ছ’মাস পর কেমন আছেন ধর্ষিত রোহিঙ্গা নারীরা?

ছবি- প্রতীকি

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদক ফারহানা পারভীন বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা নারীদের নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাতে ধর্ষণের স্বীকার হয়ে ছয় মাস আগে আসা নারীদের অনেকেই এখন অন্তঃসত্ত্বা। বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কেমন কাটছে তাদের জীবন? সেই চিত্রই উঠে এসেছে তার প্রতিবেদনে। উইমেন ওয়ার্ডস -এর পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা

বাংলা ভাষার জন্য বাঙালি মুসলমান মেয়েদের লড়াই

শর্মিষ্ঠা দত্তগুপ্ত ♦ ঢাকার ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে’ যেদিন প্রথম গিয়েছিলাম সে-বার বেশ বড় একটা সাদাকালো ছবির সামনে পা আটকে গিয়েছিল। ছবিটা ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বেশ কিছু শাড়ি-পড়া মেয়েদের মিছিলের। ভাষা আন্দোলনে কবি সুফিয়া কামালসহ আরও কিছু মহিলার অংশগ্রহণের কথা ভাসাভাসা জানতাম। ছবিটা আমাকে বিরাট একটা ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। দেশভাগের মাত্র পাঁচ

যৌন নির্যাতনের ভিকটিমের সঙ্গে যে আচরণ কখনোই করবেন না

যৌন নির্যাতনের শিকার হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগী নানা হয়রানির আশঙ্কায় অভিযোগ করতে চান না। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেও নানা ধরনের বিরূপ মন্তব্যের শিকার হন ভুক্তভোগীরা। পাকিস্তানে সম্প্রতি জয়নাব নামে ছয় বছর বয়সের এক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তবে জানা গেছে শুধু এ ঘটনাই নয়, সেখানে আরো

মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশি নারী কর্মীরা

হায়দার আলী সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে বা আরেকটু ভালো থাকার আশায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যাচ্চেন বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছে। যৌন নির্যাতনসহ নানাভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন তারা। বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৬ সালেই দেশে ফিরে এসেছেন ৫০০ নারী কর্মী। এঁরা মূলত বাসাবাড়িতে কাজ করার জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। জানা

মানুষের অভ্যন্তর এক্স-রে এর মতো দেখতে পান নাতাশা!

তাঁর চোখ জোড়া আর দশজনের মতো একেবারেই সাধারণ দেখতে। কিন্তু এই চোখ জোড়া দিয়ে সে ইচ্ছে করলেই দেখে ফেলতে পারে মানুষের কাপড় ভেদ করে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, একেবারে হাড় পর্যন্ত! এক্স-রে মেশিনের মতো করে বলে দিতে পারে হাড়ের কোথায় ক্ষয় আছে, ভাঙ্গা আছে ইত্যাতি। সায়েন্স ফিকশন সিনেমার সেই অতিমানবীয় কাজ-কারবার যেন। নাতাশার

ফিদেলকে লিখেছিলেন চে ‘তোমাকে ভুল বুঝেছিলাম!’

সুজয় চক্রবর্তী ফিদেল, সেই চিঠিটার কথা আপনার মনে আছে? বলিভিয়ার ভয়ঙ্কর জঙ্গল থেকে ’৬৫-র পয়লা এপ্রিলে লেখা। আপনি তখন হাভানায়। আপনাকে সবুজ কালিতে লেখা বন্ধু চে গেভারার সেই চিঠিটি কি এখনও রাখা আছে আপনার জলপাই রঙা উর্দির বুক পকেটেই? যেখানে চে লিখেছিলেন, ‘ইফ মাই ফাইনাল আওয়ার ফাইন্ডস মি আন্ডার আদার স্কাইজ, মাই লাস্ট

দগ্ধ শরীরকে নয়, ভয় শুধু আইএস’কে

ওদের গলা এখনও কানে বাজে ইয়াসমিনের। যে গলা শুনে সিঁটিয়ে গিয়েছিল বছর সতেরোর ইরাকের ইয়েজিদি কিশোরী। ওর স্থির বিশ্বাস, তাঁবুর বাইরে আইএস জঙ্গিরাই তখন কথাবার্তা বলছিল। আবার এসেছে ওরা! আশঙ্কাই যথেষ্ট ছিল। আইএস জঙ্গিদের হাতে তা হলে আবার ধর্ষিত হতে হবে। ভাবতে ভাবতে ইয়াসমিন সিদ্ধান্ত নেয়, আর নয়। এ বার কিছু

ধর্ষণে অভিযুক্ত নাবালককে সাবালক ধরেই বিচার

শুধুমাত্র নাবালক হওয়ার জন্যই নির্ভয়াকে ধর্ষণ করে খুনের মামলায় এক অপরাধীর ফাঁসির সাজা হয়নি। মাত্র তিন বছর জেল খেটে রেহাই পেয়ে গিয়েছিল সে। হইচই হয়েছিল তুমুল। কিন্তু আইনে বাঁধা ছিল আদালতের হাত। সেই আইন সংশোধন হয়েছে। আর তার জেরেই এ বার ধর্ষণে অভিযুক্ত এক নাবালককে সাবালক হিসেবে গণ্য করেই বিচারের

‘আফস্পা’ অত্যাচার : সেনার আচরণে রাশ সুপ্রিম কোর্টের

নাকে ‘রাইলস টিউব’, দেড় দশক ধরে অনশন চালিয়ে আসা ইরম শর্মিলা চানুর এই ছবিটা গোটা দুনিয়া চেনে। সাদা কাপড়ে ‘ইন্ডিয়ান আর্মি রেপ আস’ লিখে কাংলা দুর্গের সামনে মণিপুরের মায়েদের নগ্ন প্রতিবাদের ছবিটাও ১২ বছরের পুরনো। কিন্তু এত কিছুতেও মণিপুরে জওয়ানদের অত্যাচারী আচরণে রাশ টানা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। একই ভাবে

ঘুমোও ইশরাত আপা

  জয়া আহসান নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে তখন গমগম করছে আমার দেশের জাতীয়-সঙ্গীত। আমি সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে ঠোঁট মেলাচ্ছি। তখনও অনেকেই সে-ভাবে জানেন না, ঢাকায় কী চলছে। আমাকে দেখেও বাইরে থেকে হয়তো কিছু বোঝার জো নেই। কিন্তু আমার ভেতরটা ফালা-ফালা হয়ে যাচ্ছে। আমি যে তত ক্ষণে খবর পেয়েছি, গুলশনের বেকারিতে ঢুকে