সাজাপ্রাপ্ত শতাধিক ভারতীয় ধর্ষকের সাক্ষাৎকার নিলেন যে নারী, কি জানলেন তিনি

ওয়াশিংটন পোস্ট থেকে উইমেন ওয়ার্ডস এর পাঠকদের জন্য লেখাটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন  অদিতি দাস: ভারতীয় ধর্ষণকারীদের সাথে দেখা করতে এবং তাদের সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য মধুমিতা পান্ডে যখন প্রথমবারের মতো নয়া দিল্লির তিহার জেলে যান, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২২। মধুমিতা ব্রিটেনের এংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধতত্ব বিভাগের ছাত্রী। তাঁর থিসিসের অংশ

মুক্তির অন্বেষণে

অনন্যা হক ভালবাসি মানুষ কে, ভালবাসতে পারিনা তাদের কিছু প্রবৃত্তি কে। সবার মতই ছিল বন্ধনহীন বল্গা হরিণীর মত একটা মন। এখনও তেমনটিই আছে। আমি এক মুক্ত মনা, স্বাধীন নারী।আজন্ম স্বাধীন। যদি থাকি নিভৃতে কিবা লোকারণ্যে, যখন যেখানে যে রুপেই থাকি না কেন, মনের লাগাম কি কেউ দিতে পারে? সে তো এক ডানা মেলা

এবার আমি নারীদের কে বলছি

অনন্যা হক ধর্ষণ, অত্যাচার, নিপীড়ন সব কিছুর বলি কারা? আমরা নারীরা। জন্মেছিলাম কোন কুক্ষণে না শুভ ক্ষণে? শুনেছিলাম, জন্মেছিলাম এক পূর্ণিমার রাতে। আমার দাদি আমার নাম রেখেছিলেন  পূর্ণিমা। সে নাম শুধুই এক আদরের নাম। জন্মের পর থেকে বুঝেছি, জেনেছি, জীবন দেখে শিখেছি-আমরা সব মেয়েরাই পূর্ণিমা। অমাবস্যায় ঢেকে থাকা পূর্ণিমা ! বড় হয়েছি

ধর্ষণ কমাতে ট্যাবু নিয়েও আলোচনা জরুরী

আশিকুর রহমান শুধুমাত্র শাস্তিবিধানই ধর্ষণ সমস্যার কোন সমাধান আনবেনা। খুনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, তাতে কি খুন বন্ধ আছে? অ্যাসিড সন্ত্রাস কমে যাওয়ার কারণ তার মূলে হাত দেওয়া। অ্যাসিড আমদানি এবং বিক্রির উপরে কঠোর নিয়ন্ত্রন আরোপ। হাজার শাস্তির ব্যবস্থা করলেও ধর্ষণ বন্ধ হবে না যতক্ষন না মানুষের মানসিকতা পরিবর্তন হচ্ছে। আমাদের সমাজে সেক্স এডুকেশন

রূপার জন্য বেদনাহত

রোমেনা লেইস রূপার ঘটনাটা জানার পর থেকেই তাঁর জন্য অনেক কষ্ট পাচ্ছি। রূপা আসলে আমার সন্তানের মতো।প্রতিদিন এই যে সকালে ছেলে মেয়েরা সবাই বের হয়ে যায়, ভালভাবে ফিরে আসুক- কায়মনোবাক্যে এই থাকে আমার প্রার্থনা । রূপার মতো স্বপ্ন নিয়ে একদিন আমরাও বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় গিয়েছিলাম।বাসে ট্রেনে ফেরীতে কতো রকমের লোকজন থাকে। একবার সুনামগঞ্জ

শারীরিক নির্যাতন

অনন্যা হক সহমরণ বন্ধ হয়েছিল, বিধবা বিবাহ চালু হয়েছিল একসময়।নারীদের কে তখন জন্তু, জানোয়ারের মত এবং শুধু মাত্র ভোগ্য পণ্য হিসেবে গণ্য করা হতো। একই মানুষ, শুধু শারীরিক গঠনে ভিন্ন বইতো আর কিছু না। মানুষের মধ্যে কতটা পশু প্রবৃত্তি থাকলে, এসব বর্বরতা করা সম্ভব! অন্দরমহলে নারীদের  অব্যাহত লড়াই তো ছিলই, আর কিছু গভীর

হারিয়ে যাইনি, এটাই জরুরী খবর

শবনব সুরিতা ডানা বেশ কিছুক্ষণ যাবত একটা প্রবন্ধ চোখের সামনে মেলে বসে আছি। বারবার চোখ বোলাচ্ছি, কিন্ত কিছুই মাথায় ঢুকছে না। ক্রমাগত একটাই প্রশ্ন মাথার ভেতর ঘুরঘুর করছে সকাল থেকে। আমাদের ভেতর এত ঘৃণা কেন? কিছু মানুষ আছেন যাঁদের এক বেলারও ভাত হজম হয়না অন্যের নিন্দা, বা সামনে থাকা কাউকে তিরস্কার

অস্তিত্ব

অনন্যা হক দুই জন নারী, পুরুষ বিয়ে করে দুজনের সমান প্রয়োজনে।বিয়ে করলে কারো শরীরের রক্ত কি পাল্টে যায়? তাহলে ঠিকানা, পদবী এগুলো কেন পাল্টে দেয়া হয়? নারীদেরও দেখি খুব  অহংকারের সাথে স্বামীর পদবী কাঁধে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়। তখন তাদের নিজেদেরকে ঠিক কি মনে হয়,  জানতে ইচ্ছে করে। কখনও বাবার ,কখনও স্বামীর, তাহলে

‘সালোয়ারের উপর গেঞ্জি পরা নিষেধ!’ 

শাকিলা রূম্পা  কী? শিরোনাম দেখে চমকে গেলেন তো? আমিও প্রথমে চমকে গিয়েছিলাম এরকম সংবাদ শিরোনাম দেখে। এমন আদেশ জারি করে নোটিশ টানানো হয়েছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল হলে। এ বিষয়ে কিছু প্রশ্ন আমার মাথায় খেলা করছে। আচ্ছা আমি বাসায় কিংবা হলে কি পোশাক পরব সেটা কেন অন্য কেউ