You are here
নীড়পাতা > নারীর অগ্রযাত্রা > বিজয়লক্ষ্মী > ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী পেলেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী পেলেন মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি

ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করেছে  জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল।

কাউন্সিলের ৩৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেরদৌসীকে মুক্তিযোদ্ধার (বীরাঙ্গনা) স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০০২–এর ৭ (ঝ)–এর ধারা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন তিনি।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এর আগে আরও ১২২ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ হয়েছিল। এ পর্যন্ত মোট ১২৩ জনকে  স্বীকৃতি দিল সরকার। তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের মত সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসরদের হাতে নির্যাতিত নারীদের ১৯৭২ সালে ‘বীরাঙ্গনা’ স্বীকৃতি দিয়ে সম্মান জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।বীরাঙ্গনাদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত এই কাজ চালু ছিল।

সে সময় সামরিক শাসকরা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে পাকিস্তানি জান্তার সহযোগীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করেন।

বর্তমান সরকার বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এরইমধ্যে এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনাও আসে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ২০১৪ সালের ১০ অক্টোবর বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জাতীয় সংসদে সেই প্রস্তাব পাস হয় গত বছরের ২৯ জানুয়ারি ।

 

Similar Articles

Leave a Reply