You are here
নীড়পাতা > সংবাদ > বাংলাদেশ > ব্লগার রাজিব হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন: হাইকোর্ট

ব্লগার রাজিব হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন: হাইকোর্ট

গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যা মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে। এ হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি গ্রহণ শেষ হয়েছে।

বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর ২২ দিন শুনানি শেষে আজ সোমবার মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি গ্রহণ শুরু হয় গত বছরের ৭ নভেম্বর। নিম্ন আদালতের রায়ের ১০ মাসের মাথায় উচ্চ আদালতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচিত ওই মামলার শুনানি শুরু হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আতিকুল হক সেলিম। আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুর রেজাক খান ও মো. আহসান উল্লাহ।

পরে আতিকুল হক সেলিম বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাওয়া দুজনের মধ্যে পলাতক আসামি রানা আপিল করেননি। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর এক আসামি ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপসহ সাতজন আপিল করেন। ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে অপর সাত আসামির আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। হাইকোর্ট মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। এখন যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে।

রাজধানীর পল্লবীতে নিজ বাসার সামনে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই মামলায় গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ রায় দেন। রায়ে জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য রেদোয়ানুল আজাদ রানা ও ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

আসামিদের মধ্যে মাকসুর হাসান অনিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এহসান রেজা রুম্মান, নাঈম ইরাদ ও নাফিজ ইমতিয়াজকে দশ বছর করে এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের প্রধান মুফতি মো. জসিমুদ্দিন রাহমানীকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও সাদমান ইয়াছির মাহমুদকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জসিমুদ্দিন রাহমানী ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত বাকি আসামিরা নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

Similar Articles

Leave a Reply