সুখী হওয়ার মন্ত্র…

আশা-নিরাশার দোলাচলের নামই জীবন। জীবনে সুখ আসবেই আবার তীব্র দু:খবোধ জীবনকে কঠিন করে তুলবে। সুখকে আঁকড়ে ধরলেই হবে না। দু:খের সময়গুলো মোকাবেলা করার শক্তি থাকতে হবে। তবেই জীবনযুদ্ধে জয়ী হয়ে প্রকৃত সুখী হওয়া যাবে। সুখী হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো মন্ত্র নেই। তবে সুখী জীবনের জন্য রয়েছে সহজ কিছু উপায়। পাঠকের উদ্দেশ্যে

আত্মবিশ্বাসী হতে বদভ্যাসকে বিদায় দিন

আমাদের সবার আলাদা কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে। সে বৈশিষ্ট কিংবা গুণকে অনুধাবন করতে পারলে এবং লালন করলে তা জীবনকে সুন্দর করে তুলে। গুণকে বাড়িয়ে তুলতে আরো যা দরকার তা হলো আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাসী মানুষ জীবনে সকল ক্ষেত্রে সফলতা পান। কিন্তু আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিছু বদভ্যাস। আত্মবিশ্বাসী হতে হলে জীবন থেকে

জাপানে অদ্ভুত সব ক্যাফে

বেশ কিছু অদ্ভুত ধরনের ক্যাফে বা খাবার ঘর আছে জাপানে। এটা ধারণা করা হয়ে থাকে যে খাবারের সাথে জাপানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেকটা জড়িত। কেউ যদি যদি জাপানে ঘুরতে যান তবে এমন কিছু ক্যাফের দ্বারস্থ কিন্তু আপনি হতেই পারেন। কিংবা এমন ক্যাফেগুলোতে বসে আহার না করলে জাপান ভ্রমণ অনেকটাই ব্যর্থ বলে

দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তির উপায়

দুঃস্বপ্ন বাস্তব সময়কেও ভীতিকর করে দিতে পারে। এটা কেবল স্বাস্থ্যকর গভীর ঘুমকেই নষ্ট করে না, আমাদের মন ও আবেগকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের দেহের ক্ষতি মেরামত হয়। আমাদের হারানো যৌবন যেন ফিরে আসে। ভয়ংকর স্বপ্ন কেউ-ই দেখতে চান না। এটা নানা কারণে ঘটতে পারে। আপনি হয়তো জানেন

পটকাবাজির আগে প্রয়োজনীয় সতর্কতা

শুরু হয়ে গেছে আলোর উৎসব।পরিবারের সকলকে নিয়ে মেতে ওঠার দিন। নতুন জামা পরে সেজেগুজে, ঘর সাজিয়ে, বাজি না পোড়ালে আর দীপাবলির আনন্দ কি! তবে আনন্দে আত্মহারা হয়ে নিজের, পরিবারের, আশেপাশের মানুষদের সুরক্ষা, সুবিধা-অসুবিধার কথা ভুলে গেলেই কিন্তু ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করলেই আপনার উৎসব হয়ে

ফুচকা খেলেই মন খারাপ উধাও!

আমাদের আশপাশে এমন খুব কম মানুষকেই খুঁজে পাওয়া যাবে, যারা ফুচকা খেতে ভালবাসে না। ‘ফুচকা’ নামটা শুনলেই জিভে জল চলে আসে। ভারত-সহ পুরো উপমহাদেশেরই একটি বিখ্যাত জনপ্রিয় মুখরোচক খাবার ফুচকা।আমাদের কাছে এই খাবারটি এত এত প্রিয় অথচ সেই ফুচকার ব্যাপারে বিস্তারিত আমরা ক’জনই বা জানি? কুড়মুড়ে গোলাকৃতির খোলের ভেতর মশলাদার ঝাল

প্রেমে আগ্রহী নন এ যুগের তরুণ-তরুণীরা!

এ যুগের তরুণ-তরুণীরা এখন আর প্রেমে আগ্রহী নন।যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।এ গবেষণা থেকে একটি বই লিখেছেন প্রফেসর জিন তুয়েঙ্গে। সে বইয়েই তিনি জানিয়েছেন, ১৯৯৫ সালের পর জন্ম নেওয়া প্রজন্ম প্রেম করতে আগ্রহী নন। হাতের মুঠোয় থাকা স্মার্টফোনই তাঁদের সঙ্গী। প্রফেসর তুয়েঙ্গো প্রায় ১ কোটি

স্পর্শেই রোগমুক্তি!

নুয়ে পড়া, কুঁজো এক নারী শরীর শুধু হাতের স্পর্শে অজস্র মানুষের মুখে ফুটিয়ে তুলেছেন হাসি। বুকে আঙুল ছুঁইয়ে নরেনকে ঈশ্বরদর্শন করিয়েছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ। সেই স্পর্শেই অবিশ্বাস্য রোগমুক্তি। ওষুধের বালাই নেই। ইনজেকশন, অপারেশন নেই। সাইড এফেক্টের ভয় নেই। শুধু স্পর্শেই ভ্যানিশ দুরারোগ্য অসুখ। মাইগ্রেন বা আলসার। ব্লাড প্রেশার বা ডিপ্রেশন। রেইকিতে জব্দ সবই।

সিঁদুরে ভয়াবহ মাত্রার সিসা, সতর্ক করছেন গবেষকরা

কিছুদিন পরেই দুর্গা পুজা। সিঁদুর খেলা নিয়ে বাঙালির আবেগে ভাসার দিন আসছে। এর আগেই সিঁদুর নিয়ে আশঙ্কার কথা শোনালেন গবেষকরা। নিউ জার্সির পিসকাটাওয়ের রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রিত অধিকাংশ সিঁদুরেই মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে লেড (সিসা) রয়েছে। যা ডেকে আনতে পারে নানা শারীরিক সমস্যা। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে এ তথ্য

জীবন বাচাঁতে লাল মাশরুম

এম. এস. এ  মাসুম খান সৃষ্টিকর্তার হাজারও রহস্যে ঘেরা সৃষ্টির মধ্যে বিরল কিছু সৃষ্টি, শুধুই সৃষ্টির সেরা জীব মানব স্বাস্থ্যের কল্যাণে নিহিত রয়েছে অন্তকাল ধরে। সৃষ্টিকর্তার ও প্রকৃতির আর্শীবাদ পুষ্ট এমনি এক বিরল প্রজাতির উদ্ভিদ লাল মাশরুম বা গ্যানোডার্মা লুসিডাম। পৃথিবীর  প্রায় সব দেশেই প্রাচীনকাল থেকে  মাশরুম পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও জনপ্রিয়