You are here
নীড়পাতা > প্রতিবেদন > মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী (পর্ব:৫)

মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী (পর্ব:৫)

আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে এক কাতারে এসে দাঁড়িয়েছিল আবালবৃদ্ধবনিতা, ছাত্র-শিক্ষক, কৃষক-মুটে-মজুর-কুলি, পেশাজীবি-শ্রমজীবী সবাই। মুক্তির আকাঙ্খায় মুছে গিয়েছিল ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-অবস্থানভেদ। মুক্তিযুদ্ধে সংগ্রামের, ত্যাগের, সহ্যের, সাহসের এক অকৃত্রিম তুলনাহীন ভূমিকা পালন করেছিলেন আমাদের নারীরা। মুক্তিযুদ্ধে সিলেট অঞ্চলের নারীদের ভূমিকা নিয়ে  ‘মুক্তিযুদ্ধে সিলেটের নারী’ শিরোনামের ধারাবাহিক প্রবন্ধটি উইমেন ওয়ার্ডস  এর পাঠকদের জন্য লিখেছেন–

অপূর্ব শর্মা

সংগঠক ছিলেন যারা

মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন নারীরা। কি দেশে, কি প্রবাসে-সবখানেই গতিশীল ছিলেন তারা। তাদের সেই অবদানের কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তারপরও তারা থেকে গেছেন আড়ালে! মুক্তিযুদ্ধে পুরুষের অবদান যেভাবে উঠে এসেছে, ঠিক সেভাবে উঠে আসেনি নারীদের অংশগ্রহনের কথা। দুঃসময়ে নারীরা পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করেছেন নিজেদের শক্তি, সামর্থ অনুযায়ি। দেশ মাতৃকার প্রয়োজনে নারীদের যে যে কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে তা তারা পালন করেছেন যথাযথভাবে। মুক্তিযুদ্ধে সংগঠককের ভূমিকা পালন করা নারীদের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই পর্বে।

 ঊষা দাশ পুরকায়স্থ

মুক্তিসংগ্রামে সিলেটের যে সকল নারী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ঊষা দাশপুরকায়স্থ। প্রগতিধারার এই নারী নেত্রী স্বাধীকার আদায়ের দাবীতে ছিলেন সোচ্চার। পরাধীনতার শৃংখল থেকে দেশকে মুক্ত করতে তিনি নেমেছিলেন রাজপথে। অবতীর্ন হয়েছিলেন সংগঠকের ভূমিকায়।

ঊষা দাশ পুরকায়স্থ ছিলেন সিলেট মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী। একাত্তরের মার্চের অগ্নিগর্ভ সময়ে মহিলা পরিষদ ছিল প্রতিবাদমুখর। মহিলা পরিষদের উদ্যোগে সিলেটের অলিতে গলিতে সভা, মিছিল মিটিং পিকেটিংয়ের কাজ চলে তাঁর তত্বাবধানে। মুক্তিকামী মানুষকে জাগ্রত করে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ ‘ পাকিস্তান দিবস’ এ কালো পতাকা নিয়ে সিলেট শহরে নারীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন ঊষা দাশ।

২৫ মার্চের পর সিলেট নগরীর দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে যায়। সেই পরিস্থিতিতেও নিজেকে গুটিয়ে রাখেন নি তিনি। মুক্তিকামী মানুষের জন্য কিছু করতে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়েছেন। ৩০ মার্চ ভোরে পুলিশ লেন থেকে চারজন বিদ্রোহী সিপাই এসে তাঁর কাছে আশ্রয় চাইলে তিনি নিজ বাসায় তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। একদিন, একরাত তারা তাঁর রান্নাঘরের মাচায় কৌশলে লুকিয়ে ছিল। ৩১ মার্চ তারা নিরাপদে অন্যত্র পাড়ি জমায়। গন্তব্যে পৌছতে যাতে তাদের কোন অসুবিধা না হয় সে জন্য যাবার সময় তিনি তাদের হাতে কিছু টাকা তুলে দেন। শুধু এই পুলিশ সদস্যরাই নন, ২৬ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনেক মেডিক্যাল ছাত্র ও কর্মী তাঁর আশ্রয়ে ছিলেন।

পাকবাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতন, গনহত্যা এবং ধংসযজ্ঞের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে থাকা সমিচিন হবেনা বুঝতে পেরে ঊষা দাশ স্বামী, শিশুপুত্র ও কন্যাদের নিয়ে ভারতের মেঘালয়ে চলে যান। সেখানে প্রগতিশীল নেতা-কর্মীদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সহায়তা এবং সাহায্য সংগ্রহের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। শুধুমাত্র নিজেকেই এইসব কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করেননি তিনি, তাঁর প্রেরণায় তাঁর দুই কন্যা নিবেদিতা দাশ পুরকায়স্থ ও রাখী দাশ পুরকায়স্থ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে নানা কাজে অংশ নেন।

ঊষা দাশপুরকায়স্থের পৈত্রিক নিবাস ছিল সিলেটের গোয়লাবাজারের দাশপাড়া গ্রামে। পিতা দিনেশ চন্দ্র দাশগুপ্ত, মাতা, স্নেহপ্রভা দাশগুপ্ত। পিতার কর্মস্থল ছিল অবিভক্ত ভারতের শিলং-এ। সেখানেই ১৯২৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহন করেন। ১৯৪২ সালের অক্টোবর মাসে বিয়ানীবাজার থানার লাউতা গ্রামের এডভোকেট বিরজামোহন দাশ পুরকায়স্থের সাথে তাঁর বিয়ে হয়।  ২০০৫ সালের ১ জুন তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ষোড়শী চক্রবর্তী

মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করেছেন ষোড়শী চক্রবর্তী। সাধারণকে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত করতে তিনি ছিলেন অন্তপ্রাণ। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী এই নেত্রী প্রতিটি প্রগতিবাদী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৬৯ এর গণআন্দোলনের সময় সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সিলেটের মহিলা সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তিনি। এই সমাবেশে মতিয়া চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট মহিলা পরিষদের প্রচার সম্পাদিকা ছিলেন ষোড়শী চক্রবর্তী। মুক্তিসংগ্রামের সময় প্রচারের দায়িত্বটি তিনি যথাযথভাবেই পালন করেন। মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে সিলেট নগরীতে অনুষ্ঠিত সকল কর্মসূচিতে জনগনকে সম্পৃক্ত করতে তিনি যেভাবে প্রচারণা চালান তা সিলেটের ইতিহাসে বিরল। কোনো নারী হিসেবে সিলেটে তিনিই প্রথম মাইক হাতে রিকশায় চেপে প্রচারণা চালানোর সাহস দেখান। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ  ‘পাকিস্তান দিবস’ এ কালো পতাকা নিয়ে সিলেট শহরে নারীরা যে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তার অগ্রভাগে ছিলেন তিনি।

সিলেট পাকহানাদার বাহিনীর দখলে চলে গেলে অন্যান্যদের সাথে তিনিও ওপারে পাড়ি জমান। ভারতের সোনাখিরা শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করেন মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়। পূর্বে গ্রহন করা নার্সিং প্রশিক্ষন এসময় কাজে লাগান তিনি। আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিয়োজিত হন ষোড়শী। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে ক্যাম্পে ক্যাম্পে তৎপরতা চালান।

মুক্তিযুদ্ধের সাথে শুধু নিজেই সম্পৃক্ত ছিলেন না তিনি, ছেলে অঞ্জন চক্রবর্তী মুক্তিসংগ্রামে যাতে অংশ নেন সেজন্য তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেন। ভারতের করিমগঞ্জের হিন্দি স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া ছেলেকে বিদায় জানান তিনি। ষোড়শী চক্রবর্তীর উৎসাহ অনুপ্রেরণায় দেশকে শত্রু মুক্ত করতে বহিঃশত্রুর উপর ঝাপিয়ে পড়েন অঞ্জন চক্রবর্তী।

ষোড়শী চক্রবর্তী বিশ্বনাথ থানার জানাইয়া গ্রামে ১৯২৭ সালে (আনু) জন্মগ্রহন করেন। পিতা পদ্মলোচন চক্রবর্তী, মাতা স্বর্ণলতা দেবী। ষোড়শীর বয়স যখন চার বছর তখন তাঁর পিতার মৃত্যু হয়। মায়ের তত্বাবধানে বেড়ে উঠেন ষোড়শী। ১৯৪৬ সালে ছাতকের শিমুলতলা গ্রামের অনিল কুমার চক্রবর্তীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৯২ সালের ৫ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আলম রওশন চৌধুরী

আলম রওশন চৌধুরী ১৯৩২ সালের ৯ নভেম্বর সিলেটে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম আব্দুজ জাহির চৌধুরী। তাদের আদি নিবাস ছিলো ফুলবাড়ী এলাকায়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আলম রওশন চৌধুরী অংশগ্রহন করেন। ১৯৫৫ সালে আওয়ামীলীগ নেতা দেওয়ান ফরিদ গাজীর সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

আলম রওশন চৌধুরী পরিবারিকভাবেই রাজনীতি সচেতন ছিলেন। সে কারনে স্বামী ফরিদ গাজীর রাজনীতিতে প্রতিবন্ধকতার কারণ না হয়ে নিজেও জড়িত হন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে। দেওয়ান ফরিদ গাজীর অনুপ্রেরণায় অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।

৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় সিলেটে অনুষ্ঠিত নারীদের সমাবেশের উদ্যোক্তাদের অন্যতম ছিলেন তিনি। সমাবেশের দিন সিলেট শহরে কালো পতাকা নিয়ে নারীরা একটি মিছিল বের করেন। এই মিছিলে অগ্রভাবে থেকে তিনি শ্লোগানে প্রকম্পিত করেছেন রাজপথ। সময়ের সাথে সাথে রাজনীতিতে অপরিহার্য্য হয়ে উঠেন রওশন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় তাদের শেখঘাটের আবাসস্থলটি আওয়ামী লীগ অফিসে পরিনত হয়। নির্বাচনের প্রাথী স্বামী দেওয়ান ফরিদগাজির পক্ষে প্রচারণায় নামেন তিনি। এই নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহ করতে তাঁর হাতের গহনা বিক্রি করে দিতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। নির্বাচনে জয় লাভ করেন ফরিদ গাজী।

অসহযোগ আন্দোলন শুরু হলে এই আন্দোলনের সাথে নারীদের সম্পৃক্ত করতে তৎপরতা চালান রওশন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে অসংখ্য নারী যোগ দেন আন্দোলনে। মার্চের উত্তাল দিনগুলোতে সিলেট নগরীতে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের প্রতিটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি।

২৩ শে মার্চ সিলেটের ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ তাদের শেখঘাটের বাসায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। সেখানে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। ২৫ শে মার্চ রাতে পাক আর্মির হামলা চালানোর আগাম খবর পেয়ে তিনি শহরের কুয়াপাড়ে এলাকায় আত্মগোপন করেন। খবর পেয়ে সেখানে ২৭ এপ্রিল হানা দেয় পাক আর্মি। কিন্তু কৌশলে সন্তানদের নিয়ে আত্মরক্ষা করতে সক্ষম হন। এরপর ফুলবাড়িতে চলে যান। সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করে গ্রামের বাড়ি নবীগঞ্জের দিনারপুরে পাড়ি জমান। বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর নিরাপদ স্থানে পাড়ি জমাতে সন্তানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ২৮ এপ্রিল রাতে শ্রীমঙ্গল সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে যান। ভারতের করিমগঞ্জ কলেজ হোষ্টেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা হয়। তাদের অবস্থান স্থলে প্রতিদিনই শরনার্থীদের ভিড় জমতো। আগত যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য ট্রেনিং ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করতেন তিনি। অগণিত শরনার্থীর থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। সেখানে ফরিদ গাজীর সাথে দেখা করতে আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ এবং মুক্তিযোদ্ধারা আসতেন। তাদেরকেও দেখভাল করতে হতো তাঁকে।

দেশ স্বাধীন হলে মহিলা আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য নারীদেরকে সংঘটিত করে শরণার্থী শিবির থেকে ফিরে আসা লোকজনকে পুনর্বাসন করতে আত্মনিয়োগ করেন তিনি। চাঁদা তুলে যাকে যতটুকু সম্ভব সাধ্যমত সহায়তা করতে কার্পণ্য বোধ করেন নি। ১৯৯৫ সালের ৩ নভেম্বর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

দীপালি চক্রবর্তী

দীপালি চক্রবর্তী ১৯৩৩ সালের ৫ জানুয়ারি জগন্নাথপুর থানার ভবানীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সত্যেন্দ্র নাথ চৌধুরী, মাতা হীরালতা চৌধুরী। ১৯৪৭ সালে সুনামগঞ্জের মনোরঞ্জন চক্রবর্তীর সাথে তাঁর বিয়ে হয়।

দীপালি চক্রবর্তী ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের একনিষ্ঠ কর্মী, সুনামগঞ্জ মহিলা সমিতির কর্ণধার ও নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবিকা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সুনামগঞ্জের গ্রাম পর্যায়ে জনগনকে সংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দীপালি চক্রবর্তী ভারতের বালাটে অবস্থান করেন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার, অস্ত্রসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। বালাটে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে অবস্থানকালীন সময়ে ওই এলাকায় মহামারি আকারে কলেরা দেখা দেয়। স্থানীয় আদিবাসী খাসিয়ারা এই কলেরার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদেরকে দায়ী করেন। এ নিয়ে বিরোধ বাধে। যুদ্ধকালীন সময়ে এই রূপ পরিস্থিতি সংকট সৃষ্টি করে। দীপালি চক্রবর্তী উদ্যোগী হয়ে এই বিরোধ নিবারণ করেন।

সেই সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য মতিয়া চৌধুরী আসামে পৌছেন। সেজন্য একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশ আয়োজনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন দীপালি চক্রবর্তী।

দীপালি চক্রবর্তী শুধু নিজেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন নি, তাঁর উৎসাহ অনুপ্রেরণায় তাঁর ২ ছেলে এবং ১ মেয়ে পরাধীনতার শৃংখল মুক্তির আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। ২০০৩ সালের ৩১ মে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

 

Similar Articles

Leave a Reply