You are here
নীড়পাতা > অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত > অনলাইন > আতঙ্ক থাকলেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান চলছে

আতঙ্ক থাকলেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান চলছে

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

হিন্দু পুরোহিত এবং সেবক হত্যার পর এবার ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুভেশানন্দ মহারাজকে চিঠি দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে৷ বলা বাহুল্য, এ সব হত্যা এবং হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে আছেন বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা৷

বুধবার তথকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর নামে পাঠানো চিঠিতে রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষকে বলা হয়, ‘‘বাংলাদেশ একটি ইসলামি রাষ্ট্র৷ এখানে ধর্মপ্রচার করতে পারবি না৷ ধর্মপ্রচার করা হলে ২০ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে তোকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হবে৷”

এ বিষয়ে স্বামী ধ্রুভেশানন্দ মহারাজ বলেন, ‘‘হুমকির পর আমাদের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে৷ যাঁরা মিশনে আসেন তাঁদের তল্লাশি করা হয়৷ আমরা আতঙ্কে থাকলেও আমাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ঠিকমত করছি৷ তাতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না৷”

তিনি জানান, ‘‘এর আগেও বালিয়াটি রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল৷ সারাদেশে রামকৃষ্ণ মিশনের ১৪টি শাখা আছে৷ এছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগে আছে আরো ১০০টি আশ্রম৷ আমরা সবাইকে সাবধানে, সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা এবং দৈনন্দিন কাজ করতে বলেছি৷ যেখানে প্রয়োজন হবে সেখানে পুলিশের সহযোগিতা নেয়ারও পরামর্শ দিয়েছি৷”

মিশন অধ্যক্ষ বলেন, ‘‘সারাবিশ্বেই এখন উগ্রবাদী-সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়ছে৷ বাংলাদেশও তার বাইরে নয়৷”

এদিকে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মণ্ডলির সদস্য কাজল দেবনাথ জানান, ‘‘সারাদেশে ২৪ হাজারের মতো মন্দির আছে৷ ঢাকাসহ বড় বড় কিছু মন্দিরে পুলিশের নিরপত্তা আছে৷ তবে সব মন্দিরে পুলিশ দিয়ে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয় সম্ভব নয়৷ এরজন্য প্রয়োজন সামাজিক উদ্যোগ এবং সচেতনতা৷”

তিনি বলেন, ‘‘এটা সত্য যে পুরোহিত ও সেবক হত্যা, মন্দিরে হামলাসহ নানা ঘটনায় হিন্দুসহ সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে আছেন৷ কিন্তু পূজা অর্চনায় কোনো বাধা নেই এবং সমস্যাও হচ্ছে না৷”

ওদিকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আতঙ্ক আছে৷ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার তিনটি মন্দিরের সেবক তপন ভৌমিক জানান, ‘‘আমরা এখনো কোনো হুমকি পাইনি৷ আমাদের পূজা বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না৷ তবে চারদিকে যা শুনি তাতে ভয় পাই৷”

তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের এই নেতা ও পুরোহিত এবং সেবকরা বলেন, ‘‘বাংলাদেশে এখনো ধর্মীয় সম্প্রীতি অটুট আছে৷ সব ধর্মের অনুসারীরা মিলে মিশেই আছেন৷ রাষ্ট্র এবং সরকার সহযোগিতা দিচ্ছে৷”

সূত্র : ডয়েচে ভেলে, কালের কণ্ঠ

Similar Articles

Leave a Reply