You are here
নীড়পাতা > সংবাদ > আন্তর্জাতিক > ইস্তানবুলের বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলায় ৩৬ জনের মৃত্যু

ইস্তানবুলের বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলায় ৩৬ জনের মৃত্যু

Your ads will be inserted here by

Easy Plugin for AdSense.

Please go to the plugin admin page to
Paste your ad code OR
Suppress this ad slot.

তুরস্কের ইস্তানবুলের আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আত্মঘাতি বোমা হামলায় অন্তত ৩৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হতাহত হয়েছেন শতাধিক। হামলাকারীরা প্রথমে গুলিবর্ষণ ও পরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। বিবিসি ও রয়টার্স খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ইস্তানবুলের আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পান তারা। এরপর বোমা বিস্ফোরণ। একটি টার্মিনালে ঢোকার পথে একজন বন্দুকধারী শুরুতে গুলি চালায় এবং তারপর তার শরীরে বাঁধা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে আত্মঘাতী এই হামলায় অংশ নিয়েছেন আরো দুজন বন্দুকধারী। আতংকের মাঝে বিমানবন্দরে আসা ট্যাক্সিতে করে অনেককে হাসপাতালে নিতে হয়েছে। সেখানে কেবলই অবতরণ করা একটি বিমানে যাত্রী ছিলেন বিবিসির মার্ক লোয়েন। পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলছিলেন, যাত্রীদের রানওয়েতেই বিমানে রেখে দেয়া হয়। তিনি বহু নিরাপত্তা রক্ষী ও এম্বুলেন্স দেখতে পাচ্ছিলেন।

হামলার পর তুরস্করের বিচারমন্ত্রী বেকির বোজদাগ বলেন, আমাকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে তা হলো, প্রথম এক হামলাকারী বিমানবন্দরে প্রবেশ করে গুলি শুরু করে একটি কালাশনিকভ দিয়ে। তারপর নিজেকে উড়িয়ে দেয় আত্মঘাতী হামলায়।

Istanbul airport 02 women wordsএদিকে, তুরস্কের এক সরকারি কর্মকর্তা বলেন, হামলাকারীরা বিমানবন্দরের অ্যারাইভাল হলের প্রবেশমুখের একটি চেক পয়েন্টে পৌঁছালে তাদের আটকাতে পুলিশ গুলি চালিয়েছিল।
নিহতদের মধ্যে আত্মঘাতী হামলাকারী রয়েছে কি না তা জানা যায়নি।

এই ঘটনার পর ইউরোপের অন্যতম ব্যস্ত আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দরটির সকল ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়কিছু ফ্লাইট সরিয়ে দেওয়া হয় অন্যত্র। বিমান চলাচল আবার শুরু হয়েছে বলে পরবর্তীতে জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরটিকে অনেকদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছিল। কারণ যাত্রীদের প্রবেশ পথে লাগেজ স্ক্যান করা হলেও সেখানে টার্মিনালে আসা গাড়ির জন্য কোন স্ক্যানার নেই।

তুরস্কে কাছাকাছি সময়ে একের পর এক হামলা চলছে। সেখান থেকে বিশ্লেষক গ্যারেথ জেংকিনস বলছেন, এই হামলার দায় এখনো কেউ স্বীকার না করলেও সন্দেহের তীর রয়েছে কথিত ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠী অথবা কুর্দি জঙ্গি গোষ্ঠী পিকেকের দিকে।

গত বছর কুর্দি জঙ্গিদের সাথে তুরস্কের সরকারের যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পিকেকে বেশ কটি হামলা চালিয়েছে।

ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীও তুরস্কে কয়েকটি হামলা চালিয়েছে।

তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইলদিরিম এ হামলার জন্য আইএসকে দায়ী করেছেন। দেশটির রাষ্ট্রপতি এরদোয়ান বলেন, ‘আন্তর্জাতি সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের সন্ধিক্ষণে এই হামলা হলো। ইস্তানবুলের মতো পৃথিবীর যে কোনও বিমানবন্দরে বা শহরে এ ধরনের হামলা হতে পারে।’

এদিকে, এই হামলার ঘটনাকে জঘন্য আখ্যায়িত করে তুরস্কের পাশের থাকার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

Similar Articles

Leave a Reply