You are here
নীড়পাতা > সংবাদ > বাংলাদেশ > যৌন হয়রানির মামলায় আহসানউল্লাহর শিক্ষকের বিচার শুরু

যৌন হয়রানির মামলায় আহসানউল্লাহর শিক্ষকের বিচার শুরু

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

ছাত্রীদের যৌন হয়রানির মামলায় আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে আদালত পৃথক তিনটি অভিযোগ গঠন করেছে। এর মধ্য দিয়ে তাঁর বিচার শুরু হলো।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ শফিউল আজম আজ বৃহস্পতিবার এই অভিযোগ গঠন করেন। তিনি ১৫ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেছেন।

ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মোহাম্মদ আলী আকবর বলেন, মাহফুজুরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ও ৯ (৪খ) ধারায়, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮ ধারা এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনের ৯ (খ) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত ফেরদৌসকে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আজ আদালতে হাজির করা হয়। বিচারকের প্রশ্নের জবাবে তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং ন্যায়বিচার চান।

ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করার অভিযোগ ওঠার পর শিক্ষার্থীরা মাহফুজুরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। এরপর গত ৩০ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহফুজুরকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত ৪ মে কলাবাগান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরের দিন রমনা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই মাহফুজুরের বিরুদ্ধে পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আফরোজ আইরিন কলি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ অক্টোবর এই মামলার অভিযোগ গ্রহণের শুনানি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রী গত ৫ মে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দেন।

ওই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, শিক্ষক ফেরদৌস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং প্রশ্নপত্র ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এক ছাত্রীর সরলতার সুযোগে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং তার ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।

সূত্র: বিডিনিউজ২৪, প্রথম আলো

 

Similar Articles

Leave a Reply