You are here
নীড়পাতা > প্রতিবেদন > পটকাবাজির আগে প্রয়োজনীয় সতর্কতা

পটকাবাজির আগে প্রয়োজনীয় সতর্কতা

আর মাত্র দুই দিন পর আলোর উৎসব।পরিবারের সকলকে নিয়ে মেতে ওঠার দিন এসে গেল। নতুন জামা পরে সেজেগুজে, ঘর সাজিয়ে, বাজি না পোড়ালে আর দীপাবলির আনন্দ কি! তবে আনন্দে আত্মহারা হয়ে নিজের, পরিবারের, আশেপাশের মানুষদের সুরক্ষা, সুবিধা-অসুবিধার কথা ভুলে গেলেই কিন্তু ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ। তাই একটু সাবধানতা অবলম্বন করলেই আপনার উৎসব হয়ে উঠতে পারে আনন্দমুখর।

পোশাক: কালীপুজোয় বাজি পোড়াতে সকলেই ভালবাসেন। আবার কালীপুজো, দীপাবলি মানেই সাজগোজ। যেমন খুশি সাজুন পুজোর সময়। কিন্তু বাড়ি পোড়ানোর সময় অবশ্যই সিন্থেটিক নয়, একেবারে সুতির পোশাক পরে তবেই বাড়ি পোড়াতে আসুন।

বাজি: খেয়াল রাখতে হবে বাজি কেনার সময়ও। বেআইনি দোকান থেকে কিনবেন না। আইনত স্বীকৃত বাজি প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে ভাল মানের বাজি কিনুন। বাজি ভাল মানের হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমে।

বাচ্চাদের প্রতি খেয়াল: বাড়ির বাইরে বাজি পোড়াতে নিয়ে যাওয়ার আগে বাচ্চাদের বাজি সম্পর্কে ভাল করে শিখিয়ে পড়িয়ে নিন। কোন বাজি কী ভাবে জ্বালাতে হবে, কী ভাবে সাবধান থাকতে হবে, সে বিষয়ে ভাল করে বুঝিয়ে দিন বাচ্চাদের। বাজি পোড়ানোর সময় তাদের পাশে থাকুন। কোনও ভাবেই ওদের একা ছাড়বেন না।

অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা: যেখানে বাজি পোড়াবেন তার আশেপাশে অগ্নি নির্বাপক রাখুন। যদি অগ্নি নির্বাপক না রাখতে পারনে তাহলে জল ভর্তি বালতি ও বালি রাখুন হাতের কাছে।

বন্ধ জায়গায় নয়: বাজি সব সময় বাড়ির বাইরে খোলা জায়গায় পোড়ান। বন্ধ জায়াগায় বাজি পোড়ালে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ফার্স্ট এড কিট: বাজি পোড়ানোর আনন্দে সুরক্ষার কথা ভুলে গেলে চলবে না। হাতের কাছে সব সময় রাখুন ফার্স্ট এড কিট।

পোড়া বাজি: পুড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজি জলের বালতিতে দিন বা উপরে বালি ছড়িয়ে দিন। অনেক সময় পোড়া বাজি থেকেও বড় বিপদ ঘনিয়ে আসে।

প্রদীপ মোমবাতি: দীপাবলি মানেই মোমবাতি ও প্রদীপ। বাড়ি অবশ্যই মোমবাতি, প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তুলুন। কিন্তু খেয়াল রাখুন পর্দা বা অন্য কোনও দাহ্য বস্তু, আগুন ধরে যেতে পারে এমন কিছুর পাশে মোমবাতি বা প্রদীপ জ্বালাবেন না।

পোষ্য: কালীপুজো, দীপাবলির দিন চারপাশে শুধুই বাজির আওয়াজ আর আওয়াজ। এতে পোষ্যরা চমকে ওঠে, ওদের কষ্ট হয়। তাই কালীপুজোর কিছু দিন আগে থেকেই বাড়িতে এই রকম আওয়াজ চালিয়ে রেখে ওদের ধাতস্ত হতে দিন। বাজি থেকে ওদের দূরে রাখুন। বাড়িতে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখলে পোষ্যদের একা রাখবেন না ঘরে।

সংবেদনশীলতা: দীপাবলির উৎসবে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সাবধানতা ও সংবেদনশীলতা। শুধু নিজের আনন্দের দিকে নজর দিলেই হবে না, খেয়াল রাখুন পাড়া-প্রতিবেশী, আশেপাশের মানুষদেরও। শব্দ দূষণ যে কোনও মানুষের পক্ষেই ক্ষক্তিকারক। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য। তাই যতটা সম্ভব শব্দবাজি থেকে দূরে থাকুন।

সূত্র: আনন্দবাজার

 

Similar Articles

Leave a Reply