You are here
নীড়পাতা > প্রতিবেদন > মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী (পর্ব:৭)

মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী (পর্ব:৭)

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছিল আবালবৃদ্ধবনিতা, ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-মুটে-মজুর-কুলি, পেশাজীবি-শ্রমজীবী সবাই। মুক্তির আকাঙ্খায় মুছে গিয়েছিল ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-অবস্থানভেদ। মুক্তিযুদ্ধে সংগ্রামের, ত্যাগের, সহ্যের, সাহসের এক অকৃত্রিম তুলনাহীন ভূমিকা পালন করেছিলেন আমাদের নারীরা। মুক্তিযুদ্ধে সিলেট অঞ্চলের নারীদের ভূমিকা নিয়ে  ‘মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী’ শিরোনামের ধারাবাহিক প্রবন্ধটি উইমেন ওয়ার্ডস  এর পাঠকদের জন্য লিখেছেন–

অপূর্ব শর্মা

সংগঠক ছিলেন যারা

মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন নারীরা। কি দেশে, কি প্রবাসে-সবখানেই গতিশীল ছিলেন তারা। তাদের সেই অবদানের কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তারপরও তারা থেকে গেছেন আড়ালে! মুক্তিযুদ্ধে পুরুষের অবদান যেভাবে উঠে এসেছে, ঠিক সেভাবে উঠে আসেনি নারীদের অংশগ্রহনের কথা। দুঃসময়ে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করেছেন নিজেদের শক্তি, সামর্থ অনুযায়ি। দেশ মাতৃকার প্রয়োজনে নারীদের যে যে কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে তা তারা পালন করেছেন যথাযথভাবে। মুক্তিযুদ্ধে সংগঠককের ভূমিকা পালন করা নারীদের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই পর্বে।

রায়হানা শফি
মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে রায়হানা শফি অবস্থান করছিলেন চট্টগ্রামে। স্বামীর কর্মক্ষেত্র সেখানে থাকায় চট্টগ্রাম শহরের সিআরবি কলোনীতে তখন তাঁর আবাস। স্বামী শফি আহমদ ছিলেন ইষ্টার্ন রেলওয়ের চীফ প্লানিং অফিসার। শফি আহমদের প্রেরণায় রায়হানা শফি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। রাজনীতিকে গণমানুষের অধিকার আদায়ের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন। কর্মদক্ষতার পুরস্কার হিসেবে চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ রেলওয়ে শাখার সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে।
উত্তাল মার্চের দিনগুলোতে তাদের আবাসস্থল পরিনত হয় রাজনৈতিক নেতাদের গোপন আস্তানায়। প্রায় প্রতিদিনই সেখানে বৈঠক হতো। সেখানে আসতেন কর্ণেল এম আর চৌধুরী, ক্যাপ্টেন আমিন আহমদ, ক্যাপ্টেন হারুন আহমদ, এম.আর সিদ্দিকী, জহুর আহমদ চৌধুরী, এম.এ.মান্নান, মেজর জিয়া, মেজর রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। সেইসব গোপন বৈঠকে রায়হানা শফিও অংশ নিতেন।
রায়হানা শফির জন্ম সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার কানিশাইলে। পিতা আজিজুস সামাদ চৌধুরী ছিলেন উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় বিয়ে হয় তাঁর।
১৯৭১ সালে চার মাসের সন্তান সম্ভবা ছিলেন রায়হানা শফি। তবে, শারিরীক সমস্যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারেনি তাঁর পথচলায়। সময়ের প্রয়োজনে তিনি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহন করেন। চট্টগ্রাম রেলওয়ে কলোনী এবং শ্রমিক পাড়ায় মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করতে তিনি নিরলশ কাজ করেছেন। সেইসাথে অবাঙালি অফিসারদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন অবলীলায়। মুক্তিসংগ্রামের প্রাক্কালে তাঁর অন্যতম সাফল্য চাঁদা আদায়। দুঃসহ সেই সময়ে তিনি এক লক্ষ টাকা চাঁদা উত্তোলন করে বঙ্গবন্ধুর তহবিলে জমা দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে পাকহানাদারদের হাতে শহীদ হন তাঁর স্বামী শফি আহমদ। চট্টগ্রামের ফয়েজ লেকে তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক পশুর দল।

নিবেদিতা দাশপুরকায়স্থ
ড. নিবেদিতা দাশপুরকায়স্থ ১৯৫০ সালের ৫ আগস্ট বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম এডভোকেট বিরজা মোহন দাশ পুরকায়স্থ, মাতা ঊষা দাশপুরকায়স্থ। মুক্তি সংগ্রামে তিনি করিমগঞ্জ এবং কলকাতার লবনহৃদে শরনার্থী শিবিরে কাজ করেন।
মেঘালয়ে প্রচারকাজের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য সেই সময় একটি সাংস্কৃতিক দল গঠন করা হয়। এই সাংস্কৃতিক দল গঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। এই দলের উদ্যোগে বেশ কয়েকটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর প্রত্যেকটিতেই অংশগ্রহন করেছেন তিনি। সে সব অনুষ্ঠানে তাঁর লেখা গীতি নকশা পরিবেশিত হয়।
শুধু সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথেই সম্পৃক্ত ছিলেন না; ভারতে মুক্তিযুদ্ধের জন্য তহবিল গঠনেও নিবেদিত ছিলেন নিবেদিতা। সেইসাথে শিলংয়ের হাসপাতালে চিকিৎসারত আহত মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা নারীদের খবর সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করেন। আহত গেরিলাদের সেবায় আত্মনিয়োগ করে তাদের জন্য ব্যান্ডেজ, তুলা, এন্টিসেপটিক, পেইনকিলার, স্যালাইন, জ্বরের ঔষধসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরীতে ভারতীয় পত্র-পত্রিকাতেও লেখালেখি করেছেন তিনি। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

রত্না চক্রবর্তী
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সুনামগঞ্জের মেয়ে রত্না চক্রবর্তীর ভূমিকা উল্লেখ করার মতো। পরিবারের সব সদস্য যখন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন, তখন রত্নাও যুক্ত হন স্বাধীকার আদায়ের আন্দোলনে। সুনামগঞ্জে ২৫ মার্চের পূর্বে অনুষ্ঠিত সকল মিছিল সমাবেশে তিনি
অংশগ্রহণ করেছেন দৃঢ় প্রত্যয়ে। গানের গলা ভাল থাকায় গণসঙ্গীতের মাধ্যমে ঝড় তুলতেন তিনি।
শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, সুনামগঞ্জ পাক হানাদারদের দখলে চলে গেলে রত্না চক্রবর্তী অন্যান্যদের সাথে ওপারে পাড়ি জমান। শুরু হয় তাঁর যাযাবর জীবন। ছোট ভাই মৃদুল কান্তি চক্রবর্তীকে সাথে নিয়ে ভারতের মেঘালয়, শিলং, বালাট, মাইলাম শরনার্থী শিবিরে গান গেয়ে বেড়িয়েছেন। সঙ্গীতের মাধ্যমে মুক্তিকামীদের শুধু উজ্জীবিত-ই করেননি তিনি সেই সাথে ‘বাংলাদেশ বুলেটিন’ নামে একটি পত্রিকা বিক্রি করতেন; এই পত্রিকা বিক্রির সমুদয় অর্থ তুলে দেওয়া হতো অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
রত্না চক্রবর্তী ১৯৫৪ সালে সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম মনোরঞ্জন চক্রবর্তী। মাতা দীপালি চক্রবর্তী। মা বাবার উৎসাহ অনুপ্রেরণায় তিনি মুক্তিপথের অভিযাত্রী হন। ১৯৭৮ সালে শ্রীমঙ্গলের প্রফেসর নিখিল ভট্টাচার্যের সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

নিবেদিতা দাশ
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিবেদিতা দাশের বয়স ছিল ১৮ বছর। ছিলেন এক সন্তানে জননী। দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে স্বামী অনিল দাশ নিরাপদ স্থানে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নেন। সিলেট নগরীর আম্বরখানা এলাকার লোহাড়াপড়ার বাসা থেকে অনিল দাশ স্ত্রী, সন্তান ও মাকে নিয়ে ২৪ মার্চ রাতে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। অনেকদিনের দুর্গম পথ পেরিয়ে নিবেদিতাদাশরা গিয়ে পৌছেন ভারতের চেলা শরনার্থী ক্যাম্পে। সেখানে প্রায় পয়ত্রিশ হাজার শরনার্থী ছিলো। শরনাথীদের উজ্জীবিত করে তাদের বিভিন্ন কাজে লাগাতে চেলা মুক্তিফৌজ সহায়ক কমিটি, মহিলা শাখা গঠন করা হয়। এই কমিটির সভাপতি ছিলেন প্রীতিরানী দাশ পুরকায়স্থ আর সাধারণ সম্পাদক নিবেদিতা দাশ।
এই সংগঠনের সদস্যরা শরনার্থী ক্যাম্পের নারীদের বিভিন্ন হস্তশিল্পে প্রশিক্ষণ দিতেন। এছাড়াও আহত মুক্তিযোদ্ধা ও ক্যাম্পের অসুস্থদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতেন। এই সংগঠনের তত্বাবধানে চেলায় বাঁশ ও ছন দিয়ে একটি মিনি হাসপাতাল নির্মান করা হয়। দু’জন চিকিৎসক এখানে আহত মুক্তিযোদ্ধা ও ক্যাম্পের অসুস্থদের চিকিৎসা প্রদান করতেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে আসা অনেক মুক্তিযোদ্ধাকেও চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এই হাসপাতালে। নিবেদিতা দাশদের কাজ ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা। এজন্য ক্যাম্পের প্রতিটি ঘর থেকে রিলিফ হিসেবে পাওয়া চাল ও ডাল সংগ্রহ করতেন তারা।
নিবেদিতা ১৯৫৪ সালে সিলেটের বিশ্বনাথে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর বাবা নলিনী কান্ত দাশ, মা স্নেহলতা দাশ। ১৯৬৮ সালে সিলেট নগরীর আম্বরখানা লোহাড়পাড়া এলাকার প্রকৌশলী অনিল দাশের সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

রাখী দাশপুরকায়স্থ
মুক্তিযুদ্ধকালে রাখী দাশপুরকায়স্থ ইডেন কলেজের ডিগ্রীর ছাত্রী ছিলেন। সম্পৃক্ত ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সাথে। উত্তাল মার্চে তিনি যখন স্বাধীনতার দাবীতে মিছিল মিটিং সভা নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় ১৪ মার্চ তার পিতা এডভোকেট বিরজা মোহন দাশপুরকায়স্থ তাঁকে সিলেটে নিয়ে আসার জন্য ঢাকায় পৌছেন। রাখী দাশপুরকায়স্থের ইচ্ছে ছিল ঢাকায় অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের। সে কারনে তিনি সিলেট আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিন্তু নিজ সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে সিলেটে আসতে হয় তাঁকে। সিলেটে এসে ছাত্র ইউনিয়নের উদ্যোগে পাড়ায় পাড়ায় ব্রিগেড গড়ে তোলা এবং অস্ত্র চালনা শিক্ষার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মসূচির সাথে সম্পৃক্ত হন তিনি। মহিলা পরিষদে মা ঊষা দাশপুরকায়স্থের সাথেও কাজ করেন।
২৬ মার্চের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌছালে জকিগঞ্জের সুতারকান্দি সীমান্ত দিয়ে ১৯ এপ্রিল আসামের কাছার জেলার করিমগঞ্জে পৌছান। সেখান থেকে মেঘালয়ের রাজধানী শিলং গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য একটি সাংস্কৃতিক দল গঠনে ভূমিকা রাখেন। এই সাংস্কৃতিক দলের নেতৃত্বে ছিলেন মণীষা চক্রবর্তী। একই সময়ে ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আহত মুক্তিযোদ্ধা ও নির্যাতিতা মেয়েদের দেখাশুনা এবং খবর সংগ্রহে কিছুদিন কাজ করেন। পরবর্তীতে করিমগঞ্জের গাছকালিবাড়ি রোডের হিন্দি স্কুলে স্থাপিত বেইজ ক্যাম্পের সাথে সম্পৃক্ত হন।
রাখী দাশ পুরকায়স্থ এডভোকেট বিরজা মোহন দাশ পুরকায়স্থ এবং নারী নেত্রী ঊষা দাশপুরকায়স্থের তৃতীয় সন্তান। প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ পঙ্কজ ভট্টাচার্য তাঁর জীবনসঙ্গি।

তথ্যসূত্র
১. তাজুল মোহামম্মদ, জোবায়দা খাতুন চৌধুরী: সংগ্রামী নারীর জীবনালেখ্য, সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা ২০০৮
২. ফাহমীদা রশীদ চৌধুরী ও অপূর্ব শর্মা সম্পাদিত, সিরাজুন্নেসা চৌধুরী জন্মশতবর্ষ স্মারকগ্রন্থ, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, ঢাকা ২০২০
৩. সুহাসিনী দাস সংবর্ধনা গ্রন্থ, সম্পাদনা পরিষদ, সিলেট ১৯৯৯
৪. শামসাদ হুসাম ও মাসুম রহমান আকাশ, কালের ক্যানভাসে যারা, শেকড়ের সন্ধানে, সিলেট, ২০০২
৫. রনেন্দ্র তালুকদার পিংকু, সুনামঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ, প্রকাশক সামছ উদ্দিন সামাদ, ২০০৮
৬.তাজুল মোহাম্মদ, হেনা দাস: জীবন নিবেদিত মুক্তির প্রয়াসে, সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা ২০০৯
৭. হেনা দাস, স্মৃতিময় ’৭১, সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা ১৯৯১
৮. ছায়াতরু, ঊষা দাশপুরকায়স্থ স্মৃতি রক্ষা পরিষদ, সিলেট, ২০০৮
৯. এ.জেড লায়লা জেবীন (শামীমা), আমার মা, অপ্রকাশিত প্রবন্ধ, ২০১২
১০. মুক্তিপথের অভিযাত্রী: আমীনূর রশীদ চৌধূরী, সাহিত্য প্রকাশ, ঢাকা ২০১১
১১. সমাজ সেবী ও মহিলা পরিষদ নেত্রী খোদেজা কিবরিয়ার, রোখসান সীমা শবনম, ঢাকা, ২০১২
১২. জাহানারা আফসার-এর সাক্ষাৎকার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১২
১৩. একাত্তরের বিজয়িনী, দৈনিক কালের কন্ঠ, ৯ মার্চ ২০১১
১৪. রতœা চক্রবর্তীর সাক্ষাৎকার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১২
১৫. নিবেদিতা দাশের সাক্ষাৎকার, ৯ নভেম্বর, ২০১২
১৬. আমাদের একাত্তর, সম্পাদনা তাজুল মোহাম্মদ, উৎস প্রকাশন, ঢাকা ২০০৯

আগের অংশ পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী (পর্ব:৬)

 

Similar Articles

Leave a Reply