You are here
নীড়পাতা > অন্য মাধ্যমে প্রকাশিত > কানাডায় বাঙলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন জেবুন্নেসা চপলা

কানাডায় বাঙলা ভাষাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন জেবুন্নেসা চপলা

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

কানাডার সাসকাচুয়ান শহরে প্রবাসী বাঙালিদের জন্য জেবুন্নেসা চপলা যখন ‘বাঙলার গান ও কথা’ নামে একটি সাপ্তাহিক রেডিও অনুষ্ঠান শুরু করেন, তখন অনেকে খুশি হলেও সরাসরি সাহায্যে এগিয়ে আসেননি কেউ। ভিনদেশে তিনি যখন বাঙলা ভাষায় কোন রেডিও অনুষ্ঠান শুরু করেন, তখন এ বিষয়টি নিয়ে কেউ ভাবেনি।

‘বাঙলার গান ও কথা’ অনুষ্ঠানটি মূলত কানাডার বাঙালি অভিবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও জনসচেতনতার কথা বলে।

নারীদের নিয়ে বিবিসিতে চলছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা ‘শত নারী’। এই অনুষ্ঠানমালায় বিভিন্ন দেশের নারীদের সমস্যা, চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যসহ নানা বিষয় তুলে ধরা হচ্ছে। তার অংশ হিসেবে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশী নারী জেবুন্নেসা চপলার কথা তুলে ধরা হচ্ছে।

মাল্টি-কালচারাল বা বহু-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাসকাচুয়ান রাজ্য থেকে তাকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে এবং এবছরই কানাডা ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন থেকে তাকে সম্মাননা দেয়া হয়।

শুরুর চ্যালেঞ্জের কথা বলছিলেন জেবুন্নেসা চপলা, “কানাডায় বাঙলায় কোন রেডিও অনুষ্ঠান করা যেতে পারে এটি কেউ ভাবতেই পারেনি। অন্য একটি শহরে পারফর্ম করতে গিয়ে জানতে পারি যে ওখানে একটি কমিউনিটি রেডিও আছে, যেখানে বিভিন্ন ভাষায় অনুষ্ঠান করার সুযোগ দেওয়া হয়। তারপর আমি নিজ শহরে এসে শুরু করি এই অনুষ্ঠানটি।”

জেবুন্নেসা চপলা জানালেন, এক্ষেত্রে তার স্বামী তাকে সবসময় সহায়তা করেছেন। কোন সম্মানী ছাড়া কয়েক বছর স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করেছেন তিনি এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে অনুদান নিয়ে অনুষ্ঠান চালাতে হয়েছে।

কিন্তু জেবুন্নেসা চপলা থেমে থাকেননি। একাই লড়েছেন এবং কানাডার বুকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বাঙলা ভাষাকে এবং বাংলাদেশের নামকে।

প্রবাসে বাঙ্গালি কম্যুনিটির জন্য একটি রেডিও অনুষ্ঠান তৈরি করা কতটা কঠিন ছিল?

তিনি বললেন, “নি:সন্দেহে এটি একটি কঠিন কাজ ছিল। আমার খুব ছোট দুটো বাচ্চা ছিলো, এই বাচ্চাদের নিয়ে ঠাণ্ডার দেশে এই কাজটি করা খুবই কঠিন ছিল। ঘরে-বাইরে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়েছে।”

জেবুন্নেসা চপলা জানালেন, কানাডায় অনেকের উৎসাহ ও উদ্দীপনার কারণেই অনুষ্ঠানটি চার বছরে পা দিয়েছে। তিনি শহরের অন্যান্য ইমিগ্রেন্ট নারীদের অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছেন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

বাঙলার হাত ধরে পৃথিবীর মানুষের সামনে কিভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো যায়, তা সবসময় রেডিওতে বলার চেষ্টা করেছেন বলে জানালেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Similar Articles

Leave a Reply