You are here
নীড়পাতা > ফিচার > স্পটলাইট > বাঙালি ষোড়শী পেল আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার

বাঙালি ষোড়শী পেল আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বিশ্বের চোখে অনন্যা হয়ে উঠেছেন কেহকাশান বসু। নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে ১২০ জন নমিনির মধ্যে থেকে আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য বেছে নেয়া হল সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত এই পরিবেশবাদীকে। জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে তার লড়াই এবং পরিবশের ক্ষয় রোধে প্রচেষ্টা চালানোর জন্য তাকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। কেহকাশান একজন ভারতীয় বাঙালি। আর তাঁর হাতে এই পুরস্কার তুলে দিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী আরও এক বাঙালি মহম্মদ ইউনুস।

পুরস্কার তুলে দিয়ে ইউনুস তাঁর ভাষণে বলেন, ‘এত কম বয়সে এই চিন্তা ওঁকে অন্যদের থেকে আলাদ করেছে। এটা সমাজের পক্ষেও মঙ্গল। বেঁচে থাকার জন্য সুস্থ প্রাকৃতিক পরিবেশের সব থেকে বেশি প্রয়োজন। প্রত্যেক বছর প্রায় ৩০ লাখ শিশু সারা বিশ্ব জুড়ে নানা অসুখে মারা যায়। এর পেছনে দুষিত পরিবেশই মূলত দায়ী। আরও কত শিশু অসুস্থ হয় তা গুণে শেষ করা যাবে না। কেহকাশান দেখাচ্ছে আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব দায়িত্ব আছে সুস্থ প্রাকৃতিক পরিবেশ বজায় রাখতে। ’

পুরস্কার জিতে ইচ্ছ্বসিত কেহকাশান বলেন, ‘শিশু হোক বা প্রাপ্তবয়স্ক, আমি প্রত্যেককেই উৎসাহ দিই যাতে তাঁরা এই পরিবেশের জন্য কাজ করেন। প্রত্যেকে চাইলে সামান্য পরিবর্তন আতে পারেন। সময়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা বেশ পিছিয়ে। আর দেরি করলে খুবই মুশকিল হবে। আমাদের প্রত্যেককে এর জন্য কাজ করতে হবে। তানাহলে আমরা দেখব সব মেরু ভালুকেরা পাম গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। ’

কেহকাশানের বয়স যখন ছিল মাত্র ৮, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব সম্পর্কে সে প্রতিবেশীদের শিক্ষা দেয়া শুরু করে। তখন সে প্রথমবারের মত গাছের চারা রোপণ করে এবং সব বাচ্চাদেরকে নিয়ে একসাথে আবর্জনা সংগ্রহ  ও পূণর্ব্যবহারের কাজ করে।

কেহকাশান বসু ১২ বছর বয়সে গ্রিন হোপ নামে নামের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করায়, যার মধ্য দিয়ে সে অসংখ্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালায়। তখন সে জাতিসংঘের পরিবেশবাদী কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত মেজর গ্রুপ ফর চিল্ড্রেন অ্যান্ড ইয়ুথ এর সর্ব কনিষ্ঠ  বৈশ্বিক সমন্বয়কারী হয়ে ওঠে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

Similar Articles

Leave a Reply